
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে এই সম্পদ অর্জনে তার স্ত্রী লুৎফুল

গত ১৯ আগস্ট আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা ওয়াসাতে অভিযান পরিচালনা করে দুদক। সেসময় ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। পরে আব্দুস সালাম ব্যাপারীকে এমডি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

অবৈধ সম্পদের মামলায় যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে পৃথক দুই ধারায় ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।

পৌনে ৯ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় তদন্তের মুখে থাকা শেখ রেহানার স্বামী শফিক আহমেদ সিদ্দিকের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।