ডিএসসিসির উদ্যোগে জিয়া সরণি খাল পুনরুদ্ধার শুরু

ডিএসসিসির উদ্যোগে জিয়া সরণি খাল পুনরুদ্ধার শুরু
সিটিজেন ডেস্ক

রাজধানীর জিয়া সরণি খাল পুনরুদ্ধার ও পানিপ্রবাহ সচল করতে কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
শনিবার (১১ এপ্রিল) খালের বর্তমান অবস্থা ও পরিষ্কার কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও জনভোগান্তি কমাতে খালটি চলাচল উপযোগী করা এবং পানিপ্রবাহ সচল করার কাজ চলছে। পানিপ্রবাহের দিক পরিবর্তন করে খালটি বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত পানি নিষ্কাশন সম্ভব হয়।

তিনি জানান, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে নিষ্কাশন পথ ছোট হবে এবং জলাবদ্ধতা কমবে। বর্তমানে ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থায়নে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও প্রাথমিক পরিষ্কার কার্যক্রম চলছে।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, খাল পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে স্থায়ী গাইডওয়াল নির্মাণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও খালের দুই পাশে হাঁটার পথ তৈরির কাজ শুরু হবে। বিগত সরকার কেবল ‘জিয়া’ নামের কারণে জনগুরুত্বপূর্ণ এই খালটি অবহেলা করেছিল, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
প্রতিমন্ত্রী জানান, শ্যামপুর খাল উন্নয়ন প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে, যেখানে আধুনিক নেটিং ব্যবস্থা ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে।
খাল রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয়দের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার পাশাপাশি নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে কমিটি গঠন করা হবে, যারা খালটির দেখভাল করবে।

রাজধানীর জিয়া সরণি খাল পুনরুদ্ধার ও পানিপ্রবাহ সচল করতে কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
শনিবার (১১ এপ্রিল) খালের বর্তমান অবস্থা ও পরিষ্কার কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও জনভোগান্তি কমাতে খালটি চলাচল উপযোগী করা এবং পানিপ্রবাহ সচল করার কাজ চলছে। পানিপ্রবাহের দিক পরিবর্তন করে খালটি বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত পানি নিষ্কাশন সম্ভব হয়।

তিনি জানান, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে নিষ্কাশন পথ ছোট হবে এবং জলাবদ্ধতা কমবে। বর্তমানে ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থায়নে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও প্রাথমিক পরিষ্কার কার্যক্রম চলছে।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, খাল পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে স্থায়ী গাইডওয়াল নির্মাণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও খালের দুই পাশে হাঁটার পথ তৈরির কাজ শুরু হবে। বিগত সরকার কেবল ‘জিয়া’ নামের কারণে জনগুরুত্বপূর্ণ এই খালটি অবহেলা করেছিল, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
প্রতিমন্ত্রী জানান, শ্যামপুর খাল উন্নয়ন প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে, যেখানে আধুনিক নেটিং ব্যবস্থা ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে।
খাল রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয়দের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার পাশাপাশি নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে কমিটি গঠন করা হবে, যারা খালটির দেখভাল করবে।

ডিএসসিসির উদ্যোগে জিয়া সরণি খাল পুনরুদ্ধার শুরু
সিটিজেন ডেস্ক

রাজধানীর জিয়া সরণি খাল পুনরুদ্ধার ও পানিপ্রবাহ সচল করতে কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।
শনিবার (১১ এপ্রিল) খালের বর্তমান অবস্থা ও পরিষ্কার কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও জনভোগান্তি কমাতে খালটি চলাচল উপযোগী করা এবং পানিপ্রবাহ সচল করার কাজ চলছে। পানিপ্রবাহের দিক পরিবর্তন করে খালটি বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত পানি নিষ্কাশন সম্ভব হয়।

তিনি জানান, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে নিষ্কাশন পথ ছোট হবে এবং জলাবদ্ধতা কমবে। বর্তমানে ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থায়নে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও প্রাথমিক পরিষ্কার কার্যক্রম চলছে।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, খাল পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী জুলাই থেকে স্থায়ী গাইডওয়াল নির্মাণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও খালের দুই পাশে হাঁটার পথ তৈরির কাজ শুরু হবে। বিগত সরকার কেবল ‘জিয়া’ নামের কারণে জনগুরুত্বপূর্ণ এই খালটি অবহেলা করেছিল, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
প্রতিমন্ত্রী জানান, শ্যামপুর খাল উন্নয়ন প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে, যেখানে আধুনিক নেটিং ব্যবস্থা ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে।
খাল রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয়দের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার পাশাপাশি নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে কমিটি গঠন করা হবে, যারা খালটির দেখভাল করবে।




