তুমিও ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী

তুমিও ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী
রাজশাহী সংবাদদাতা

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সামনে পরীক্ষা। তাতে তুমি ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল। কারও বাঁচার উপায় নেই। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীরা মন্ত্রীকে অভিযোগ করে বলেন, নানা কারণে নিয়মিত ক্লাস হয় না। হাতে-কলমে শেখার প্রয়োজনীয় মেশিনারিজ নেই। ল্যাবের যন্ত্রপাতি সব পুরোনো ও অকেজো। পরে শিক্ষকদের কাছে সমস্যার বিষয়ে জানতে চান শিক্ষামন্ত্রী।
আবুজর গিফারি নামেে এক শিক্ষার্থী বলেন, অষ্টম সেমিস্টারে আমাদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কথা। কিন্তু আমাদের সেভাবে পাঠানো হয় না। পাঠালেও ভালো প্রতিষ্ঠানে আমাদের নেওয়া হয় না। কাউকে ঢাকার প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় না।
ভালো প্রতিষ্ঠানে না পাঠানোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহী পলিটেকনিকের প্রিন্সিপালের কাছে জানতে চান। প্রিন্সিপাল জানান, ইন্ডাস্ট্রির লোকজন শিক্ষার্থীদের নিতে চায় না।
তখন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে ইন্ড্রাস্ট্রির চুক্তি আছে। ছাত্রদের অবশ্যই নিতে হবে। মেশিনারি ব্যবহার করতে দিতেই হবে। কেন দিচ্ছে না তার খোঁজ নিতে হবে। আমরাও খোঁজ নেবো, কথা বলবো।
এ সময় একজন শিক্ষক বলেন, ১৯৬৩ সালে নির্মিত ভবনে ক্লাস ও ল্যাবে কাজ চালাতে হচ্ছে। মেশিনারিজ বলতে তেমন কিছু নেই। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় পড়ানোর জন্য যেসব সুবিধা দরকার, তার কিছুই নেই। ফলে শিক্ষকরা চাইলেও সব শেখাতে পারেন না।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন শিক্ষায় যত টাকা লাগে, তা দেবে। কিন্তু আমি তো নিতে পারছি না। কত নেব, কীভাবে নেব, কোথায় খরচ করব? আমাকে তো প্রকল্প হাতে নিতে হবে। যেখানে সমস্যা, সেখানে কাজ করব। তা সমাধানে প্রকল্প হাতে নেব। সেই জন্য আমরা শিক্ষার্থীদের কথা শুনছি। ওরা কী চায়, তা জানার চেষ্টা করছি।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পড়াশোনা ঠিকমতো করতেই হবে। এজন্য সুযোগ-সুবিধাগুলো আমরা নিশ্চিত করব। কিন্তু সামনে পরীক্ষা। তুমি ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রীকে একজন শিক্ষক জানান, পলিটেকনিকের ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে যাচ্ছে। এ ঝরে পড়া ঠেকাতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সামনে পরীক্ষা। তাতে তুমি ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল। কারও বাঁচার উপায় নেই। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীরা মন্ত্রীকে অভিযোগ করে বলেন, নানা কারণে নিয়মিত ক্লাস হয় না। হাতে-কলমে শেখার প্রয়োজনীয় মেশিনারিজ নেই। ল্যাবের যন্ত্রপাতি সব পুরোনো ও অকেজো। পরে শিক্ষকদের কাছে সমস্যার বিষয়ে জানতে চান শিক্ষামন্ত্রী।
আবুজর গিফারি নামেে এক শিক্ষার্থী বলেন, অষ্টম সেমিস্টারে আমাদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কথা। কিন্তু আমাদের সেভাবে পাঠানো হয় না। পাঠালেও ভালো প্রতিষ্ঠানে আমাদের নেওয়া হয় না। কাউকে ঢাকার প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় না।
ভালো প্রতিষ্ঠানে না পাঠানোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহী পলিটেকনিকের প্রিন্সিপালের কাছে জানতে চান। প্রিন্সিপাল জানান, ইন্ডাস্ট্রির লোকজন শিক্ষার্থীদের নিতে চায় না।
তখন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে ইন্ড্রাস্ট্রির চুক্তি আছে। ছাত্রদের অবশ্যই নিতে হবে। মেশিনারি ব্যবহার করতে দিতেই হবে। কেন দিচ্ছে না তার খোঁজ নিতে হবে। আমরাও খোঁজ নেবো, কথা বলবো।
এ সময় একজন শিক্ষক বলেন, ১৯৬৩ সালে নির্মিত ভবনে ক্লাস ও ল্যাবে কাজ চালাতে হচ্ছে। মেশিনারিজ বলতে তেমন কিছু নেই। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় পড়ানোর জন্য যেসব সুবিধা দরকার, তার কিছুই নেই। ফলে শিক্ষকরা চাইলেও সব শেখাতে পারেন না।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন শিক্ষায় যত টাকা লাগে, তা দেবে। কিন্তু আমি তো নিতে পারছি না। কত নেব, কীভাবে নেব, কোথায় খরচ করব? আমাকে তো প্রকল্প হাতে নিতে হবে। যেখানে সমস্যা, সেখানে কাজ করব। তা সমাধানে প্রকল্প হাতে নেব। সেই জন্য আমরা শিক্ষার্থীদের কথা শুনছি। ওরা কী চায়, তা জানার চেষ্টা করছি।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পড়াশোনা ঠিকমতো করতেই হবে। এজন্য সুযোগ-সুবিধাগুলো আমরা নিশ্চিত করব। কিন্তু সামনে পরীক্ষা। তুমি ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রীকে একজন শিক্ষক জানান, পলিটেকনিকের ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে যাচ্ছে। এ ঝরে পড়া ঠেকাতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।

তুমিও ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল: শিক্ষামন্ত্রী
রাজশাহী সংবাদদাতা

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সামনে পরীক্ষা। তাতে তুমি ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল। কারও বাঁচার উপায় নেই। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীরা মন্ত্রীকে অভিযোগ করে বলেন, নানা কারণে নিয়মিত ক্লাস হয় না। হাতে-কলমে শেখার প্রয়োজনীয় মেশিনারিজ নেই। ল্যাবের যন্ত্রপাতি সব পুরোনো ও অকেজো। পরে শিক্ষকদের কাছে সমস্যার বিষয়ে জানতে চান শিক্ষামন্ত্রী।
আবুজর গিফারি নামেে এক শিক্ষার্থী বলেন, অষ্টম সেমিস্টারে আমাদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কথা। কিন্তু আমাদের সেভাবে পাঠানো হয় না। পাঠালেও ভালো প্রতিষ্ঠানে আমাদের নেওয়া হয় না। কাউকে ঢাকার প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় না।
ভালো প্রতিষ্ঠানে না পাঠানোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহী পলিটেকনিকের প্রিন্সিপালের কাছে জানতে চান। প্রিন্সিপাল জানান, ইন্ডাস্ট্রির লোকজন শিক্ষার্থীদের নিতে চায় না।
তখন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে ইন্ড্রাস্ট্রির চুক্তি আছে। ছাত্রদের অবশ্যই নিতে হবে। মেশিনারি ব্যবহার করতে দিতেই হবে। কেন দিচ্ছে না তার খোঁজ নিতে হবে। আমরাও খোঁজ নেবো, কথা বলবো।
এ সময় একজন শিক্ষক বলেন, ১৯৬৩ সালে নির্মিত ভবনে ক্লাস ও ল্যাবে কাজ চালাতে হচ্ছে। মেশিনারিজ বলতে তেমন কিছু নেই। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় পড়ানোর জন্য যেসব সুবিধা দরকার, তার কিছুই নেই। ফলে শিক্ষকরা চাইলেও সব শেখাতে পারেন না।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন শিক্ষায় যত টাকা লাগে, তা দেবে। কিন্তু আমি তো নিতে পারছি না। কত নেব, কীভাবে নেব, কোথায় খরচ করব? আমাকে তো প্রকল্প হাতে নিতে হবে। যেখানে সমস্যা, সেখানে কাজ করব। তা সমাধানে প্রকল্প হাতে নেব। সেই জন্য আমরা শিক্ষার্থীদের কথা শুনছি। ওরা কী চায়, তা জানার চেষ্টা করছি।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পড়াশোনা ঠিকমতো করতেই হবে। এজন্য সুযোগ-সুবিধাগুলো আমরা নিশ্চিত করব। কিন্তু সামনে পরীক্ষা। তুমি ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রীকে একজন শিক্ষক জানান, পলিটেকনিকের ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে যাচ্ছে। এ ঝরে পড়া ঠেকাতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।




