
সিটিজেন ডেস্ক


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চলমান যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে এবং সংঘাতপীড়িত অঞ্চল ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতায় ফিরবে—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিকে, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তার ইরানি সমকক্ষ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। আলোচনায় একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আঙ্কারার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
তুরস্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং যুদ্ধবিরতি ধরে রাখতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হবে।

মার্কিন ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরপরই ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। দেশটির ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েল রিফাইনিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় অনুযায়ী আজ (৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টায় ইরানের লাভানে অবস্থিত একটি তেল শোধনাগার আক্রান্ত হয়।
আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত কোম্পানির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলার পরপরই নিরাপত্তা ও অগ্নিনির্বাপক দল ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে। তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে তা নিভিয়ে ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং স্থাপনাটি নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, হামলার সময় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় কর্মীদের আগেই সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এ কারণে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তবে এই হামলার ঘটনায় যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা এবং অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় একাধিক দেশকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, মিশর ও কাতার যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছাতে ‘অমূল্য ও সর্বাত্মক সমর্থন’ দিয়েছে। একই সঙ্গে এসব দেশের সহায়তায় শান্তিপূর্ণ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি)-এর দেশগুলোর প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞ। তার মতে, যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের প্রচেষ্টাকে সফল করতে এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি তাদের অব্যাহত সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শাহবাজ শরীফ বলেন, ‘আমাদের ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব শান্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে অসাধারণ কৌশলগত দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতা ও ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে।’
লেবাননে অল্প সময়ের মধ্যে বড় ধরনের সমন্বিত হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী-আইডিএফ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে দেশটির বিভিন্ন স্থানে একযোগে ১০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
বাহিনীটি জানায়, গত ২ মার্চ নতুন সামরিক অভিযান শুরুর পর এটিই সবচেয়ে বড় সমন্বিত হামলা। তাদের দাবি, এই অভিযানে হিজবুল্লাহর একাধিক কমান্ড সেন্টার ও সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
ইসরায়েলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বৈরুত, বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, লক্ষ্যবস্তু করা অবকাঠামোর বেশিরভাগই বেসামরিক জনবসতির কাছাকাছি অবস্থিত ছিল। তবে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বা বেসামরিক ব্যক্তিদের ক্ষয়ক্ষতি যতটা সম্ভব কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনে ইসলামাবাদে প্রস্তাবিত শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়ে আবারও আশ্বাস দিয়েছে ইরান। বুধবার (৮ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেশেকিয়ানের সঙ্গে তার একটি ‘আন্তরিক ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে।
শাহবাজ শরীফ বলেন, এই সপ্তাহের শেষ দিকে ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা আয়োজনের পাকিস্তানের প্রস্তাব গ্রহণ করায় তিনি ইরানি নেতৃত্বের প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেছেন। তার মতে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও জানান, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আসন্ন আলোচনায় ইরানের অংশগ্রহণের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য পাকিস্তানের ভূমিকাকে স্বাগত জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি পাকিস্তানের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।
এতে করে ইসলামাবাদে নির্ধারিত আলোচনাকে ঘিরে কূটনৈতিক অগ্রগতির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতিকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ। তিনি এ উদ্যোগকে ‘প্রকৃত আশার লক্ষণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ভ্যাটিকানে সাপ্তাহিক সাধারণ সাক্ষাৎ শেষে দেওয়া বক্তব্যে পোপ বলেন, দুই সপ্তাহের তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণাকে তিনি সন্তোষের সঙ্গে স্বাগত জানাচ্ছেন। তার মতে, এই পদক্ষেপ চলমান সংঘাত নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে।
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, কেবল সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমেই যুদ্ধের স্থায়ী অবসান সম্ভব। সহিংসতার পথ পরিহার করে কূটনৈতিক সমাধানের দিকে ফিরে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
পোপের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রতি একটি নৈতিক সমর্থন হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লেবাননকে চুক্তির বাইরে রাখা হলে পুরো যুদ্ধবিরতিই ভেঙে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে হিজবুল্লাহ।
হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য ইব্রাহিম মুসাভি বলেছেন, চলমান সংঘাতকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। তার মতে, এই যুদ্ধ কেবল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং লেবাননসহ বৃহত্তর আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে এটি একটি সমন্বিত রণাঙ্গন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখতে হলে হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল সংঘাতকেও এর আওতায় আনতে হবে। অন্যথায়, ইসরায়েল যদি এ শর্ত অমান্য করে, তবে ইরানসহ আঞ্চলিক মিত্ররা সম্মিলিতভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে।
এদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান এবং স্থল লড়াই অব্যাহত থাকবে। এতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত হয়েছে, যেখানে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে বর্তমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
উল্লেখ্য, সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইরান বারবার দাবি করে আসছে যে, ইরান ও লেবানন একই কৌশলগত ফ্রন্টের অংশ এবং যেকোনো শান্তিচুক্তিতে এই বাস্তবতাকে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।
সব মিলিয়ে, লেবানন ইস্যুতে সমাধান না এলে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেও কুয়েতে একাধিক ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল ও বিদ্যুৎ স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আব্দুল আজিজ আল-ওতাইবি জানিয়েছেন, গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) ভোর ৫টা থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত দেশের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তত ২৮টি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
তিনি হামলাটিকে ‘শত্রুভাবাপন্ন ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের একটি তীব্র ঢেউ’ হিসেবে বর্ণনা করেন। যদিও মোট কতটি ড্রোন এ হামলায় অংশ নিয়েছে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি, তবে তার ভাষ্যমতে, ‘বিপুল সংখ্যক শত্রু ড্রোন’ আকাশে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল।
কর্নেল আল-ওতাইবি আরও জানান, ভূপাতিত ড্রোনগুলোর মধ্যে কয়েকটি কুয়েতের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে পাঠানো হয়েছিল।
এই হামলার ফলে দেশের তেল অবকাঠামো, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং পানি পরিশোধন স্থাপনাগুলোতে উল্লেখযোগ্য বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

চলমান আলোচনার মধ্যে লেবাননে বিমান হামলার ঘটনায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে পাকিস্তানকে আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সংসদ স্পিকার নাবিহ বেরি।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেরি এ বিষয়ে লেবাননে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত সালমান আতহারের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন।
আলাপচারিতায় তিনি দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিক লঙ্ঘন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিষয়টি পাকিস্তান সরকারের কাছে গুরুত্বসহকারে তুলে ধরার জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান।
ফোনালাপে বেরি আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ইসলামাবাদের কূটনৈতিক উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মহলের কাছে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা জরুরি।
তার মতে, এই বাস্তবতা যথাযথভাবে তুলে ধরা হলে সংঘাত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে।

চলমান সংঘাত ও যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যে দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (ইরনা) এ তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, এক বিবৃতিতে পরিষদ যুদ্ধকে কেন্দ্র করে অর্জিত ‘বিজয়’-এর জন্য ইরানি জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছে। তবে তারা সতর্ক করে দিয়েছে, এই বিজয়ের পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই সাফল্যের জন্য আমরা ইরানের জনগণকে অভিনন্দন জানাই। তবে এর বিস্তারিত চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের বিচক্ষণতা ও ধৈর্যের পাশাপাশি জনগণের ঐক্য ও সংহতি অটুট রাখা অত্যন্ত জরুরি।’
পরিষদ আরও দাবি করেছে, গত প্রায় ৪০ দিনের সংঘাতে ইরান তার মিত্রদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিপক্ষের ওপর উল্লেখযোগ্য আঘাত হেনেছে।
বিবৃতিতে লেবানন, ইরাক, ইয়েমেন এবং অধিকৃত ফিলিস্তিন অঞ্চলে সক্রিয় তথাকথিত ‘প্রতিরোধ অক্ষ’-এর কথাও উল্লেখ করা হয়।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই যৌথ সামরিক ও কৌশলগত পদক্ষেপ এমন প্রভাব ফেলেছে, যা ভবিষ্যতেও বিশ্বরাজনীতির আলোচনায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে। এই আলোচনায় অংশ নিতে দুই দেশকেই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আলোচনাকে ঘিরে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিতে পারেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
অন্যদিকে, ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকতে পারেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।
ইরানের সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ-এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এই বৈঠককে ঘিরে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি কার্যকর সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা