শিরোনাম
সরাসরি

‘তেহরানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ইসলামাবাদ’

২১: ৩৪

‘তেহরানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ইসলামাবাদ’

‘তেহরানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ইসলামাবাদ’
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার। ছবি: রেডিও পাকিস্তান

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরবর্তী দফার আলোচনায় ইরান অংশ নেবে কি না এ বিষয়ে তেহরানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের জন্য এখনো অপেক্ষা করছে ইসলামাবাদ।

তিনি বলেন, পাকিস্তান এখনো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও সংলাপের পথেই এগোচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে ইরানের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তারার আরও বলেন, চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ দ্রুত শেষ হয়ে আসছে। এমন প্রেক্ষাপটে ইরান আলোচনায় অংশ নেবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে পাকিস্তান।

২০: ৪৭

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, তেহরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ ‘সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন’ করা হয়েছে। তার ভাষায়, ‘রক্তপিপাসু ইরান’ ওই মজুদের কাছে পৌঁছাতে বা তা পুনরুদ্ধার করতেও আর সক্ষম নয়।

একই পোস্টে তিনি ২০২৫ সালের জুনে পরিচালিত ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নামের সামরিক অভিযানের সমালোচনা করায় সংবাদমাধ্যমগুলোর কড়া সমালোচনা করেন। তিনি এসব গণমাধ্যমকে ‘সম্পূর্ণ দুর্নীতিগ্রস্ত ভুয়া সংবাদমাধ্যম’ বলে আখ্যা দেন।

অন্যদিকে, পৃথক এক বার্তায় ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, ইরান শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারে। ইরানে আটজন নারীকে ফাঁসি দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে যাচাইবিহীন খবরের প্রেক্ষিতে তিনি লেখেন, ইরানি নেতাদের উদ্দেশে তার বার্তা-যারা ‘শিগগিরই’ তার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবেন।

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘এই নারীদের মুক্তি দিলে আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ থাকব। আমি নিশ্চিত, এমন সিদ্ধান্তের জন্য তারা সম্মানিত হবে। দয়া করে তাদের কোনো ক্ষতি করবেন না, এটি আমাদের আলোচনার একটি দারুণ সূচনা হতে পারে।’

২০: ৪০

ইরানকে আলোচনায় আসার আহ্বান জার্মানির

ইরানকে আলোচনায় আসার আহ্বান জার্মানির
জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডেফুল। ছবি: সংগৃহীত

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডেফুল ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদে সম্ভাব্য বৈঠকটি তেহরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সুযোগ, যা দেশটির জনগণের স্বার্থে কাজে লাগানো উচিত।

ব্রাসেলসে ইউরোপীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের আগে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধির ইসলামাবাদ সফরের প্রস্তুতি চলছে। এতে করে উভয় পক্ষের মধ্যে সংলাপের একটি বাস্তবসম্মত ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

ভাডেফুলের মতে, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সত্ত্বেও আলোচনার পথ খোলা রাখা জরুরি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা জানি, মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি ইসলামাবাদ সফরের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের উচিত নিজেদের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় এনে এই প্রস্তাব গ্রহণ করা।’

তার এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ। তবুও ইউরোপীয় কূটনীতিকরা মনে করছেন, সরাসরি সংলাপই বর্তমান অচলাবস্থা কাটানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হতে পারে।

২০: ২৮

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর আহ্বান পাকিস্তানের

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর আহ্বান পাকিস্তানের
২০২৫ সালে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনির। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষকেই চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসলামাবাদে নিযুক্ত মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ন্যাটালি এ. বেকারের সঙ্গে বৈঠকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এ বিষয়ে কথা বলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গঠনমূলক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ইসহাক দার বৈঠকে জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি। একই সঙ্গে তিনি দুই দেশকে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আহ্বান জানান।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়, উভয় দেশ সংযম প্রদর্শন করবে এবং সংলাপের পথেই সংকট নিরসনের চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

২০: ১১

নতুন প্রতিরক্ষা কৌশল সাজাচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো

নতুন প্রতিরক্ষা কৌশল সাজাচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো
উপসাগরীয় দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নীরবে উপসাগরীয় দেশগুলোকে প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে এই অঞ্চলের কৌশলগত চিত্র পাল্টে দিতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা প্রতিক্রিয়া নয়, বরং ভবিষ্যৎ হুমকির মোকাবিলায় একটি কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত।

এশিয়া গ্রুপের জিসিসি বিষয়ক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হেলাল বলেন, ‘এখন এটি উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ তার মতে, চলমান উত্তেজনা এসব দেশকে প্রতিরক্ষা নীতিতে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

হেলাল উল্লেখ করেন, অতীতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা কাতার এবার সেই ভূমিকায় ছিল না। কারণ দেশটি নিজেই হামলার শিকার হয়েছে এবং চাইছিল বাইরের শক্তিগুলো সরাসরি হস্তক্ষেপ করুক।

একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

এদিকে উপসাগরীয় দেশগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই থেমে নেই। হেলাল ইঙ্গিত দেন, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতাও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কৌশলের একটি পূর্বাভাস দিচ্ছে।

বিশেষ করে ভলোদিমির জেলেনস্কির কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরকে তিনি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করেন। এসব সফরে ইউক্রেন ড্রোন প্রতিরোধ প্রযুক্তিতে তাদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন চুক্তি করেছে।

তার মতে, এখন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের জন্য এই অঞ্চল অনেক বেশি উন্মুক্ত হয়ে উঠছে। উপসাগরীয় দেশগুলো আর একক উৎসের ওপর নির্ভর না করে বহুমুখী অংশীদার খুঁজছে।

হেলাল আরও বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বাইরে এসে এখন উপসাগরীয় দেশগুলো দক্ষিণ কোরিয়াসহ অন্যান্য দেশের প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে।

উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার ইন্টারসেপ্টর প্রযুক্তি ইতোমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে মোতায়েন থাকা প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের তুলনায় অনেক কম খরচে কার্যকর বিকল্প হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

সব মিলিয়ে, উপসাগরীয় অঞ্চল এখন নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একক শক্তির ওপর নির্ভর করতে আগ্রহী নয়। বরং তারা প্রযুক্তিগত বৈচিত্র্য, নতুন অংশীদারিত্ব এবং কৌশলগত স্বনির্ভরতার পথে এগোচ্ছে, যা আগামী কয়েক দশকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারে।

১৮: ৪৮

৫০ দিন পর ইরানে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু

৫০ দিন পর ইরানে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু
ইরানের জাতীয় বিমান সংস্থা ইরান এয়ার। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধের কারণে প্রায় ৫০ দিন বন্ধ থাকা অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট আগামী বুধবার (২২ এপ্রিল) থেকে পুনরায় চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ইরানের জাতীয় বিমান সংস্থা ইরান এয়ার আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরান এয়ারের বরাতে তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানায়, ফ্লাইট পুনরায় চালুর প্রথম ধাপে তেহরান থেকে মাশহাদ রুটে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল শুরু হবে। একই দিনে এই রুটে ফিরতি ফ্লাইটও পরিচালিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের মতে, ধাপে ধাপে অন্যান্য অভ্যন্তরীণ রুটেও ফ্লাইট চালু করা হবে। সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই উদ্যোগকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে যারা জরুরি প্রয়োজনে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে যাতায়াত করতে চান তাদের জন্য এটি বড় স্বস্তির খবর।

সূত্র: আল জাজিরা