শিরোনাম

‘হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে’

২২: ৫৭

‘হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে’

‘হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে। শনিবার (১৪ মার্চ) ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প এমন কথা উল্লেখ করেন।

ট্রাম্প লিখেছেন, ‘অনেক দেশ, বিশেষত যারা হরমুজ প্রণালি বন্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে যাতে প্রণালিটি খোলা এবং নিরাপদ থাকে।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আরও জানান, তিনি আশা করেন চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠাবে।

তিনি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির উপকূলে বোমা বর্ষণ করবে এবং ইরানের নৌযান এবং যুদ্ধজাহাজগুলোতে গুলিবর্ষণ করবে।

২২: ১০

আমিরাতের ৩ বন্দর এলাকায় বাসিন্দাদের সরে যেতে বললো ইরান

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের ‘অবিলম্বে’ জাবালে আলী বন্দর (দুবাই), খলিফা বন্দর (আবুধাবি) এবং ফুজাইরা বন্দরের আশপাশের এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইরান। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরান এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘এসব এলাকা এখন বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে, কারণ সেখানে বেসামরিক স্থাপনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা লুকিয়ে আছে। শিগগিরই এই এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে।’

ইরান সতর্ক করে বলে দিয়েছে, জনগণ যেন সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে উল্লিখিত বন্দরগুলোর আশপাশ থেকে নিরাপদ স্থানে চলে যায়।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

২১: ২৮

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহত বেড়ে ৮২৬

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮২৬ জনে পৌঁছেছে। গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া হামলায় এখন পর্যন্ত ২,০০৯ জন আহত হয়েছেন।

মন্ত্রণালয় জানায়, ধ্বংসস্তূপ থেকে দুইজন নিখোঁজ স্বাস্থ্যকর্মীর মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর নিহত প্যারামেডিকের সংখ্যা ৩১ জনে দাঁড়িয়েছে। তারা দক্ষিণ লেবাননের বুর্জ কালাওইয়া এলাকার একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরাসরি হামলা বা নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে পাঁচটি হাসপাতাল বন্ধ হয়ে গেছে।

কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চলতে থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপও বাড়ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

২০: ০২

ইসরায়েলের তেল আবিবে বিস্ফোরণ

ইসরায়েলের তেল আবিবে বিস্ফোরণ
ইরানের সম্ভাব্য হামলা শনাক্তের পর তেলআবিবে বিষ্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ছবি: সংগৃহীত

ইরান থেকে আসা সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তের পর পশ্চিম তেল আবিবের আকাশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা এই হুমকিকে প্রতিহত করতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এখন তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। এখনও যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

সূত্র: আল জাজিরা

১৯: ৪৯

‘উপসাগরীয় দেশে থেকে মার্কিন সেনাদের অপহরণ করা উচিত’

‘উপসাগরীয় দেশে থেকে মার্কিন সেনাদের অপহরণ করা উচিত’
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মানুচেহর মোত্তাকি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের খার্গ দ্বীপ দখল করে, তাহলে উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের অপহরণ করা উচিত।

বর্তমানে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মোত্তাকি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ‘মুকুটের রত্ন’ হিসেবে পরিচিত ওই দ্বীপে হামলা বা দখল চালায়, তাহলে ইরানি সেনাদের হেলিকপ্টারে করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে গিয়ে মার্কিন সেনাদের আটক করা উচিত।

তিনি বলেন, ‘যদি তারা এমন দুঃসাহস দেখিয়ে আমাদের ভূখণ্ডের একটি অংশে বসে পড়ে, তাহলে কেন আমরা তাদের ভূখণ্ডের একটি অংশে (যা এখন অঞ্চলে তাদের সামরিক ঘাঁটির আকারে রয়েছে) যাব না? হেলিকপ্টারে সেখানে অবতরণ করে তাদের বাহিনীকে আটক করা যেতে পারে।’

সূত্র: আর জাজিরা

১৯: ৩১

নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান

ইরানি বাহিনী নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করছে। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। তবে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, দেশটি উন্নত ক্ষমতার ক্ষেপণাস্ত্র, বিশেষ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আরও শক্তিশালী ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার বৃদ্ধি করবে।

ইরান ইতিমধ্যেই ইসরায়েল ও পার্শ্ববর্তী উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল বাণিজ্য হয়ে থাকে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও অন্যান্য স্থাপনা লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালাচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

১৯: ১৯

ইরান যুদ্ধ ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ প্রবেশ করেছে: ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ প্রবেশ করেছে: ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। ছবি: সংগৃহীত

ইরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ প্রবেশ করেছে। তিনি ইরানের খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলার প্রশংসা করেছেন। এ হামলায় ইরানের তেল রপ্তানি কেন্দ্রের সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়।

কাৎজ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান বিশ্বব্যাপী ও আঞ্চলিক সংগ্রাম তীব্র হচ্ছে এবং এখন এটি নির্ণায়ক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই পর্যায় যতদিন প্রয়োজন চলবে।’

সূত্র: আল জাজিরা

১৯: ০০

ইরান যুদ্ধ: কোন দেশে প্রাণহানি কত

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান। চলমান এ যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দুই হাজারের অধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা নিম্নরূপ:

ইরান: ১,৪৪৪ জন

লেবানন: ৭৭৩ জন

ইসরায়েল: ১৪ জন

সংযুক্ত আরব আমিরাত: ৬ জন

বাহরাইন: ২ জন

সৌদি আরব: ২ জন

কুয়েত: ৬ জন

ওমান: ৩ জন

যুক্তরাষ্ট্র: ১১ জন

ইরাক: ২৬ জন

সূত্র: আল জাজিরা

১৮: ৪৪

খার্গ দ্বীপে ৯০টির বেশি সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং ‘রত্ন মুকুট’ হিসেবে বিবেচিত খার্গ দ্বীপের ৯০টির বেশি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম)।

বিমান হামলায় নৌ মাইন সংরক্ষণাগার, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ বাঙ্কার এবং অন্যান্য সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমান্ড বলেছে, এটি ছিল একটি বৃহৎ পরিসরের সুনির্দিষ্ট হামলা। খার্গ দ্বীপ থেকে প্রায় ৯০ শতাংশ ইরানি তেল রপ্তানি করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড উল্লেখ করেছে, দ্বীপের তেল অবকাঠামো অক্ষত রাখা হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে এ তথ্য জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তিনি বলেন, তেল স্থাপনাগুলোতে ‘ভদ্রতার কারণে’ আঘাত করা হয়নি। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি নিয়ে হুমকি জারি রাখে, তবে সেগুলোও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল রপ্তানি হয়। এজন্য এ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: আল জাজিরা

১৭: ৫৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় ৪৩,০০০ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত: ইরান

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় ৪৩,০০০ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত: ইরান
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় তেহরানে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবন। ছবি: রয়টার্স

ইরানি সরকারের মুখপাত্র ফাতেমা মোহজেরানি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের প্রায় ৪৩,০০০ বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬,৫০০টি ছিল আবাসিক স্থাপনা।

মুখপাত্র জানান, এই হামলায় শুধু তেহরানেই প্রায় ১০,০০০ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ৪৩টি জরুরি সেবা কেন্দ্র, ৩২টি অ্যাম্বুলেন্স এবং ১২০টি স্কুলও হামলার শিকার হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এসব হামলায় অন্তত ২২৩ জন নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহতের সংখ্যা ২০৬ জনে পৌঁছেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

১৭: ১১

খার্গ দ্বীপে তেল রপ্তানি অব্যাহত রয়েছে: ইরানি কর্মকর্তা

ইরানের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে চলমান এবং দ্বীপে তেল কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম বিঘ্ন ছাড়াই অব্যাহত আছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা ও আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। এ ঘোষণা আসে এমন এক সময় যখন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা দ্বীপের সামরিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে। এছাড়া সতর্ক করেছে যে, ইরান যদি হরমুজ প্রণালি অবরোধ অব্যাহত রাখে, তবে গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনাগুলোও হামলার লক্ষ্য হতে পারে।

খার্গ দ্বীপ ইরানের ৯০ শতাংশেরও বেশি তেল রপ্তানির মূল কেন্দ্র, তাই এর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: আল জাজিরা

১৬: ৪৯

হরমুজ প্রণালি বন্ধের আগেই ইরান আত্মসমর্পণ করবে ভেবেছিলেন ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি বন্ধের আগেই ইরান আত্মসমর্পণ করবে ভেবেছিলেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রম্প। ছবি: সংগৃহীত

রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেছিলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই ইরান আত্মসমর্পণ করবে।

মার্কিন দৈনিক দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে পরিস্থিতি ওই পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই ইরান নতি স্বীকার করবে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনীর প্রধান জেনারেল ড্যান কেইন ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর হামলা চালায়, তাহলে হরমুজ প্রণালি অবরোধের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

১৬: ৩৬

লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি আলোচনা আয়োজন করতে প্রস্তুত ফ্রান্স

লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি আলোচনা আয়োজন করতে প্রস্তুত ফ্রান্স
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। ছবি: সংগৃহীত

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা আয়োজন করতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় মাখোঁ বলেন, শুক্রবার তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদের স্পিকারের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের মতে, ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি ইসরায়েলকে বড় ধরনের সামরিক অভিযান ও চলমান হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকেও সংঘাতের ‘বেপরোয়া উত্তেজনা বৃদ্ধি’ বন্ধ করতে বলেন।

মাখোঁ বলেন, ‘ইসরায়েলের উচিত এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আলোচনা শুরু করা এবং যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো। একইসঙ্গে একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা এবং লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশটির কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া।’

সূত্র: আল জাজিরা

১৬: ১১

আমিরাতের বাসিন্দাদের মার্কিন স্থাপনা এলাকা থেকে সরে যেতে বললো ইরান

আমিরাতের বাসিন্দাদের মার্কিন স্থাপনা এলাকা থেকে সরে যেতে বললো ইরান
ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও অবস্থানগুলো এখন ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থার মাধ্যমে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানায়, তারা নিজেদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষার অধিকার রাখে। সেই অধিকার প্রয়োগ করে আমিরাতের বিভিন্ন শহরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যদের আশ্রয়স্থল, নৌবন্দর ও জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার উৎস হিসেবে বিবেচিত এসব স্থানে আঘাত হানাকে তারা বৈধ প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তারা যেন নৌবন্দর, জেটি ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনার আশপাশের এলাকা থেকে দূরে সরে যায়।

সূত্র: আল জাজিরা

১৬: ১১

যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না: মধ্যপ্রাচ্যকে ইরান

ইরানের সেনাবাহিনীর শীর্ষ মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবল ফজল শেখারচি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক কঠোর বিবৃতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘পুতুল শক্তি’ আখ্যা দিয়ে তাদের ওপর ভরসা না করার সতর্কবার্তা দেন।

শেখারচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম নয় এবং তাদের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।

তিনি দাবি করেন, চলমান যুদ্ধে ইরানের অবকাঠামো ও বস্তুগত ক্ষতি হলেও সেগুলো আবার পুনর্গঠন করা সম্ভব।

তবে তার মতে, ‘যে জিনিসটি পুনর্গঠন করা যাবে না, সেটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের সুনাম।’

এই সংঘাতে ইরান সামরিকভাবে কিছু সাফল্য অর্জন করেছে বলে দাবি করেন শেখারচি, তবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা সেই দাবিগুলো অস্বীকার করেছেন।

সূত্র: আল জাজিরা