
সিটিজেন ডেস্ক

মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ অলআউট হলো মাত্র ১১৪ রানে। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ৩২ ওভারে ২৪৩ রান করতে হতো বাংলাদেশকে। তবে ১১৪ তে অলআউট হয়ে ১২৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানও ১১৪ রান করেছিল। তবে আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তান করে ২৭৪ রান। পরে অবশ্য ডিএল মেথডে লক্ষ্য কমে বাংলাদেশের।
পাকিস্তানের হয়ে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই আলো ছড়িয়েছেন সাদাকাত। মাত্র ৪৬ বলে ৭৫ রান করার পর ৩ উইকেট নিয়ে তিনিই হন ম্যাচসেরা। আবরারের জায়গায় সুযোগ পাওয়া পেসার হারিস রউফ নেন ৩ উইকেট।
বৃষ্টি হানা দেওয়ার আগে ৬.৩ ওভারে ২৭ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। খেলা শুরুর পর বাকি ২৫.৩ ওভারে লিটন-হৃদয়দের ২১৬ রান করতে হতো। তবে লিটন দাস ৪১ রান করে ফেরার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ইনিংস। ২৮ রান করেন তাওহীদ হৃদয়।
বাংলাদেশ শেষ ৪১ রানে হারিয়েছে ৭ উইকেট। সিরিজে প্রথম ম্যাচে জিতেছিল বাংলাদেশ। ফলে সিরিজে এখন সমতা। অর্থাৎ রবিবার (১৫ মার্চ) তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটিতে জয়ী দলই জিতবে সিরিজ।
হারিস রউফের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়লেন হৃদয়। রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি; বল-ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায় বলটি সরাসরি লেগ স্টাম্পে আঘাত করত। ২৮ রান করেছেন হৃদয়।
এরপর মোস্তাফিজ ৪ রান করে আউট হন হারিস রউফের বলেই।
বাংলাদেশের হার এখন সময়ের অপেক্ষা।
স্কোরবোর্ডে ১০০ রান ওঠার আগেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ। ১৭তম ওভারে মাজ সাদাকাতের বলে সালমানকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন আফিফ হোসেন (১৫ বলে ১৪ রান)।
এরপর মাঠে নামা মিরাজ টিকলেন মাত্র ৫ বল। ইনিংসের আঠারোতম ওভারের দ্বিতীয় বলে ক্যাচ দিয়েছেন ওয়াসিমের বলে (১ রান)।
দলীয় ১০০ রান পার হওয়ার পর আউট হয়েছেন রিশাদ হোসেন। তিনি করেন ২ রান। ১০১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হারের মুখে বাংলাদেশ।

সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন লিটন। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিভিউ নিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদি এবং শেষ পর্যন্ত তা সফল হলো। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি তরুণ সাদাকাতের প্রথম উইকেট।
লিটন ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৩৩ বলে ৪১ রান করেন। লিটন ফেরাতে চতুর্থ উইকেটে ৫৮ রানের জুটি ভাঙলো।
৬.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ২৭ রান তোলার পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়। প্রায় ১৩৩ মিনিট বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ থাকে। এরপর ডিএল মেথডে খেলা শুরু হলে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩ ওভারে ২৪৩ রান।
১০ ওভার শেষে বাংলাদেশ করেছে ৩ উইকেটে ৬০ রান। ফলে জয়ের জন্য ২২ ওভারে ১৮৩ রান করতে হবে বাংলাদেশকে।
দশম ওভারের তৃতীয় বলে হারিস রউফকে ছক্কা হাঁকিয়ে দলীয় ফিফটি পূর্ণ করেন লিটন। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন তাওহীদ হৃদয়।
বৃষ্টি শেষে মিরপুরে আবারও শুরু হয়েছে খেলা। ডিএল মেথডে বাংলাদেশের টার্গেটে এসেছে পরিবর্তন। ওভারও কমেছে। তাই নতুন প্লেয়িং কন্ডিশনে খেলছে দুই দল।
২ জন বোলার সর্বোচ্চ ৭ ওভার করে বল করতে পারবেন। ৩ জন বোলার সর্বোচ্চ ৬ ওভার করে বল করতে পারবেন।
পাওয়ারপ্লে ১: ১ থেকে ৭ ওভার। পাওয়ারপ্লে ২: ৮ থেকে ২৬ ওভার এবং পাওয়ারপ্লে ৩: ২৭ থেকে ৩২ ওভার।
বৃষ্টির পর ৯ টা ৩৫ মিনিটে খেলা শুরু হবে। ম্যাচ হবে ৩২ ওভারে। বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৪৩ রান।
৬ ওভার ৩ বলে ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। লক্ষ্যটা তাই এখন আরও কঠিন।

বল হাতে দাপট দেখাচ্ছিলো পাকিস্তান। দলীয় ১৫ রান তুলতেই বাংলাদেশ হারিয়েছিল ৩ উইকেট। বাংলাদেশের ইনিংসে ৬ ওভার ৩ বল হওয়ার পর মিরপুরে শুরু হয় বজ্রপাত, এরপর নামে বৃষ্টিও।
আপাতত বন্ধ আছে খেলা। বাংলাদেশের স্কোর ৬.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ২৭ রান। লিটন ১৩ ও তাওহীদ হৃদয় ০ রানে অপরাজিত আছেন।
এর আগে পাকিস্তান আগে ব্যাট করে ২৭৪ রানে অলআউট হয়। সিরিজে প্রথম ম্যাচ জিতে এইয়ে আছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। দলীয় ১৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। তানজিদের পর ফিরলেন সাইফও। আফ্রিদির করা তৃতীয় ওভারের শেষ বলে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছিলেন ১ রান করা তানজিদ।
এরপর মোহাম্মদ ওয়াসিমের করা পরের ওভারের প্রথম বলেই শর্ট মিড অফে ক্যাচ দেন আরেক ওপেনার সাইফ। ১২ রান করেছেন সাইফ।
এরপর আফ্রিদির স্টাম্প বরাবর বলে লাইন মিস করলেন নাজমুল। এরপর যা হওয়ার তাই হয়েছে...বোল্ড!
ক্রিজে আছেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়।
২৭৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে তৃতীয় ওভারে এসে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শাহিন শাহ আফ্রিদির করা ওভারের ষষ্ঠ বলে ওয়াসিমের হাতে ক্যাচ দেন তানজিদ। ৭ বলে ১ রান করেন তিনি।
এরপর মোহাম্মদ ওয়াসিমের করা পরের ওভারের প্রথম বলেই শর্ট মিড অফে ক্যাচ দেন আরেক ওপেনার সাইফ। ১২ রান করেছেন সাইফ।

সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল পাকিস্তান। তবে শুক্রবার (১৩ মার্চ) সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে আগে ব্যাট করেও লড়াই করার পুঁজি পেলো পাকিস্তান। ৪৭.৩ ওভারে ২৭৪ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান।
শেষ ৪৩ রানে দলটি হারিয়েছে ৭ উইকেট। চতুর্থ উইকেটে সালমান ও রিজওয়ানের ১০৯ রানের জুটিতে ৩ উইকেটে ২৩১ রান তুলেছিল পাকিস্তান। বিতর্কিত রানআউটে ৬৪ রানে ফেরেন সালমান। এরপর ধসে পড়ে পাকিস্তানের ইনিংস।
পাকিস্তানের ২৭৪ রানের পেছনে ওপেনিং জুটিরও বড় অবদান আছে। এই জুটি থেকে আসে ১০৩ রান।
৫ চারে ৪৪ রান করেন রিজওয়ান। মাজ সাদাকাত ৪৬ বলে খেলেন ৭৫ রানের ইনিংস। তার ইনিংসে ছিল ৬ চার ও ৫ ছক্কা।
৫৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন রিশাদ হোসেন। এছাড়া মিরাজ নেন ২ উইকেট।
ইনিংসের ৪৩তম ওভারে এসে আবারও জোড়া উইকেটের পতন হয়েছে। রিশাদ হোসেনের করা ওভারটির প্রথম বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন হুসেইন তালাত। তিনি করেন ১৩ বলে ৯ রান।
আর তৃতীয় বলে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হন আব্দুল সামাদ। তিনি করেন ৭ বলে ১১ রান। ৪৩ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ২৫৯ রান করেছে পাকিস্তান।
তিন বলের মধ্যে ২ উইকেট হারালো পাকিস্তান। ইনিংসের ৩৯তম ওভারে বল করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ওভারের চতুর্থ বলে রিজওয়ানের খেলা শট যায় বোলার মিরাজের দিকে। বোলার মিরাজ সেটি পা দিয়ে আটকান। এসময় অপর প্রান্তে থাকা ব্যাটসম্যান সালমান ক্রিজের বাইরে ছিলেন। বলটি তাদের দুজনের পায়ের কাছেই ছিল। সালমান সেটি মিরাজের হাতে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
তবে সালমান বল ধরার আগেই মিরাজ সেটি স্টাম্পে মারেন। আম্পায়ার থার্ড আম্পায়ারের কাছে গেলে দেখা যায় সালমান ক্রিজের বাইরে ছিলেন। মানে তিনি আউট!
এরপর ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ রিজওয়ান রিশাদ হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।
সালমান ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৬২ বলে ৬৪ রান করেন। রিজওয়ান ৫ চারে ৫৯ বলে ৪৪ রান করেন।
৪০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৩৫ রান তোলে পাকিস্তান। শেষ ১০ ওভারে কত রান হবে সেটি দেখার।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারে নবম ফিফটি পেলেন সালমান আগা। টানা উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া পাকিস্তানকে ভালো সংগ্রহের পথে নিয়ে যাচ্ছেন সালমান। ফিফটি করেছেন ৫০ বলে।
তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। তিনি অপরাজিত ৩৮ রানে।
পাকিস্তান ৩৭ ওভারে করেছে ৩ উইকেটে ২১১ রান।
সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের ইনিংস ২০০ রান পার করেছে। ৩৪তম ওভারে এসে ২০০ রান ছুঁয়েছে পাকিস্তানের ইনিংস।
৩৪ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ২০২ রান তুলেছে পাকিস্তান। রিজওয়ান ও সালামানের জুটিও এগিয়ে যাচ্ছে।
দলীয় ১২২ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। তবে এরপর অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগার ব্যাটে ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানের ইনিংস।
২৯ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১৬৩ রান করেছে পাকিস্তান। বাকি ২১ ওভারে কত দূর এগোবে পাকিস্তান সেটি দেখার।
উইকেট থেকে টার্ন পাচ্ছেন রিশাদ।
প্রথম ম্যাচে দূর্দান্ত খেললেও পাওয়ার প্লেতে ভালো করতে পারেননি নাহিদ রানা। তবে এবার বোলিংয়ে ফিরেই উইকেট পেলেন গতিময় এই পেসার।
নাহিদের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে পুল করতে চেয়েছিলেন শামিল হুসাইন। তবে ঠিকঠাক বলের লাইনে যেতে পারেননি তিনি। ডিপ থার্ড ম্যানে ক্যাচ নেন মুস্তাফিজুর রহমান। ২২ বলে ৬ রান করে ফেরেন শামিল।
২০ ওভারে পাকিস্তানের রান ৩ উইকেটে ১২৩।
পাকিস্তান: ১৮ ওভারে ২ উইকেটে ১২১
এবার তাসকিনের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরলের সাহিবজাদা ফারহান।
ওয়ানডে অভিষেকে গত পরশু করেছিলেন ২৭ রান। আজ ৪৬ বলে করেছেন ৩১ রান। ফারহানের ইনিংসটি থেমেছে তাসকিনের বলে থার্ড ম্যানে ক্যাচ তুলে দিয়ে।

পাকিস্তান ১ উইকেট হারিয়ে ১৩ ওভারে ১০৪।
১৩তম ওভারের শেষ বলে স্কুপ করতে গিয়ে উইকেটকিপার লিটনকে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরলেন সাদাকাত। ৪৬ বলে ৭৫ রানের দারুণ এক ইনিংস খেললেন তিনি।
ফারহান ৩৪ বলে ২২ রানে অপরাজিত।
৭৫ বলে পাকিস্তান ১০০ রান করেছে।
মাজ সাদাকাতের আত্মবিশ্বাসী ব্যাটে পাকিস্তান পেয়েছে ৭৫ রান।
ফারহান উইকেট ঠেকিয়ে সাদাকাতকে সঙ্গ দিলেও ৩৩ বলে তুলে নিয়েছেন ২১ রান।
বাংলাদেশের পেসারদের এলোমেলো বোলিংয়ের সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাচ্ছেন মাজ সাদাকাত। রিভিউ ব্যর্থ হওয়ার পর যেনো নতুন জীবন পেয়েছেন তিনি। হয়ে উঠেছেন আরও আগ্রাসী। আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে তিনি ৩১ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন।
নাহিদ রানার বলে বাউন্ডারিতে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন সাদাকাত। পরের বল মারেন ছক্কা।
১১ ওভারে পাকিস্তানের রান বিনা উইকেটে ৯৩।

ঢাকার মাটিতে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টাইগারদের হাতে ভালোভাবেই কুপোকাত হয় পাকিস্তান। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষায় পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
তবে দ্বিতীয় ম্যাচে বিনা উইকেটেই অর্ধশতক হাকিয়েছে পাকিস্তান। মাজ সাদাকাত ও সাহিবজাদা ফারহানের ওপেনিং জুটি ৮ ওভারে তুলে নিয়েছে ৫৮ রান।
আজ (শুক্রবার) দুপুর সোয়া ২টায় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয়েছে।
এই ম্যাচে আগের একাদশ নিয়েই খেলছে বাংলাদেশ। তবে পাকিস্তান একাদশে পরিবর্তন এনেছে। স্পিনার আবরার আহমেদের জায়গায় পেসার হারিস রউফকে খেলাচ্ছে তারা।
এই ম্যাচ জিতলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করবে বাংলাদেশ। এতে করে সিরিজ জয়ের সঙ্গে র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হবে টাইগারদের। ৯ নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্টের ব্যবধান এখন স্রেফ ১ পয়েন্টের।
আজ জিতলে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট হবে ৭৯, উঠে যাবে ৯ নম্বরে। আর ৩-০ ব্যবধানে জিতলে হবে ৮১। র্যাঙ্কিংয়ের ৮ নম্বরে থাকা ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৮৮।
এর আগে গত বুধবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে ২০৯ বল হাতে রেখেই জিতেছিল মিরাজের দল। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে আজ জিতলেও সিরিজ জিতে যাবে স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশ একাদশে রয়েছেন: তানজীদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, তাওহীদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক) রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।
পাকিস্তান একাদশে রয়েছেন: সাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, সামিল হুসাইন, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সালমান আলী আঘা, হুসাইন তালাত, আবুদল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), মোহাম্মদ ওয়াসিম, হারিস রউফ।