শিরোনাম

লেবাননের সঙ্গে আলোচনা থেকে কী চায় ইসরায়েল

সিটিজেন ডেস্ক
লেবাননের সঙ্গে আলোচনা থেকে কী চায় ইসরায়েল
দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর পর ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে লেবানন। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর পর লেবাননের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করে একটি 'পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি'র আশা প্রকাশ করেছে।

এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, লেবাননের কাছে কী চায় ইসরায়েল?

বুধবার (১৫ এপ্রিল) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবননের কাছে ইসরায়েল শুধু একটাই জিনিস চায়, আর তা হলো হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ।

তারা চায় লেবাননের সরকার ও সেনাবাহিনী এই দায়িত্ব নিক। লেবাননে হামলার শুরু থেকেই ইসরায়েল এই দাবি জানিয়ে আসছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে লেবাননে বোমাবর্ষণ করে কিংবা দক্ষিণ লেবাননে আরও সৈন্য পাঠিয়ে তারা হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে পারবে না। ইসরায়েল জানিয়েছে, এর জন্য পুরো দেশ জয় ও দখল করতে হবে, যা অসম্ভব।

এজন্য গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তারা লেবানন সরকারকে এই দায়িত্ব নিতে চাপ সৃষ্টি করছে। সেইসঙ্গে হুমকি দিয়ে আসছে যে, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণে লেবানন সরকার ব্যর্থ হলে তাদেরকে চরম মূল্য দিতে হবে।

ইসরায়েলের কাছে লেবানন সরকারের জনপ্রিয়তা বা সক্ষমতা বড় বিষয় নয়। তারা মূলত নিজেদের দেশের জনগণকে আশ্বস্ত করতে চায়, সরকার তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিচ্ছে।

হিজবুল্লাহর ছোড়া রকেটে উত্তর ইসরায়েলের জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে। অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননের গভীরে অগ্রসর হতে থাকা ইসরায়েলি সেনাদেরও একটি ব্যয়বহুল লড়াইয়ের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। সেখানে হিজবুল্লাহর শক্ত অবস্থান ইসরায়েলি সেনাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে।

ইতোমধ্যেই লেবাননে অভিযানে কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা নিহত ও আহত হয়েছেন। এই সমস্ত বিষয় ইসরায়েলি রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। লেবাননে ইসরায়েলি সেনাদের কৌশল নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।

সূত্র: আল জাজিরা

/জেএইচ/