
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের সাধারণ মানুষকে হরমুজ প্রণালির আশপাশের সব বন্দর এলাকা অবিলম্বে এড়িয়ে চলার সতর্কবার্তা দিয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, যেসব বন্দরে ইরানের নৌবাহিনী কার্যক্রম চালাচ্ছে, সেসব স্থানে বেসামরিক লোকজনের না যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানি ডকইয়ার্ড শ্রমিক, প্রশাসনিক কর্মী এবং বাণিজ্যিক জাহাজের ক্রুদের ইরানের নৌবাহিনীর জাহাজ ও সামরিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ‘খুব ভালো চলছে’ এবং এটি শিগগিরই শেষ হতে পারে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানে লক্ষ্যবস্তু করার মতো প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই।’ তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ক্ষতি করতে সক্ষম হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সময়সূচির অনেক আগেই এগিয়ে গেছি। মূল ছয় সপ্তাহের পরিকল্পনার মধ্যেই আমরা ধারণার চেয়েও বেশি ক্ষতি করেছি।’
তবে সমালোচকদের মতে, এই যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য বারবার পরিবর্তিত হয়েছে। একইসঙ্গে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, অনেক মার্কিন নাগরিক এই সংঘাতের বিরোধিতা করছেন।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা কুয়েত ও বাহরাইনে মোতায়েন করা মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, কুয়েতের আল-উদাইরি হেলিকপ্টার ঘাঁটি, মোহাম্মদ আল-আহমদ নৌঘাঁটি এবং আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, তারা বাহরাইনে মার্কিন সেনাদের ব্যবহৃত একটি নৌঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
ইরানের ক্রীড়া মন্ত্রী আহমদ দোনিয়ামালি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের নেতাদের নিহত হওয়ার ঘটনার পর দেশটি ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবে না।
তিনি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, ‘যেহেতু এই অপদার্থ সরকার আমাদের নেতা হত্যার জন্য সরাসরি দায়ী, তাই কোনো অবস্থাতেই আমরা বিশ্বকাপে অংশ নেব না।’
উল্লেখ্য, ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন, দেশটির এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘যতদিন প্রয়োজন ততদিন’ চলবে।
তিনি বলেন, এই অভিযান কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ছাড়া চালু থাকবে। সব লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রোমানিয়ার সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। এই বিষয়ের ওপর আলোচনা করতে দেশটির শীর্ষ প্রতিরক্ষা পরিষদ বৈঠক করেছে।
রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকুসোর ড্যান জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান, নজরদারি সরঞ্জাম এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা রোমানিয়ার সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ন্যাটোর শীর্ষ প্রতিরক্ষা পরিষদের এক বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের এই অনুরোধ অনুমোদন করা হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) পরবর্তী সময়ে দেশটির পার্লামেন্টে এটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে তারা ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা, নৌ ঘাঁটি ও রাডার সিস্টেমকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে সম্প্রচারিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আজ সকাল থেকে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সেনাবাহিনী ইসরায়েলের আমান নামে পরিচিত মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টরেট, মিলিটারি ইউনিট ৮২০০, গ্রিন পাইন রাডার এবং হাইফার সাবমেরিন সদর দফতরের নৌ ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, হামলা এখনও চলমান।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইরানের উপর থেকে ‘যুদ্ধের ছায়া’ না সরানো পর্যন্ত তারা লড়াই চালিয়ে যাবে।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচা মাধ্যম আইআরআইবি জানায়, তারা ইসরায়েলি এবং আমেরিকান লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। এটাকে যুদ্ধের শুরু থেকে সবচেয়ে তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এই হামলা তিন ঘণ্টা স্থায়ী ছিল এবং এতে ইসরায়েলের তেলআবিব, হাইফা এবং পশ্চিম জেরুজালেম এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ফেলা হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, তাদের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। এদিকে, সাংবাদিকরা জানিয়েছে, জেরুজালেমে আকাশ সতর্ক বার্তা (সাইরেন) বাজছে এবং দূর থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
আইআরআইবির মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরাকি কুর্দিস্তানের এরবিলে আমেরিকান স্থাপনা এবং বাহরাইনের মার্কিন পঞ্চম নৌ ফ্লিট ঘাঁটিও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধের পর ইরান প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।
সূত্র: আল আরাবিয়্যা, আল জাজিরা

ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিশ অঞ্চলে এক ড্রোন হামলায় ইরানের বিরোধী কুর্দিশ দলের একজন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ওই সংগঠন।
ইরানি কুর্দিস্তানের কোমালা পার্টি জানিয়েছে, বুধবার ইরাকের সুলাইমানিয়ার নিকটবর্তী জর্গওয়েজালা এলাকায় তাদের অবস্থান লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন হামলা চালানো হয়। পার্টি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, কমপক্ষে আটটি ড্রোন এতে অংশ নেয়। হামলায় একজন যোদ্ধা নিহত এবং দুইজন আহত হয়েছেন।
কোমালা দলের কর্মকর্তা আলি রাঞ্জদার হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন। ইরান এখনও এই ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
ঘটনাটি এমন সময় ঘটলো, যখন ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ চলছে এবং রিপোর্ট রয়েছে যে ওয়াশিংটন কুর্দিশ যোদ্ধাদের ইরানের বিরুদ্ধে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ইরান এর আগেও পশ্চিমা বা ইসরায়েলি স্বর্থের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ইরাকের কুর্দিশ সশস্ত্র দলগুলোর ওপর হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে নিহত শীর্ষ সামরিক কমাণ্ডার ও বিজ্ঞানীদের জনানাজা ও রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের সড়কগুলোতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছে।
ইরানের রাজধানীতে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়।
অনেকে কালো পোশাক পরিহিত অবস্থায় শোকর্যালি, ফুল ও পতাকা নিয়ে শামে-রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে নীরবে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা তীব্র হওয়ার পর শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে ইরানি রাষ্ট্রীয় ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী পশ্চিম ও পূর্ব তেহরানের কিছু এলাকায় বোমা হামলার খবর পাওয়া গেছে এবং আকাশে জেট বিমান উড়ন্ত অবস্থায় দেখা গেছে।
এই হামলার আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী একইসঙ্গে তেহরান ও লেবাননের বিভিন্ন শহরে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছি বলে জানায়।
সূত্র: আল জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ করতে হবে, নইলে তা পুরো অঞ্চলকে আগুনে পুড়িয়ে দিতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
বুধবার (১১ মার্চ) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এই যুদ্ধ আরও বড় আকার নেওয়ার আগে এবং পুরো অঞ্চলকে আগুনে গ্রাস করার আগে এটি অবশ্যই থামাতে হবে।’
এরদোয়ান সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ চলতে থাকলে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি আরও বাড়বে। একইসঙ্গে এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতির ওপর আরও বেশি পড়বে।
সূত্র: আল জাজিরা
লেবাননে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৭০ জন নিহত এবং ১,৪৪৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল একদিনেই ৮৪ জন নিহত এবং আরও ১৩১ জন আহত হয়েছেন।
ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘাতের জেরে লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হামলা অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।
সূত্র: গালফ নিউজ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুদ্ধকালীন চোটে আহত হয়েছেন। তবে বর্তমানে ‘নিরাপদ ও সুস্থ’ আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের ছেলে ও সরকারের উপদেষ্টা ইউসেফ পেজেশকিয়ান।
বুধবার (১১ মার্চ) নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক পোস্টে ইউসেফ পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমি খবর পেয়েছিলাম যে মোজতবা খামেনি আহত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে জানিয়েছেন, আল্লাহর রহমতে তিনি নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।’
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনিকে ‘রমজান যুদ্ধের আহত যোদ্ধা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তবে তার আঘাতের ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোজতবা খামেনি। এর পর থেকে তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তার স্বাস্থ্য ও অবস্থান নিয়ে নানা গুঞ্জনের মধ্যেই এই খবর এল।
এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনজন ইরানি ও দুজন ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রথম দিনই মোজতবা খামেনি আহত হয়েছিলেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম এলাকার দক্ষিণে ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে নতুন করে রকেট হামলা চালিয়েছে।
গোষ্ঠীটি বলেছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওই এলাকায় অবস্থান করা ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে তারা বারবার হামলা চালিয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘর্ষ বাড়ার মধ্যেই এসব হামলার দাবি করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খিয়ামকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলি বাহিনীর অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা ও বিমান হামলার খবরও পাওয়া গেছে, যার ফলে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ তীব্র হয়েছে এবং সীমান্ত অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মোকাবিলায় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে সক্রিয় রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আকাশে যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে তা মূলত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার ফল।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান প্রতিরোধ কার্যক্রমের সময় সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলতে এবং সরকারি সূত্র থেকে তথ্য নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে চলমান সংঘাতের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলেও হামলার পরিধি বাড়ছে, যার ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ নিয়মিতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করছে।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত তীব্র হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল খাতকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে– এমন আশঙ্কার মধ্যে দেশটির কর্মকর্তারা যুদ্ধের অর্থনৈতিক ক্ষতি কীভাবে পূরণ করা যায় তা নিয়ে ভাবছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। খবর আল জাজিরার।
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্ল্ড স্টাডিজ অনুষদের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফুয়াদ ইজাদি আল জাজিরাকে বলেন, ইরানের অনেকেই আশঙ্কা করছেন যে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলের অংশ হিসেবে দেশটির তেল অবকাঠামোর ওপর হামলা চালাতে পারে।
তিনি বলেন, ইরানি নেতারা মনে করেন, যুদ্ধের ফলে ইরানের যে ক্ষতি হচ্ছে তার প্রতিটি পয়সা শেষ পর্যন্ত দায়ীদের কাছ থেকেই আদায় করা উচিত।
ইজাদি জানান, ইরানে কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে একটি হলো– যুদ্ধের ক্ষতি পূরণে একটি আঞ্চলিক পুনর্গঠন তহবিল গঠন করা, যেখানে এই ক্ষতির জন্য দায়ী দেশগুলোকে অর্থ দিতে হবে।
আরেকটি ধারণা হচ্ছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেসব জাহাজ চলাচল করে তাদের ওপর কর আরোপ করা।
তার ভাষায়, ‘ইরান অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আর অন্যরা স্বাভাবিকভাবে সুবিধা ভোগ করবে– এ ধারণা আর গ্রহণযোগ্য নয়।’

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) উত্তর উপকূলে হামলায় একটি কন্টেইনারবাহী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)।
বুধবার (১১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে ইউকেএমটিও জানায়, ‘সন্দেহজনক তবে অজ্ঞাত একটি বস্তুর’ আঘাতে এ ঘটনা ঘটেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখছেন জাহাজের কর্মীরা।
ইউকেএমটিও আরও জানিয়েছে, জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমাহর উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। জাহাজের সব ক্রু নিরাপদ রয়েছেন।
সূত্র: সিএনএন