শিরোনাম
সরাসরি

লেবাননে ‘হলুদ রেখা’ টানার দাবি ইসরায়েলের

১৯: ৩৪

লেবাননে ‘হলুদ রেখা’ টানার দাবি ইসরায়েলের

লেবাননে ‘হলুদ রেখা’ টানার দাবি ইসরায়েলের
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার মতোই লেবাননেও ‘হলুদ রেখা’ স্থাপন করেছে। ছবি: আল জাজিরা

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে তারা একটি ‘হলুদ রেখা’ নির্ধারণ করেছে, যা কার্যত একটি বিভাজনরেখা হিসেবে কাজ করছে। তাদের দাবি, এই ব্যবস্থা গাজা উপত্যকাতে আগে থেকেই ব্যবহৃত অনুরূপ কাঠামোর আদলে গড়ে তোলা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহভাজন হিজবুল্লাহ সদস্যরা তাদের অবস্থানের দিকে অগ্রসর হলে ইতোমধ্যেই তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ‘হলুদ রেখা’র দক্ষিণে অবস্থানরত বাহিনী এমন কিছু ব্যক্তিকে শনাক্ত করে, যারা উত্তর দিক থেকে এগিয়ে এসে যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করছিল। পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর ওই হুমকি মোকাবিলায় দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানো হয়।

সেনাবাহিনী আরও উল্লেখ করেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও প্রয়োজনে হুমকি প্রতিরোধে তারা পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা বজায় রেখেছে।

উল্লেখ্য, ১০ অক্টোবর গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর অঞ্চলটি একটি অলিখিত ‘হলুদ রেখা’ দ্বারা কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত রয়েছে। এক অংশ ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রণে এবং অন্য অংশ হামাসের নিয়ন্ত্রণে।

সূত্র: আল জাজিরা

১৯: ১৯

‘বিশ্ব এমন নেতার অধীনে থাকতে পারে না যিনি হুমকি দেন’

‘বিশ্ব এমন নেতার অধীনে থাকতে পারে না যিনি হুমকি দেন’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (বামে) এবং ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা (ডানে)। ছবি: আল জাজিরা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত থামাতে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের প্রতি তাদের নীতি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে তিনি পরোক্ষভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানকে লক্ষ্য করে তার হুমকিমূলক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে লুলা বলেন, এ ধরনের আচরণ বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগজনক।

তিনি বলেন, বিশ্ব এমন একজনের অধীনে থাকতে পারে না যিনি প্রতিনিয়ত সবাইকে হুমকি দেন।

বার্সেলোনায় প্রগতিশীল নেতাদের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এমন একজন রাষ্ট্রপতির হুমকিমূলক বার্তার মুখোমুখি হতে পারি না, যিনি বিশ্বকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেন।’

তার এই মন্তব্যকে অনেকেই বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বড় শক্তিগুলোর দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান হিসেবে দেখছেন।

সূত্র: আল জাজিরা

১৮: ৪৩

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় ফরাসি শান্তিরক্ষী নিহত

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় ফরাসি শান্তিরক্ষী নিহত
লেবাননের ক্লায়ায় একজন লেবানিজ সৈন্যের পাশে একটি ইউনিফিল যান দেখা যাচ্ছে। ছবি: আল জাজিরা

লেবাননে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের ওপর হামলায় এক ফরাসি শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনার পর শনিবার (১৭ এপ্রিল) ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহর দিকেই এই হামলার দায়ের ইঙ্গিত মিলছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে লেবানন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলের চালানো বিমান হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

অন্যদিকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন (ইউনিফিল)-এর ফরাসি ইউনিটের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম। তিনি এই ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

১৮: ২৫

প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ইরানের সর্বোচ্চ নেতার
মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছেন। শনিবার (১৭ এপ্রিল) সেনা দিবস উপলক্ষে এক বার্তায় তিনি এই অঙ্গীকারের কথা ঘোষণা করেন। তিনি ‘অবিশ্বাস ও ঔদ্ধত্যের অগ্রভাগে থাকা’ দুই শক্তির বিরুদ্ধে ইরানের অবস্থান দৃঢ় থাকবে বলে জানান।

টেলিগ্রামে পাঠানো এক বার্তায় খামেনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক বাহিনী বিশ্বের সামনে শত্রুদের দুর্বলতা ও অপমান উন্মোচন করেছে। তিনি বলেন, দেশের ড্রোন সক্ষমতা আমেরিকান ও জায়নবাদী অপরাধীদের ওপর বিদ্যুতের মতো আঘাত হানছে।

এছাড়া ইরানি নৌবাহিনীর প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরে তিনি সতর্ক করেন, বাহিনীটি শত্রুপক্ষকে নতুন করে পরাজয়ের স্বাদ দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

সাম্প্রতিক সংঘাতকে তিনি ইরানের বিপ্লবী ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লব সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির যোগসূত্র টানেন। তার ভাষায়, বিপ্লব-পরবর্তী সময় থেকে সেনাবাহিনী ‘নিজেদের সঠিক অবস্থানে অবিচল রয়েছে’ এবং এটি ‘জাতির সন্তান’ হিসেবে জনগণের ভেতর থেকেই শক্তি পায়।

বার্তায় তিনি তার পূর্বসূরি ও পিতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাকে এমন একজন নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন, যিনি বিপ্লব পরবর্তী প্রথম দশক থেকেই সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর দিনে পিতার মৃত্যুর পর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে খুব কমই দেখা গেছে।

বার্তার শেষে তিনি মহান ইরান জাতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসনের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সূত্র: আল জাজিরা

১৭: ৪২

হরমুজে ট্যাংকার লক্ষ্য করে আইআরজিসির গুলি

হরমুজে ট্যাংকার লক্ষ্য করে আইআরজিসির গুলি
হরমুজ প্রণালীর কাছে পারস্য উপসাগরে একটি সশস্ত্র স্পিড বোটে ইরানি নৌবাহিনীর সৈন্যরা। ছবি: আল জাজিরা

যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রম (ইউকেএমটিও) সংস্থা জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের দুটি গানবোট থেকে একটি তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর খবর পেয়েছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নতুন করে উত্তেজনা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সংস্থাটির পরামর্শ নোটে ইউকেএমটিও আরও জানায়, ট্যাংকারটির ক্যাপ্টেনের ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট গানবোটগুলো কোনো ধরনের রেডিও বার্তা বা সতর্কতা ছাড়াই হঠাৎ গুলি ছোড়া শুরু করে।

তবে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হয়নি এবং নাবিকদের সবাই নিরাপদ আছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঘটনার পর পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।