সাংবিধানিকভাবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সাংবিধানিকভাবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গণভোটের রায় হিসেবে সংবিধানে ধারণ করতে হলে আগে সংবিধান সংশোধনী হতে হবে। সেটা সংসদে আলাপ আলোচনা হবে।


সংবিধান সংশোধনের জন্য সরকার আন্তরিক। সংবিধান সংশোধনে সবার অংশগ্রহণে খুব শিগগিরই একটি কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি।

বিতর্ক ও আলোচনার শেষ পর্যায়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান স্পিকারকে এই বিশেষ কমিটি গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন। এর আগে আলোচনার সূত্রপাত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এ বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

নাসিমুল গনি বলেন, গত অর্থ বছরের (২০২৪-২৫) সম্পূরক বাজেট সংক্রান্ত ‘নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) অধ্যাদেশ–২০২৫’ আইনে পরিণতের প্রস্তাবটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সচিব আরও জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট সংক্রান্ত ‘নির্দিষ্টকরণ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ আইনে পরিণত করার প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে।
গণভোটের রায় হিসেবে সংবিধানে ধারণ করতে হলে আগে সংবিধান সংশোধনী হতে হবে। সেটা সংসদে আলাপ আলোচনা হবে।

নিয়ম অনুযায়ী, এই নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর অধিবেশন মুলতবী ঘোষণা করা হবে। সেই সময়ে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি। তারা শপথ নেওয়ার পরই তাদের সভাপতিত্বে শুরু হবে পরবর্তী সংসদের কার্যক্রম।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) খিজির আহমেদ চৌধুরী ও মো. জিয়াউল হক-এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।










