তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় মাঝপথেই থেমে গেলো বাস

তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় মাঝপথেই থেমে গেলো বাস
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

সিলেট থেকে যাত্রী নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিল হানিফ পরিবহনের একটি বাস। এরপর তেল শেষ হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড এলাকায় বাসটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে গন্তব্যে যাওয়া নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বানুর বাজার এলাকায় বাসটির তেল শেষ হয়ে বন্ধ হয়ে পড়ে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেট থেকে রওনা দেয় বাসটি।
যাত্রীরা জানান, জ্বালানি তেল নিতে বাসটির চালকের সহকারী বালতি নিয়ে আশপাশের ফিলিং স্টেশনে ঘুরছেন। তবে এক ঘণ্টা পার হলেও বাসটির জন্য জ্বালানি তেলের কোনো ব্যবস্থা করা যায়নি।
বাসচালক ওসমান গনি গণমাধ্যমকে বলেন, সিলেট থেকে কক্সবাজার যেতে বাসে ১৬০ লিটার ডিজেল তেল লাগে। আমি যাত্রা শুরু করেছি ৭০ লিটার তেল দিয়ে। পথে অনেক ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার চেষ্টা করেছি। পথে কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সামান্য তেল পেয়েছি। বাকি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও তেল পাইনি। তাই বাসের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেছে।

সিলেট থেকে যাত্রী নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিল হানিফ পরিবহনের একটি বাস। এরপর তেল শেষ হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড এলাকায় বাসটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে গন্তব্যে যাওয়া নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বানুর বাজার এলাকায় বাসটির তেল শেষ হয়ে বন্ধ হয়ে পড়ে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেট থেকে রওনা দেয় বাসটি।
যাত্রীরা জানান, জ্বালানি তেল নিতে বাসটির চালকের সহকারী বালতি নিয়ে আশপাশের ফিলিং স্টেশনে ঘুরছেন। তবে এক ঘণ্টা পার হলেও বাসটির জন্য জ্বালানি তেলের কোনো ব্যবস্থা করা যায়নি।
বাসচালক ওসমান গনি গণমাধ্যমকে বলেন, সিলেট থেকে কক্সবাজার যেতে বাসে ১৬০ লিটার ডিজেল তেল লাগে। আমি যাত্রা শুরু করেছি ৭০ লিটার তেল দিয়ে। পথে অনেক ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার চেষ্টা করেছি। পথে কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সামান্য তেল পেয়েছি। বাকি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও তেল পাইনি। তাই বাসের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেছে।

তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় মাঝপথেই থেমে গেলো বাস
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

সিলেট থেকে যাত্রী নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিল হানিফ পরিবহনের একটি বাস। এরপর তেল শেষ হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড এলাকায় বাসটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে গন্তব্যে যাওয়া নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বানুর বাজার এলাকায় বাসটির তেল শেষ হয়ে বন্ধ হয়ে পড়ে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেট থেকে রওনা দেয় বাসটি।
যাত্রীরা জানান, জ্বালানি তেল নিতে বাসটির চালকের সহকারী বালতি নিয়ে আশপাশের ফিলিং স্টেশনে ঘুরছেন। তবে এক ঘণ্টা পার হলেও বাসটির জন্য জ্বালানি তেলের কোনো ব্যবস্থা করা যায়নি।
বাসচালক ওসমান গনি গণমাধ্যমকে বলেন, সিলেট থেকে কক্সবাজার যেতে বাসে ১৬০ লিটার ডিজেল তেল লাগে। আমি যাত্রা শুরু করেছি ৭০ লিটার তেল দিয়ে। পথে অনেক ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার চেষ্টা করেছি। পথে কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সামান্য তেল পেয়েছি। বাকি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও তেল পাইনি। তাই বাসের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেছে।




