আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যানের ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যানের ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের ব্যবহৃত ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে। তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৮ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের ব্যক্তিগত ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট কে বা কারা হ্যাক করেছে। এ অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে অপব্যবহার বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা রয়েছে।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছেও একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, বিচারপতি সম্ভবত অসাবধানতাবশত কোনো প্রতারণামূলক লিংকে ক্লিক করেছেন অথবা অননুমোদিত কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করেছিলেন, যার ফলে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
তিনি আরও বলেন, মোবাইল ফোনটি আপাতত নিরাপদ করা গেলেও ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, গত ১৭ মার্চ বিচারপতি গোলাম মর্তূজার মোবাইল ফোনে প্রথমে ত্রুটি দেখা দেয়। কিন্তু তখন বিষয়টি তিনি বুঝতে পারেননি। এর মধ্যেই তার ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাকারদের দখলে চলে যায়। পরে ২২ মার্চ তিনি বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহাকে জানান। এরপর জোহা বিচারপতির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণের সফটওয়্যার অপসারণ করেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের ব্যবহৃত ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে। তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৮ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের ব্যক্তিগত ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট কে বা কারা হ্যাক করেছে। এ অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে অপব্যবহার বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা রয়েছে।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছেও একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, বিচারপতি সম্ভবত অসাবধানতাবশত কোনো প্রতারণামূলক লিংকে ক্লিক করেছেন অথবা অননুমোদিত কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করেছিলেন, যার ফলে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
তিনি আরও বলেন, মোবাইল ফোনটি আপাতত নিরাপদ করা গেলেও ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, গত ১৭ মার্চ বিচারপতি গোলাম মর্তূজার মোবাইল ফোনে প্রথমে ত্রুটি দেখা দেয়। কিন্তু তখন বিষয়টি তিনি বুঝতে পারেননি। এর মধ্যেই তার ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাকারদের দখলে চলে যায়। পরে ২২ মার্চ তিনি বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহাকে জানান। এরপর জোহা বিচারপতির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণের সফটওয়্যার অপসারণ করেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যানের ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের ব্যবহৃত ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে। তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৮ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের ব্যক্তিগত ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট কে বা কারা হ্যাক করেছে। এ অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে অপব্যবহার বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা রয়েছে।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছেও একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, বিচারপতি সম্ভবত অসাবধানতাবশত কোনো প্রতারণামূলক লিংকে ক্লিক করেছেন অথবা অননুমোদিত কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করেছিলেন, যার ফলে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
তিনি আরও বলেন, মোবাইল ফোনটি আপাতত নিরাপদ করা গেলেও ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, গত ১৭ মার্চ বিচারপতি গোলাম মর্তূজার মোবাইল ফোনে প্রথমে ত্রুটি দেখা দেয়। কিন্তু তখন বিষয়টি তিনি বুঝতে পারেননি। এর মধ্যেই তার ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাকারদের দখলে চলে যায়। পরে ২২ মার্চ তিনি বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহাকে জানান। এরপর জোহা বিচারপতির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণের সফটওয়্যার অপসারণ করেন।




