ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে পাহাড়ে আশ্রয় নিচ্ছে বাস্তুচ্যুত পরিবার

ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে পাহাড়ে আশ্রয় নিচ্ছে বাস্তুচ্যুত পরিবার
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে দক্ষিণ লেবাননের বহু পরিবার এখন দেশটির পাহাড়ি অঞ্চলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। রাজধানী বৈরুত থেকে প্রায় এক ঘণ্টার দূরত্বে মাউন্ট লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
এসব আশ্রয়কেন্দ্রের একটি স্কুল এখন পরিণত হয়েছে বাস্তুচ্যুত মানুষের অস্থায়ী ঠিকানায়। যেখানে যা আগে শিশুদের কোলাহলে ভরপুর থাকতো। শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ সরিয়ে সেখানে বিছানা পাতা হয়েছে, আর খেলার মাঠ পড়ে আছে ফাঁকা।
দক্ষিণাঞ্চল থেকে পালিয়ে আসা অনেক পরিবারের মতো আয়মান মাল্লিও নিজের পাঁচ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি খুব কঠিন, কিন্তু বাঁচার জন্য আমাদের এখানে থাকতে হচ্ছে। পরিবারের দায়িত্ব তো নিতেই হবে।’
মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো জানাচ্ছে, এমন চিত্র এখন লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে। অনেক আশ্রয়কেন্দ্র ইতোমধ্যেই পূর্ণ হয়ে গেছে। ফলে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আসা বহু মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সহায়তা সংস্থা অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার জানিয়েছে, কাবর চামুনের একটি আশ্রয়কেন্দ্র পূর্ণ থাকায় অন্তত ৪০০ জনকে ফিরে যেতে হয়েছে। সংস্থাটি বর্তমানে দেশজুড়ে ২৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৩ হাজারের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষকে সহায়তা দিচ্ছে।
ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যে নিরাপদ আশ্রয় ও মানবিক সহায়তার সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে দক্ষিণ লেবাননের বহু পরিবার এখন দেশটির পাহাড়ি অঞ্চলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। রাজধানী বৈরুত থেকে প্রায় এক ঘণ্টার দূরত্বে মাউন্ট লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
এসব আশ্রয়কেন্দ্রের একটি স্কুল এখন পরিণত হয়েছে বাস্তুচ্যুত মানুষের অস্থায়ী ঠিকানায়। যেখানে যা আগে শিশুদের কোলাহলে ভরপুর থাকতো। শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ সরিয়ে সেখানে বিছানা পাতা হয়েছে, আর খেলার মাঠ পড়ে আছে ফাঁকা।
দক্ষিণাঞ্চল থেকে পালিয়ে আসা অনেক পরিবারের মতো আয়মান মাল্লিও নিজের পাঁচ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি খুব কঠিন, কিন্তু বাঁচার জন্য আমাদের এখানে থাকতে হচ্ছে। পরিবারের দায়িত্ব তো নিতেই হবে।’
মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো জানাচ্ছে, এমন চিত্র এখন লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে। অনেক আশ্রয়কেন্দ্র ইতোমধ্যেই পূর্ণ হয়ে গেছে। ফলে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আসা বহু মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সহায়তা সংস্থা অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার জানিয়েছে, কাবর চামুনের একটি আশ্রয়কেন্দ্র পূর্ণ থাকায় অন্তত ৪০০ জনকে ফিরে যেতে হয়েছে। সংস্থাটি বর্তমানে দেশজুড়ে ২৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৩ হাজারের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষকে সহায়তা দিচ্ছে।
ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যে নিরাপদ আশ্রয় ও মানবিক সহায়তার সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে পাহাড়ে আশ্রয় নিচ্ছে বাস্তুচ্যুত পরিবার
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে দক্ষিণ লেবাননের বহু পরিবার এখন দেশটির পাহাড়ি অঞ্চলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। রাজধানী বৈরুত থেকে প্রায় এক ঘণ্টার দূরত্বে মাউন্ট লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
এসব আশ্রয়কেন্দ্রের একটি স্কুল এখন পরিণত হয়েছে বাস্তুচ্যুত মানুষের অস্থায়ী ঠিকানায়। যেখানে যা আগে শিশুদের কোলাহলে ভরপুর থাকতো। শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ সরিয়ে সেখানে বিছানা পাতা হয়েছে, আর খেলার মাঠ পড়ে আছে ফাঁকা।
দক্ষিণাঞ্চল থেকে পালিয়ে আসা অনেক পরিবারের মতো আয়মান মাল্লিও নিজের পাঁচ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি খুব কঠিন, কিন্তু বাঁচার জন্য আমাদের এখানে থাকতে হচ্ছে। পরিবারের দায়িত্ব তো নিতেই হবে।’
মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো জানাচ্ছে, এমন চিত্র এখন লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে। অনেক আশ্রয়কেন্দ্র ইতোমধ্যেই পূর্ণ হয়ে গেছে। ফলে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আসা বহু মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সহায়তা সংস্থা অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার জানিয়েছে, কাবর চামুনের একটি আশ্রয়কেন্দ্র পূর্ণ থাকায় অন্তত ৪০০ জনকে ফিরে যেতে হয়েছে। সংস্থাটি বর্তমানে দেশজুড়ে ২৪৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৩ হাজারের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষকে সহায়তা দিচ্ছে।
ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যে নিরাপদ আশ্রয় ও মানবিক সহায়তার সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।




