গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে ১২ দফা প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে ১২ দফা প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় সুদের হার কমিয়ে এক অঙ্কে নামানো, বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দাবিসহ একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।
সোমবার (৬ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সংগঠনটির প্রশাসক আবদুর রহিম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল এসব লিখিত প্রস্তাব তুলে দেয়।
সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে শিল্প ও রপ্তানি খাতের বিভিন্ন সেক্টরের নেতারা অংশ নেন। এফবিসিসিআই জানায়, বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগ ও উৎপাদন ধরে রাখতে জরুরি নীতিগত সমর্থন প্রয়োজন।
বৈঠকে জানানো হয়, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, জ্বালানি ও কাঁচামালের উচ্চমূল্য এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে শিল্প খাতের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় রপ্তানিকারকরা চাপের মুখে পড়েছেন।
এ প্রেক্ষাপটে এফবিসিসিআই ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানায়। সংগঠনটি দাবি করে, অতীতে বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার হওয়ায় অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।
সুদের হার প্রসঙ্গে সংগঠনটি বলে, বিনিয়োগ ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে সুদের হার স্থিতিশীল রাখা জরুরি। একই সঙ্গে ধাপে ধাপে তা এক অঙ্কে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
ডলার সংকট মোকাবিলায় বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার ওপর জোর দেন ব্যবসায়ীরা। ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে ডলার অপব্যবহার ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যের মধ্যে সমন্বয় আনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, পুনঃতফশিলকরণ এবং প্রণোদনা প্যাকেজ কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। বিশেষ করে ঋণ পুনঃতফশিলের সময়সীমা ৩ মাস থেকে বাড়িয়ে ৬ মাস করার প্রস্তাব দেয় এফবিসিসিআই।
বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়ে সংগঠনটি বলে, সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বেশি থাকায় উৎপাদন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।
খেলাপি ঋণ কমাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অনিচ্ছাকৃত খেলাপিদের জন্য পুনর্বাসনমূলক নীতি সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়াতে প্রণোদনা অব্যাহত রাখা এবং বিদেশগামী শ্রমিকদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার সুপারিশ করে এফবিসিসিআই। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা সম্প্রসারণের দাবি জানানো হয়।
শিল্প খাতের ব্যাংকিং সমস্যার দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নরের নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাবও দেয় সংগঠনটি।
এছাড়া জ্বালানি ব্যয় কমাতে সোলার শক্তির মতো গ্রিন এনার্জিতে স্বল্প সুদের ঋণ, একক ঋণসীমা ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা এবং রপ্তানিমুখী খাতের জন্য ইডিএফ তহবিলের পরিসর বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে এফবিসিসিআই আশা প্রকাশ করে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হলে বর্তমান চ্যালেঞ্জের মধ্যেও অর্থনীতির গতি ধরে রাখা সম্ভব হবে।

দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় সুদের হার কমিয়ে এক অঙ্কে নামানো, বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দাবিসহ একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।
সোমবার (৬ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সংগঠনটির প্রশাসক আবদুর রহিম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল এসব লিখিত প্রস্তাব তুলে দেয়।
সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে শিল্প ও রপ্তানি খাতের বিভিন্ন সেক্টরের নেতারা অংশ নেন। এফবিসিসিআই জানায়, বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগ ও উৎপাদন ধরে রাখতে জরুরি নীতিগত সমর্থন প্রয়োজন।
বৈঠকে জানানো হয়, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, জ্বালানি ও কাঁচামালের উচ্চমূল্য এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে শিল্প খাতের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় রপ্তানিকারকরা চাপের মুখে পড়েছেন।
এ প্রেক্ষাপটে এফবিসিসিআই ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানায়। সংগঠনটি দাবি করে, অতীতে বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার হওয়ায় অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।
সুদের হার প্রসঙ্গে সংগঠনটি বলে, বিনিয়োগ ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে সুদের হার স্থিতিশীল রাখা জরুরি। একই সঙ্গে ধাপে ধাপে তা এক অঙ্কে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
ডলার সংকট মোকাবিলায় বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার ওপর জোর দেন ব্যবসায়ীরা। ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে ডলার অপব্যবহার ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যের মধ্যে সমন্বয় আনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, পুনঃতফশিলকরণ এবং প্রণোদনা প্যাকেজ কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। বিশেষ করে ঋণ পুনঃতফশিলের সময়সীমা ৩ মাস থেকে বাড়িয়ে ৬ মাস করার প্রস্তাব দেয় এফবিসিসিআই।
বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়ে সংগঠনটি বলে, সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বেশি থাকায় উৎপাদন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।
খেলাপি ঋণ কমাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অনিচ্ছাকৃত খেলাপিদের জন্য পুনর্বাসনমূলক নীতি সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়াতে প্রণোদনা অব্যাহত রাখা এবং বিদেশগামী শ্রমিকদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার সুপারিশ করে এফবিসিসিআই। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা সম্প্রসারণের দাবি জানানো হয়।
শিল্প খাতের ব্যাংকিং সমস্যার দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নরের নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাবও দেয় সংগঠনটি।
এছাড়া জ্বালানি ব্যয় কমাতে সোলার শক্তির মতো গ্রিন এনার্জিতে স্বল্প সুদের ঋণ, একক ঋণসীমা ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা এবং রপ্তানিমুখী খাতের জন্য ইডিএফ তহবিলের পরিসর বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে এফবিসিসিআই আশা প্রকাশ করে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হলে বর্তমান চ্যালেঞ্জের মধ্যেও অর্থনীতির গতি ধরে রাখা সম্ভব হবে।

গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে ১২ দফা প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় সুদের হার কমিয়ে এক অঙ্কে নামানো, বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দাবিসহ একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।
সোমবার (৬ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সংগঠনটির প্রশাসক আবদুর রহিম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল এসব লিখিত প্রস্তাব তুলে দেয়।
সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে শিল্প ও রপ্তানি খাতের বিভিন্ন সেক্টরের নেতারা অংশ নেন। এফবিসিসিআই জানায়, বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগ ও উৎপাদন ধরে রাখতে জরুরি নীতিগত সমর্থন প্রয়োজন।
বৈঠকে জানানো হয়, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, জ্বালানি ও কাঁচামালের উচ্চমূল্য এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে শিল্প খাতের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় রপ্তানিকারকরা চাপের মুখে পড়েছেন।
এ প্রেক্ষাপটে এফবিসিসিআই ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানায়। সংগঠনটি দাবি করে, অতীতে বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার হওয়ায় অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।
সুদের হার প্রসঙ্গে সংগঠনটি বলে, বিনিয়োগ ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে সুদের হার স্থিতিশীল রাখা জরুরি। একই সঙ্গে ধাপে ধাপে তা এক অঙ্কে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
ডলার সংকট মোকাবিলায় বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার ওপর জোর দেন ব্যবসায়ীরা। ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে ডলার অপব্যবহার ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যের মধ্যে সমন্বয় আনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, পুনঃতফশিলকরণ এবং প্রণোদনা প্যাকেজ কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। বিশেষ করে ঋণ পুনঃতফশিলের সময়সীমা ৩ মাস থেকে বাড়িয়ে ৬ মাস করার প্রস্তাব দেয় এফবিসিসিআই।
বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়ে সংগঠনটি বলে, সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বেশি থাকায় উৎপাদন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।
খেলাপি ঋণ কমাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অনিচ্ছাকৃত খেলাপিদের জন্য পুনর্বাসনমূলক নীতি সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়াতে প্রণোদনা অব্যাহত রাখা এবং বিদেশগামী শ্রমিকদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার সুপারিশ করে এফবিসিসিআই। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা সম্প্রসারণের দাবি জানানো হয়।
শিল্প খাতের ব্যাংকিং সমস্যার দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নরের নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাবও দেয় সংগঠনটি।
এছাড়া জ্বালানি ব্যয় কমাতে সোলার শক্তির মতো গ্রিন এনার্জিতে স্বল্প সুদের ঋণ, একক ঋণসীমা ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা এবং রপ্তানিমুখী খাতের জন্য ইডিএফ তহবিলের পরিসর বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে এফবিসিসিআই আশা প্রকাশ করে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হলে বর্তমান চ্যালেঞ্জের মধ্যেও অর্থনীতির গতি ধরে রাখা সম্ভব হবে।




