সৌদি আরবের আপত্তি
সুদানে অস্ত্র ও যুদ্ধবিমান বিক্রি স্থগিত রেখেছে পাকিস্তান

সুদানে অস্ত্র ও যুদ্ধবিমান বিক্রি স্থগিত রেখেছে পাকিস্তান
সিটিজেন ডেস্ক

সুদানে দেড়শ কোটি ডলারের অস্ত্র ও যুদ্ধবিমান বিক্রি স্থগিত রেখেছে পাকিস্তান। সৌদি আরবের আপত্তির কারণে তা স্থগিত করা হয়েছে। অস্ত্র কেনায় অর্থায়ন করা হবে না জানিয়ে রিয়াদ ইসলামাবাদকে এ সংক্রান্ত চুক্তিটি বাতিল করতেও অনুরোধ করেছে।
পাকিস্তানের দুটি নিরাপত্তা সূত্র ও একটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স সোমবার (২০ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
গত বছর ভারতের সঙ্গে কয়েকদিনের যুদ্ধে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাপনার দক্ষতা সাড়া ফেলার পর পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী একাধিক অস্ত্র বিক্রি চুক্তির আলোচনায় নামে। সুদানে দেড়শ কোটি ডলারের অস্ত্রশস্ত্র ও যুদ্ধবিমান বিক্রির আলোচনা ছিল তার একটি।
সুদানে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে প্রায় ৩ বছর ধরে চলা সংঘাতে ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। সুদানসহ ওই অঞ্চলের সংঘাতপূর্ণ অনেক দেশেই দেখা যাচ্ছে– সৌদি আরব যে পক্ষকে সমর্থন করছে, তার বিরুদ্ধে যুদ্ধরত অংশের সমর্থনে দাঁড়াচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
আবুধাবি ও রিয়াদ উভয়েই মুখে সুদান সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলছে। সৌদি আরব দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত আরএসএফকে সহযোগিতা করছে। যদিও আবুধাবি আনুষ্ঠানিকভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ মিত্র পাকিস্তান। গত বছর দেশ দুটির মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী কোনো দেশ আক্রান্ত হলে তা এখন দুই দেশের ওপরই আক্রমণ বলে গণ্য হবে।
সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় সুদানে পাকিস্তানের অস্ত্র বিক্রি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে বলে জানুয়ারিতে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল রয়টার্স। কিন্তু তাতে সৌদি আরবই যে অর্থায়ন করছে, সেসময় সেটি জানা যায়নি।
নিরাপত্তা সূত্রটি জানায়, একাধিক পশ্চিমা দেশ রিয়াদকে আফ্রিকায় ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। মার্চে সৌদি কর্তৃপক্ষ ও সুদানের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের এক বৈঠকের পরই অস্ত্র কেনার ওই চুক্তিতে সৌদি অর্থায়নের প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। এর প্রেক্ষিতে সৌদি আরব চুক্তিটি বাতিলে পাকিস্তানকে সংকেত দিয়েছে।

সুদানে দেড়শ কোটি ডলারের অস্ত্র ও যুদ্ধবিমান বিক্রি স্থগিত রেখেছে পাকিস্তান। সৌদি আরবের আপত্তির কারণে তা স্থগিত করা হয়েছে। অস্ত্র কেনায় অর্থায়ন করা হবে না জানিয়ে রিয়াদ ইসলামাবাদকে এ সংক্রান্ত চুক্তিটি বাতিল করতেও অনুরোধ করেছে।
পাকিস্তানের দুটি নিরাপত্তা সূত্র ও একটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স সোমবার (২০ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
গত বছর ভারতের সঙ্গে কয়েকদিনের যুদ্ধে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাপনার দক্ষতা সাড়া ফেলার পর পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী একাধিক অস্ত্র বিক্রি চুক্তির আলোচনায় নামে। সুদানে দেড়শ কোটি ডলারের অস্ত্রশস্ত্র ও যুদ্ধবিমান বিক্রির আলোচনা ছিল তার একটি।
সুদানে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে প্রায় ৩ বছর ধরে চলা সংঘাতে ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। সুদানসহ ওই অঞ্চলের সংঘাতপূর্ণ অনেক দেশেই দেখা যাচ্ছে– সৌদি আরব যে পক্ষকে সমর্থন করছে, তার বিরুদ্ধে যুদ্ধরত অংশের সমর্থনে দাঁড়াচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
আবুধাবি ও রিয়াদ উভয়েই মুখে সুদান সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলছে। সৌদি আরব দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত আরএসএফকে সহযোগিতা করছে। যদিও আবুধাবি আনুষ্ঠানিকভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ মিত্র পাকিস্তান। গত বছর দেশ দুটির মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী কোনো দেশ আক্রান্ত হলে তা এখন দুই দেশের ওপরই আক্রমণ বলে গণ্য হবে।
সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় সুদানে পাকিস্তানের অস্ত্র বিক্রি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে বলে জানুয়ারিতে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল রয়টার্স। কিন্তু তাতে সৌদি আরবই যে অর্থায়ন করছে, সেসময় সেটি জানা যায়নি।
নিরাপত্তা সূত্রটি জানায়, একাধিক পশ্চিমা দেশ রিয়াদকে আফ্রিকায় ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। মার্চে সৌদি কর্তৃপক্ষ ও সুদানের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের এক বৈঠকের পরই অস্ত্র কেনার ওই চুক্তিতে সৌদি অর্থায়নের প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। এর প্রেক্ষিতে সৌদি আরব চুক্তিটি বাতিলে পাকিস্তানকে সংকেত দিয়েছে।

সুদানে অস্ত্র ও যুদ্ধবিমান বিক্রি স্থগিত রেখেছে পাকিস্তান
সিটিজেন ডেস্ক

সুদানে দেড়শ কোটি ডলারের অস্ত্র ও যুদ্ধবিমান বিক্রি স্থগিত রেখেছে পাকিস্তান। সৌদি আরবের আপত্তির কারণে তা স্থগিত করা হয়েছে। অস্ত্র কেনায় অর্থায়ন করা হবে না জানিয়ে রিয়াদ ইসলামাবাদকে এ সংক্রান্ত চুক্তিটি বাতিল করতেও অনুরোধ করেছে।
পাকিস্তানের দুটি নিরাপত্তা সূত্র ও একটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স সোমবার (২০ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
গত বছর ভারতের সঙ্গে কয়েকদিনের যুদ্ধে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাপনার দক্ষতা সাড়া ফেলার পর পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী একাধিক অস্ত্র বিক্রি চুক্তির আলোচনায় নামে। সুদানে দেড়শ কোটি ডলারের অস্ত্রশস্ত্র ও যুদ্ধবিমান বিক্রির আলোচনা ছিল তার একটি।
সুদানে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে প্রায় ৩ বছর ধরে চলা সংঘাতে ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। সুদানসহ ওই অঞ্চলের সংঘাতপূর্ণ অনেক দেশেই দেখা যাচ্ছে– সৌদি আরব যে পক্ষকে সমর্থন করছে, তার বিরুদ্ধে যুদ্ধরত অংশের সমর্থনে দাঁড়াচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
আবুধাবি ও রিয়াদ উভয়েই মুখে সুদান সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলছে। সৌদি আরব দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত আরএসএফকে সহযোগিতা করছে। যদিও আবুধাবি আনুষ্ঠানিকভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ মিত্র পাকিস্তান। গত বছর দেশ দুটির মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী কোনো দেশ আক্রান্ত হলে তা এখন দুই দেশের ওপরই আক্রমণ বলে গণ্য হবে।
সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় সুদানে পাকিস্তানের অস্ত্র বিক্রি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে বলে জানুয়ারিতে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল রয়টার্স। কিন্তু তাতে সৌদি আরবই যে অর্থায়ন করছে, সেসময় সেটি জানা যায়নি।
নিরাপত্তা সূত্রটি জানায়, একাধিক পশ্চিমা দেশ রিয়াদকে আফ্রিকায় ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। মার্চে সৌদি কর্তৃপক্ষ ও সুদানের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের এক বৈঠকের পরই অস্ত্র কেনার ওই চুক্তিতে সৌদি অর্থায়নের প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। এর প্রেক্ষিতে সৌদি আরব চুক্তিটি বাতিলে পাকিস্তানকে সংকেত দিয়েছে।




