হজে পরিবহন ব্যবস্থায় বড় প্রস্তুতি সৌদি আরবের
সিটিজেন ডেস্ক

হজে পরিবহন ব্যবস্থায় বড় প্রস্তুতি সৌদি আরবের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৫৩

ছবি: রয়টার্স
হজ মৌসুম সামনে রেখে আকাশ, রেল, সড়ক ও সমুদ্রপথ মিলিয়ে ব্যাপক পরিবহন পরিকল্পনা নিয়েছে সৌদি আরব। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো হাজির নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সৌদি পরিবহন ও লজিস্টিক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবারের হজে বিমান পরিবহনে ৩১ লাখের বেশি আসন রাখা হয়েছে। এ জন্য ১২ হাজারের বেশি নিয়মিত ও চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালিত হবে। ছয়টি প্রধান বিমানবন্দরে ২২ হাজারের বেশি কর্মী দায়িত্ব পালন করবেন।
হাজিদের সুবিধায় ‘ব্যাগেজ-ফ্রি ট্রাভেলার’ সেবা চালু হয়েছে। এর আওতায় আবাসন থেকেই লাগেজ পাঠানো যাবে। জমজমের পানি আগাম পাঠানোর ব্যবস্থাও বাড়ানো হয়েছে। জাতীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়া ১০ লাখের বেশি আসন বরাদ্দ করেছে। বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ফ্লাইনাস ২০টি আন্তর্জাতিক গন্তব্য থেকে প্রায় দেড় লাখ হাজি পরিবহন করবে।
পবিত্র স্থানগুলোর মধ্যে যাতায়াতে মাশায়ের ট্রেন ২ হাজারের বেশি ট্রিপ পরিচালনা করবে। এতে ২০ লাখের বেশি যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মক্কা-মদিনা রুটে হারামাইন হাই-স্পিড রেলওয়ে ৫ হাজার ৩০৮টি ট্রিপ চালাবে, যেখানে আসনসংখ্যা ২২ লাখের বেশি।
সড়কপথে নিরাপত্তা জোরদারে বালুমুক্তকরণ, ১ লাখ ৭৮ হাজার লাইটিং ইউনিট সচল রাখা এবং ৪ হাজারের বেশি নির্দেশক চিহ্ন স্থাপন করা হয়েছে। হাজিদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৩ হাজার বাস ও ৫ হাজার ট্যাক্সি।
সমুদ্রপথে জেদ্দা ইসলামিক পোর্টে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট সেফটি সেন্টার ২৪ ঘণ্টা কাজ করবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র:
গালফ নিউজ

হজ মৌসুম সামনে রেখে আকাশ, রেল, সড়ক ও সমুদ্রপথ মিলিয়ে ব্যাপক পরিবহন পরিকল্পনা নিয়েছে সৌদি আরব। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো হাজির নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সৌদি পরিবহন ও লজিস্টিক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবারের হজে বিমান পরিবহনে ৩১ লাখের বেশি আসন রাখা হয়েছে। এ জন্য ১২ হাজারের বেশি নিয়মিত ও চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালিত হবে। ছয়টি প্রধান বিমানবন্দরে ২২ হাজারের বেশি কর্মী দায়িত্ব পালন করবেন।
হাজিদের সুবিধায় ‘ব্যাগেজ-ফ্রি ট্রাভেলার’ সেবা চালু হয়েছে। এর আওতায় আবাসন থেকেই লাগেজ পাঠানো যাবে। জমজমের পানি আগাম পাঠানোর ব্যবস্থাও বাড়ানো হয়েছে। জাতীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়া ১০ লাখের বেশি আসন বরাদ্দ করেছে। বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ফ্লাইনাস ২০টি আন্তর্জাতিক গন্তব্য থেকে প্রায় দেড় লাখ হাজি পরিবহন করবে।
পবিত্র স্থানগুলোর মধ্যে যাতায়াতে মাশায়ের ট্রেন ২ হাজারের বেশি ট্রিপ পরিচালনা করবে। এতে ২০ লাখের বেশি যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মক্কা-মদিনা রুটে হারামাইন হাই-স্পিড রেলওয়ে ৫ হাজার ৩০৮টি ট্রিপ চালাবে, যেখানে আসনসংখ্যা ২২ লাখের বেশি।
সড়কপথে নিরাপত্তা জোরদারে বালুমুক্তকরণ, ১ লাখ ৭৮ হাজার লাইটিং ইউনিট সচল রাখা এবং ৪ হাজারের বেশি নির্দেশক চিহ্ন স্থাপন করা হয়েছে। হাজিদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৩ হাজার বাস ও ৫ হাজার ট্যাক্সি।
সমুদ্রপথে জেদ্দা ইসলামিক পোর্টে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট সেফটি সেন্টার ২৪ ঘণ্টা কাজ করবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র:
গালফ নিউজ

হজে পরিবহন ব্যবস্থায় বড় প্রস্তুতি সৌদি আরবের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৫৩

ছবি: রয়টার্স
হজ মৌসুম সামনে রেখে আকাশ, রেল, সড়ক ও সমুদ্রপথ মিলিয়ে ব্যাপক পরিবহন পরিকল্পনা নিয়েছে সৌদি আরব। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো হাজির নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সৌদি পরিবহন ও লজিস্টিক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবারের হজে বিমান পরিবহনে ৩১ লাখের বেশি আসন রাখা হয়েছে। এ জন্য ১২ হাজারের বেশি নিয়মিত ও চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালিত হবে। ছয়টি প্রধান বিমানবন্দরে ২২ হাজারের বেশি কর্মী দায়িত্ব পালন করবেন।
হাজিদের সুবিধায় ‘ব্যাগেজ-ফ্রি ট্রাভেলার’ সেবা চালু হয়েছে। এর আওতায় আবাসন থেকেই লাগেজ পাঠানো যাবে। জমজমের পানি আগাম পাঠানোর ব্যবস্থাও বাড়ানো হয়েছে। জাতীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়া ১০ লাখের বেশি আসন বরাদ্দ করেছে। বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ফ্লাইনাস ২০টি আন্তর্জাতিক গন্তব্য থেকে প্রায় দেড় লাখ হাজি পরিবহন করবে।
পবিত্র স্থানগুলোর মধ্যে যাতায়াতে মাশায়ের ট্রেন ২ হাজারের বেশি ট্রিপ পরিচালনা করবে। এতে ২০ লাখের বেশি যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মক্কা-মদিনা রুটে হারামাইন হাই-স্পিড রেলওয়ে ৫ হাজার ৩০৮টি ট্রিপ চালাবে, যেখানে আসনসংখ্যা ২২ লাখের বেশি।
সড়কপথে নিরাপত্তা জোরদারে বালুমুক্তকরণ, ১ লাখ ৭৮ হাজার লাইটিং ইউনিট সচল রাখা এবং ৪ হাজারের বেশি নির্দেশক চিহ্ন স্থাপন করা হয়েছে। হাজিদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৩ হাজার বাস ও ৫ হাজার ট্যাক্সি।
সমুদ্রপথে জেদ্দা ইসলামিক পোর্টে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট সেফটি সেন্টার ২৪ ঘণ্টা কাজ করবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র:
গালফ নিউজ
/এসএ/




