এখনও ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক
এখনও ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক
বিশ্লেষকরা বলছেন, ডলার কেনা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে কিনা, তা নির্ভর করবে রেমিট্যান্স প্রবাহ, আমদানি চাহিদা ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপের ওপর।


গ্রাহকদের তথ্য ডার্কওয়েব হয়ে এখন তা ফেসবুক ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাতে বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে গ্রাহকের মোবাইল নম্বর, নাম ও কেনাকাটার তথ্য রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করার পর যুদ্ধের দুই সপ্তাহ পেরিয়ে এসে ইরান তার ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক’ চালটি চেলেছে। এটি কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন নয়, শুধু একটি বাক্য। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সেই বার্তা এখন আলোচনায়।

গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ যদি আরও কয়েক মাস স্থায়ী হয়, তবে মার্কিন অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ধরিয়ে দিতে ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ডলার কেনা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে কিনা, তা নির্ভর করবে রেমিট্যান্স প্রবাহ, আমদানি চাহিদা ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপের ওপর।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই ভোটের আগে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ায় রিজার্ভের এই উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, বর্তমান এই রিজার্ভ দিয়ে দেশের কয়েক মাসের আমদানি ব্যয় অনায়াসে মেটানো সম্ভব, যা দেশের অর্থনীতির জন্য স্বস্তির খবর।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে।

বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আরও ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের ১৪টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার কেনা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

দেশের অর্থনীতির জন্য ২০২৫ সাল যেন একটু স্বস্তির বছর হয়ে এসেছিল প্রবাসীদের হাত ধরেই। বিদায়ী বছরে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স আয়ে গড়েছে নতুন ইতিহাস।

এর অর্থ হলো বর্তমানে বাংলাদেশ পাঁচ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় পূরণে সক্ষম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী

চলতি মাসে প্রবাসী আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ডিসেম্বরের প্রথম ২৭ দিনে দেশে এসেছে ২৭৫ কোটি মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৩ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে)।

চলতি বছরে প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ায় বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের ভারসাম্য বজায় রাখতে ধারাবাহিকভাবে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক।










