যে মুরগি মাথা ছাড়াই বেঁচে ছিল ১৮ মাস

যে মুরগি মাথা ছাড়াই বেঁচে ছিল ১৮ মাস
সিটিজেন ডেস্ক

বাস্তব কখনও কখনও এতটাই অদ্ভুত হয়ে ওঠে যে তা কল্পকাহিনিকেও হার মানায়। ‘মাইক’ নামের এক মুরগির গল্প তেমনই এক বিস্ময়।
১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর ফ্রুইটা শহরে খামারি লয়েড ওলসেনের হাতে জবাই করা হয় মাইককে। স্বাভাবিকভাবে সেখানেই তার জীবন শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, মাথা কেটে ফেলার পরও মাইক বেঁচে থাকে। আর সেখান থেকেই শুরু হয় ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত প্রাণীকাহিনি।
পরে বিজ্ঞানীরা জানান, ঘটনাটি পুরোপুরি অলৌকিক নয়। মাইকের মস্তিষ্কের যে অংশ শরীরের মৌলিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, তার কিছুটা অক্ষত ছিল। ফলে শ্বাসপ্রশ্বাস ও রক্তসঞ্চালনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগুলো চালু ছিল।
তবে স্বাভাবিকভাবে খাওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। ড্রপার দিয়ে তাকে খাবার ও পানি দেওয়া হতো, আর গলা পরিষ্কার রাখতেও নিতে হতো বিশেষ যত্ন।
ধীরে ধীরে মাইক হয়ে ওঠে জনকৌতূহলের কেন্দ্র। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ তাকে দেখতে আসতে শুরু করে। মেলা ও প্রদর্শনীতে তাকে নিয়ে যাওয়া হতো, এমনকি জাতীয় সংবাদমাধ্যমেও জায়গা করে নেয় এই ‘মাথাবিহীন’ মুরগি।
১৯৪৭ সালের মার্চে, ফিনিক্সে সফরের সময় মাইকের মৃত্যু হয়। কিন্তু তার গল্প সেখানেই শেষ হয়নি।
আজও ফ্রুইটা শহরে তাকে ঘিরে বার্ষিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। মাইকের এই অদ্ভুত জীবনগাথা মনে করিয়ে দেয় প্রকৃতি কখনও কখনও এমন ব্যতিক্রম সৃষ্টি করে, যা আমাদের সাধারণ ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানায়।
সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

বাস্তব কখনও কখনও এতটাই অদ্ভুত হয়ে ওঠে যে তা কল্পকাহিনিকেও হার মানায়। ‘মাইক’ নামের এক মুরগির গল্প তেমনই এক বিস্ময়।
১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর ফ্রুইটা শহরে খামারি লয়েড ওলসেনের হাতে জবাই করা হয় মাইককে। স্বাভাবিকভাবে সেখানেই তার জীবন শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, মাথা কেটে ফেলার পরও মাইক বেঁচে থাকে। আর সেখান থেকেই শুরু হয় ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত প্রাণীকাহিনি।
পরে বিজ্ঞানীরা জানান, ঘটনাটি পুরোপুরি অলৌকিক নয়। মাইকের মস্তিষ্কের যে অংশ শরীরের মৌলিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, তার কিছুটা অক্ষত ছিল। ফলে শ্বাসপ্রশ্বাস ও রক্তসঞ্চালনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগুলো চালু ছিল।
তবে স্বাভাবিকভাবে খাওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। ড্রপার দিয়ে তাকে খাবার ও পানি দেওয়া হতো, আর গলা পরিষ্কার রাখতেও নিতে হতো বিশেষ যত্ন।
ধীরে ধীরে মাইক হয়ে ওঠে জনকৌতূহলের কেন্দ্র। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ তাকে দেখতে আসতে শুরু করে। মেলা ও প্রদর্শনীতে তাকে নিয়ে যাওয়া হতো, এমনকি জাতীয় সংবাদমাধ্যমেও জায়গা করে নেয় এই ‘মাথাবিহীন’ মুরগি।
১৯৪৭ সালের মার্চে, ফিনিক্সে সফরের সময় মাইকের মৃত্যু হয়। কিন্তু তার গল্প সেখানেই শেষ হয়নি।
আজও ফ্রুইটা শহরে তাকে ঘিরে বার্ষিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। মাইকের এই অদ্ভুত জীবনগাথা মনে করিয়ে দেয় প্রকৃতি কখনও কখনও এমন ব্যতিক্রম সৃষ্টি করে, যা আমাদের সাধারণ ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানায়।
সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

যে মুরগি মাথা ছাড়াই বেঁচে ছিল ১৮ মাস
সিটিজেন ডেস্ক

বাস্তব কখনও কখনও এতটাই অদ্ভুত হয়ে ওঠে যে তা কল্পকাহিনিকেও হার মানায়। ‘মাইক’ নামের এক মুরগির গল্প তেমনই এক বিস্ময়।
১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর ফ্রুইটা শহরে খামারি লয়েড ওলসেনের হাতে জবাই করা হয় মাইককে। স্বাভাবিকভাবে সেখানেই তার জীবন শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, মাথা কেটে ফেলার পরও মাইক বেঁচে থাকে। আর সেখান থেকেই শুরু হয় ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত প্রাণীকাহিনি।
পরে বিজ্ঞানীরা জানান, ঘটনাটি পুরোপুরি অলৌকিক নয়। মাইকের মস্তিষ্কের যে অংশ শরীরের মৌলিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, তার কিছুটা অক্ষত ছিল। ফলে শ্বাসপ্রশ্বাস ও রক্তসঞ্চালনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগুলো চালু ছিল।
তবে স্বাভাবিকভাবে খাওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। ড্রপার দিয়ে তাকে খাবার ও পানি দেওয়া হতো, আর গলা পরিষ্কার রাখতেও নিতে হতো বিশেষ যত্ন।
ধীরে ধীরে মাইক হয়ে ওঠে জনকৌতূহলের কেন্দ্র। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ তাকে দেখতে আসতে শুরু করে। মেলা ও প্রদর্শনীতে তাকে নিয়ে যাওয়া হতো, এমনকি জাতীয় সংবাদমাধ্যমেও জায়গা করে নেয় এই ‘মাথাবিহীন’ মুরগি।
১৯৪৭ সালের মার্চে, ফিনিক্সে সফরের সময় মাইকের মৃত্যু হয়। কিন্তু তার গল্প সেখানেই শেষ হয়নি।
আজও ফ্রুইটা শহরে তাকে ঘিরে বার্ষিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। মাইকের এই অদ্ভুত জীবনগাথা মনে করিয়ে দেয় প্রকৃতি কখনও কখনও এমন ব্যতিক্রম সৃষ্টি করে, যা আমাদের সাধারণ ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানায়।
সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

বরফের দেশে অদ্ভুত আইন: ভাল্লুকের জন্য জেলখানা!


