তারেক রহমানে শপথে আসছেন না মোদি
তারেক রহমানে শপথে আসছেন না মোদি
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি ঢাকায় আসতে পারছেন না।


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার তিন দিনের মাথায় এ অগ্রগতি ঘটেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কে বরফ গলতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এসময় তিনি তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ এ তথ্য জানিয়েছেন।

‘অপারেশন সিন্দুর’ থেকে শিক্ষা নিয়েই বাজেট বাড়ানো হয়েছে কি-না এবং এতে প্রতিবেশী দেশ বিশেষ করে পাকিস্তানের প্রতি অবিশ্বাসের ইঙ্গিত রয়েছে কিনা? জবাবে তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো,

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি ঢাকায় আসতে পারছেন না।

আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে। এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ আঞ্চলিক বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফোনে অভিনন্দন জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের (সাবেক টুইটার) অ্যাক্যাউন্টে পোস্ট দিয়ে এ তথ্য জানান।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আমাদের বহুমুখী সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে এবং আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোকে এগিয়ে নিতে আপনার (তারেক রহমান) সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ।

ট্রাম্পের সই করা এক আদেশে বলা হয়েছে, ‘ভারত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।’

তিনি আরও জানান, নরেন্দ্র মোদি ৫০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের মার্কিন জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষি এবং অন্যান্য পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

প্রায় দুই দশকের আলোচনার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ভারত একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক অনিশ্চিত হয়ে ওঠায় এই চুক্তিকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

তার পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা। এই শোক সইবার শক্তি সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তা যেন তার পরিবারকে দান করেন।










