পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। পাশাপাশি কবির বাড়ির আঙ্গিনায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে ফরিদপুর শহরের গোবিন্দপুর মহল্লায় অবস্থিত কবির সমাধিস্থলে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে সেখানে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, পল্লীকবি জসীমউদ্দীন এক অনন্য প্রতিভার অধিকারী। তাকে জানতে হলে তার লেখা বই পড়তে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, শিক্ষাবিদ এমএ সামাদ, ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর শহরতলীর কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামে মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন কবি জসীম উদ্দীন। তার বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট।
কবি জসীম উদ্দীন ফরিদপুর ফরিদপুর জেলা স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। সেখান থেকে ১৯২১ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৯ সালে বাংলায় বিএ পাস করেন।
১৯৩৯ সালে মমতাজ বেগমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কবি জসীম উদ্দীন। তার অমর সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, এক পয়সার বাঁশি, রাখালী, বালুচর প্রভৃতি।
তিনি ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন। ওইদিন জেলা সদরের অম্বিকাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে ডালিম গাছের তলায় দাফন করা হয়।

ফরিদপুরে পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। পাশাপাশি কবির বাড়ির আঙ্গিনায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে ফরিদপুর শহরের গোবিন্দপুর মহল্লায় অবস্থিত কবির সমাধিস্থলে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে সেখানে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, পল্লীকবি জসীমউদ্দীন এক অনন্য প্রতিভার অধিকারী। তাকে জানতে হলে তার লেখা বই পড়তে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, শিক্ষাবিদ এমএ সামাদ, ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর শহরতলীর কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামে মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন কবি জসীম উদ্দীন। তার বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট।
কবি জসীম উদ্দীন ফরিদপুর ফরিদপুর জেলা স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। সেখান থেকে ১৯২১ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৯ সালে বাংলায় বিএ পাস করেন।
১৯৩৯ সালে মমতাজ বেগমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কবি জসীম উদ্দীন। তার অমর সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, এক পয়সার বাঁশি, রাখালী, বালুচর প্রভৃতি।
তিনি ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন। ওইদিন জেলা সদরের অম্বিকাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে ডালিম গাছের তলায় দাফন করা হয়।

পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। পাশাপাশি কবির বাড়ির আঙ্গিনায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে ফরিদপুর শহরের গোবিন্দপুর মহল্লায় অবস্থিত কবির সমাধিস্থলে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে সেখানে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, পল্লীকবি জসীমউদ্দীন এক অনন্য প্রতিভার অধিকারী। তাকে জানতে হলে তার লেখা বই পড়তে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, শিক্ষাবিদ এমএ সামাদ, ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর শহরতলীর কৈজুরী ইউনিয়নের তাম্বুলখানা গ্রামে মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন কবি জসীম উদ্দীন। তার বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট।
কবি জসীম উদ্দীন ফরিদপুর ফরিদপুর জেলা স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। সেখান থেকে ১৯২১ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৯ সালে বাংলায় বিএ পাস করেন।
১৯৩৯ সালে মমতাজ বেগমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কবি জসীম উদ্দীন। তার অমর সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, এক পয়সার বাঁশি, রাখালী, বালুচর প্রভৃতি।
তিনি ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন। ওইদিন জেলা সদরের অম্বিকাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে ডালিম গাছের তলায় দাফন করা হয়।




