জ্বালানির শঙ্কায় অনেক বিদেশি ক্রেতা ভারত চলে যাচ্ছেন
সিটিজেন ডেস্ক

জ্বালানির শঙ্কায় অনেক বিদেশি ক্রেতা ভারত চলে যাচ্ছেন
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮: ৪০

ছবি: সংগৃহীত
আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ জ্বালানিশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কায় তৈরি পোশাক খাতের বিদেশি ক্রেতারা ক্রয়াদেশ স্থগিত করতে শুরু করেছেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ)।
বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) বিভিন্ন ব্যবসায়ী চেম্বারের সঙ্গে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। বিসিআই সভাপতি বলেন, এ পরিস্থিতির কারণে অনেক অর্ডার এখন বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতসহ অন্যান্য দেশে চলে যাচ্ছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাতকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং বিদ্যুৎ সংকটের মতো অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতার ফলে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, জুলাই এবং আগস্ট মাসের সম্ভাব্য অর্ডার আসার গতি অত্যন্ত ধীর হয়ে গেছে এবং অনেক বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে নেতিবাচক বার্তা দিতে শুরু করেছে। বিসিআই সভাপতি আরও জানান, বড় ক্রেতাদের স্থানীয় অফিসগুলো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বর্তমানে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ বা অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছে।
সভায় আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বর্তমান কর ব্যবস্থাকে অবাস্তব আখ্যা দিয়ে বলেন, লাভ বা লোকসান যাই হোক না কেন, ১ শতাংশ হারে ন্যূনতম কর পরিশোধের বিধান ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া কর যাচাইয়ের নামে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দ করার ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। বিসিআই সভাপতি রপ্তানি আয়ের ওপর উৎস কর কমানোর দাবি জানালেও এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান জানান, আপাতত এই কর কমানো হবে না।
অন্যদিকে, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তদের মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সুরক্ষা দিতে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেয়। সংস্থাটি মনে করে, এতে নতুন করদাতারা এর আওতায় আসতে উৎসাহিত হবে। এছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির করহার সাড়ে ২৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন ডিসিসিআইর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী।
তবে এনবিআর চেয়ারম্যান রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনায় উৎস কর কমানোর পরিবর্তে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে তা আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দেন এবং কর বেশি কাটা হলে তা পরবর্তী বছর সমন্বয় বা রিফান্ডের সুযোগের কথা উল্লেখ করেন।

আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ জ্বালানিশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কায় তৈরি পোশাক খাতের বিদেশি ক্রেতারা ক্রয়াদেশ স্থগিত করতে শুরু করেছেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ)।
বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) বিভিন্ন ব্যবসায়ী চেম্বারের সঙ্গে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। বিসিআই সভাপতি বলেন, এ পরিস্থিতির কারণে অনেক অর্ডার এখন বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতসহ অন্যান্য দেশে চলে যাচ্ছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাতকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং বিদ্যুৎ সংকটের মতো অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতার ফলে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, জুলাই এবং আগস্ট মাসের সম্ভাব্য অর্ডার আসার গতি অত্যন্ত ধীর হয়ে গেছে এবং অনেক বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে নেতিবাচক বার্তা দিতে শুরু করেছে। বিসিআই সভাপতি আরও জানান, বড় ক্রেতাদের স্থানীয় অফিসগুলো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বর্তমানে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ বা অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছে।
সভায় আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বর্তমান কর ব্যবস্থাকে অবাস্তব আখ্যা দিয়ে বলেন, লাভ বা লোকসান যাই হোক না কেন, ১ শতাংশ হারে ন্যূনতম কর পরিশোধের বিধান ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া কর যাচাইয়ের নামে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দ করার ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। বিসিআই সভাপতি রপ্তানি আয়ের ওপর উৎস কর কমানোর দাবি জানালেও এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান জানান, আপাতত এই কর কমানো হবে না।
অন্যদিকে, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তদের মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সুরক্ষা দিতে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেয়। সংস্থাটি মনে করে, এতে নতুন করদাতারা এর আওতায় আসতে উৎসাহিত হবে। এছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির করহার সাড়ে ২৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন ডিসিসিআইর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী।
তবে এনবিআর চেয়ারম্যান রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনায় উৎস কর কমানোর পরিবর্তে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে তা আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দেন এবং কর বেশি কাটা হলে তা পরবর্তী বছর সমন্বয় বা রিফান্ডের সুযোগের কথা উল্লেখ করেন।

জ্বালানির শঙ্কায় অনেক বিদেশি ক্রেতা ভারত চলে যাচ্ছেন
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮: ৪০

ছবি: সংগৃহীত
আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ জ্বালানিশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কায় তৈরি পোশাক খাতের বিদেশি ক্রেতারা ক্রয়াদেশ স্থগিত করতে শুরু করেছেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ)।
বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) বিভিন্ন ব্যবসায়ী চেম্বারের সঙ্গে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। বিসিআই সভাপতি বলেন, এ পরিস্থিতির কারণে অনেক অর্ডার এখন বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতসহ অন্যান্য দেশে চলে যাচ্ছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাতকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং বিদ্যুৎ সংকটের মতো অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতার ফলে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, জুলাই এবং আগস্ট মাসের সম্ভাব্য অর্ডার আসার গতি অত্যন্ত ধীর হয়ে গেছে এবং অনেক বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে নেতিবাচক বার্তা দিতে শুরু করেছে। বিসিআই সভাপতি আরও জানান, বড় ক্রেতাদের স্থানীয় অফিসগুলো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বর্তমানে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ বা অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছে।
সভায় আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বর্তমান কর ব্যবস্থাকে অবাস্তব আখ্যা দিয়ে বলেন, লাভ বা লোকসান যাই হোক না কেন, ১ শতাংশ হারে ন্যূনতম কর পরিশোধের বিধান ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া কর যাচাইয়ের নামে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দ করার ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। বিসিআই সভাপতি রপ্তানি আয়ের ওপর উৎস কর কমানোর দাবি জানালেও এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান জানান, আপাতত এই কর কমানো হবে না।
অন্যদিকে, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তদের মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সুরক্ষা দিতে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেয়। সংস্থাটি মনে করে, এতে নতুন করদাতারা এর আওতায় আসতে উৎসাহিত হবে। এছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির করহার সাড়ে ২৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন ডিসিসিআইর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী।
তবে এনবিআর চেয়ারম্যান রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনায় উৎস কর কমানোর পরিবর্তে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে তা আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দেন এবং কর বেশি কাটা হলে তা পরবর্তী বছর সমন্বয় বা রিফান্ডের সুযোগের কথা উল্লেখ করেন।
/এমএকে/




