হরমুজ প্রণালি খোলার যে শর্ত দিলো ইরান

হরমুজ প্রণালি খোলার যে শর্ত দিলো ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত আরও জটিল আকার ধারণ করছে। বিশ্বের জ্বালানি তেল বাণিজ্যের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা এই প্রণালি খুলতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যথায় ইরানকে ‘নরক’ দেখিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি। তবে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ পেলেই কেবল হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে ইরান।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দেশটির প্রেসিডেন্টের দপ্তরের যোগাযোগ বিষয়ক উপ-প্রধান সাইয়্যেদ মেহদি তাবাতাবায়ী ওই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি হয়ে চলাচলকারী জাহাজের ট্রানজিট ফির ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ট্রাম্প আজ প্রণালি বন্ধের জেরে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছেন। এটা আসলে চরম হতাশা আর ক্ষোভ থেকে আসা অশ্লীলতা ও আজেবাজে কথা ছাড়া আর কিছু নয়।
এদিকে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন ট্রাম্পের ওই হুমকির নিন্দা জানিয়ে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট দেশটির বেসামরিক জনগণের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অবকাঠামো ধ্বংস করার হুমকি দিচ্ছেন। এটি যুদ্ধাপরাধ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইরানি মিশন এসব কথা বলেছে। তারা জানায়, জাতিসংঘের বিবেক যদি জাগ্রত থাকত, তাহলে যুদ্ধবাজ মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার এমন প্রকাশ্য ও নির্লজ্জ হুমকির মুখে তারা নীরব থাকত না। ট্রাম্প এই অঞ্চলকে একটি অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে চাইছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এটি বেসামরিক নাগরিকদের আতঙ্কিত করার সরাসরি ও প্রকাশ্য উসকানি এবং যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের ইচ্ছার স্পষ্ট প্রমাণ।
জাতিসংঘ ইরানি মিশন বলছে, ‘‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং সকল রাষ্ট্রের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে যুদ্ধাপরাধের মতো এ ধরনের নৃশংসতা প্রতিরোধ করার। তাদের এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। আগামীকাল অনেক দেরি হয়ে যাবে।’
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত আরও জটিল আকার ধারণ করছে। বিশ্বের জ্বালানি তেল বাণিজ্যের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা এই প্রণালি খুলতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যথায় ইরানকে ‘নরক’ দেখিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি। তবে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ পেলেই কেবল হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে ইরান।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দেশটির প্রেসিডেন্টের দপ্তরের যোগাযোগ বিষয়ক উপ-প্রধান সাইয়্যেদ মেহদি তাবাতাবায়ী ওই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি হয়ে চলাচলকারী জাহাজের ট্রানজিট ফির ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ট্রাম্প আজ প্রণালি বন্ধের জেরে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছেন। এটা আসলে চরম হতাশা আর ক্ষোভ থেকে আসা অশ্লীলতা ও আজেবাজে কথা ছাড়া আর কিছু নয়।
এদিকে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন ট্রাম্পের ওই হুমকির নিন্দা জানিয়ে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট দেশটির বেসামরিক জনগণের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অবকাঠামো ধ্বংস করার হুমকি দিচ্ছেন। এটি যুদ্ধাপরাধ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইরানি মিশন এসব কথা বলেছে। তারা জানায়, জাতিসংঘের বিবেক যদি জাগ্রত থাকত, তাহলে যুদ্ধবাজ মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার এমন প্রকাশ্য ও নির্লজ্জ হুমকির মুখে তারা নীরব থাকত না। ট্রাম্প এই অঞ্চলকে একটি অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে চাইছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এটি বেসামরিক নাগরিকদের আতঙ্কিত করার সরাসরি ও প্রকাশ্য উসকানি এবং যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের ইচ্ছার স্পষ্ট প্রমাণ।
জাতিসংঘ ইরানি মিশন বলছে, ‘‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং সকল রাষ্ট্রের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে যুদ্ধাপরাধের মতো এ ধরনের নৃশংসতা প্রতিরোধ করার। তাদের এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। আগামীকাল অনেক দেরি হয়ে যাবে।’
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালি খোলার যে শর্ত দিলো ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত আরও জটিল আকার ধারণ করছে। বিশ্বের জ্বালানি তেল বাণিজ্যের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা এই প্রণালি খুলতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যথায় ইরানকে ‘নরক’ দেখিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি। তবে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ পেলেই কেবল হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে ইরান।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দেশটির প্রেসিডেন্টের দপ্তরের যোগাযোগ বিষয়ক উপ-প্রধান সাইয়্যেদ মেহদি তাবাতাবায়ী ওই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি হয়ে চলাচলকারী জাহাজের ট্রানজিট ফির ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ট্রাম্প আজ প্রণালি বন্ধের জেরে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছেন। এটা আসলে চরম হতাশা আর ক্ষোভ থেকে আসা অশ্লীলতা ও আজেবাজে কথা ছাড়া আর কিছু নয়।
এদিকে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন ট্রাম্পের ওই হুমকির নিন্দা জানিয়ে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট দেশটির বেসামরিক জনগণের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অবকাঠামো ধ্বংস করার হুমকি দিচ্ছেন। এটি যুদ্ধাপরাধ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইরানি মিশন এসব কথা বলেছে। তারা জানায়, জাতিসংঘের বিবেক যদি জাগ্রত থাকত, তাহলে যুদ্ধবাজ মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার এমন প্রকাশ্য ও নির্লজ্জ হুমকির মুখে তারা নীরব থাকত না। ট্রাম্প এই অঞ্চলকে একটি অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে চাইছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এটি বেসামরিক নাগরিকদের আতঙ্কিত করার সরাসরি ও প্রকাশ্য উসকানি এবং যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের ইচ্ছার স্পষ্ট প্রমাণ।
জাতিসংঘ ইরানি মিশন বলছে, ‘‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং সকল রাষ্ট্রের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে যুদ্ধাপরাধের মতো এ ধরনের নৃশংসতা প্রতিরোধ করার। তাদের এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। আগামীকাল অনেক দেরি হয়ে যাবে।’
সূত্র: আল জাজিরা




