এমপিদের গাড়ি নিয়ে সরগরম সংসদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

এমপিদের গাড়ি নিয়ে সরগরম সংসদ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৫৩

শুক্রবার সংসদ অধিবেশন মুলতবি করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য পরিদর্শন কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি একথা জানান।
প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বসার জায়গা করেছেন, এখন যদি মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য একটা গাড়ির ব্যবস্থা করেন তাহলে ভালো হয়।
এমপিদের গাড়ি প্রসঙ্গে সরকার ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের বাগযুদ্ধে সরগরম হয়ে ওঠে এদিন বিকালের অধিবেশন।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, সকল সংসদ সদস্যদের জন্য একটি সম্মানজনক খবর দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছি। সংসদ সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, উপজেলা পরিষদে গেলে বসার জায়গা থাকে না। তারা কোথাও বসতে পারেন না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রত্যেক উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলায় অ্যাটাস্ট বাথরুম ও আসবাবপত্রসহ একটি রুম প্রস্তুতের জন্য জিও ইস্যু করেছি। ইউএনওদের আদেশ দিয়েছি এবং অচিরেই সকল নতুন ও পুরাতন ভবনে পরিদর্শন কক্ষ নামে এ রুম তৈরি হবে। যেহেতু সংসদ সদস্যদের নামে রুম বরাদ্দের কোনো বিধান নাই, তাই পরিদর্শন কক্ষটি নামে কক্ষটি থাকবে।
প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পর হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমি সবসময় বিরোধিতার জন্য দাঁড়াই। কিন্তু আজ ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভালো সিদ্ধান্তের জন্য। আমরা লজ্জায় একটা কথা বলি না। এ সংসদে সবচেয়ে ছোট হিসাবে একটা কথা বলছি, আমাদের ইউএনওদের গাড়ি থাকে, উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি থাকে, কিন্তু আমাদের চলতে হয় ভাড়া গাড়িতে। আমাদের জন্য বসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, এখন যদি মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য গাড়ি ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়, তাহলে ভালো হতো।
এ সময় ফ্লোর নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আজকে এমপিদের প্রাপ্তির পরে অপ্রাপ্তির খবরটা বলতে চাচ্ছিলাম না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেদিন সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন, সেদিন আমাদের পার্লামেন্টরি মিটিংয়ে প্রথমে ২টি অনুশাসন দিয়েছেন যে, আমরা এমপিরা জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আলাদা কোনো সুযোগ-সুবিধা নেব না। সেই অনুশাসন আইন সংশোধন করবে যে, এই মহান জাতীয় সংসদে আমরা ট্যাক্স ফ্রি কোনো গাড়ি নেব না।
তিনি বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য বসার অফিস পেয়ে খুশি হয়েছেন, এখন গাড়ি না পেলে অখুশি হবেন, সেজন্য সংসদ সদস্যদের জন্য কীভাবে কী করা যায় যানবাহনের ব্যবস্থা, তা আলাদাভাবে আলোচনা করা যেতে পারে।
এদিকে, ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদে বলেন, অফিসের ব্যবস্থা করায় আমি ধন্যবাদ জানাই। তবে একটা কথা আছে, ছোটদের আবদার না করতে নাই। ছোটদের আবদারে সবসময় ‘হ্যাঁ’ বলতে হয়।
তিনি বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ বলে ফেলেছেন, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ‘না না’ বললে আমি বেশি খুশি হতাম। আমি চিন্তা করেছিলাম যে, এত বড় খবরের পর বিরোধী দল থেকে কিছু মিষ্টি খাইয়ে দেব।

উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য পরিদর্শন কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি একথা জানান।
প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বসার জায়গা করেছেন, এখন যদি মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য একটা গাড়ির ব্যবস্থা করেন তাহলে ভালো হয়।
এমপিদের গাড়ি প্রসঙ্গে সরকার ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের বাগযুদ্ধে সরগরম হয়ে ওঠে এদিন বিকালের অধিবেশন।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, সকল সংসদ সদস্যদের জন্য একটি সম্মানজনক খবর দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছি। সংসদ সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, উপজেলা পরিষদে গেলে বসার জায়গা থাকে না। তারা কোথাও বসতে পারেন না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রত্যেক উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলায় অ্যাটাস্ট বাথরুম ও আসবাবপত্রসহ একটি রুম প্রস্তুতের জন্য জিও ইস্যু করেছি। ইউএনওদের আদেশ দিয়েছি এবং অচিরেই সকল নতুন ও পুরাতন ভবনে পরিদর্শন কক্ষ নামে এ রুম তৈরি হবে। যেহেতু সংসদ সদস্যদের নামে রুম বরাদ্দের কোনো বিধান নাই, তাই পরিদর্শন কক্ষটি নামে কক্ষটি থাকবে।
প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পর হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমি সবসময় বিরোধিতার জন্য দাঁড়াই। কিন্তু আজ ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভালো সিদ্ধান্তের জন্য। আমরা লজ্জায় একটা কথা বলি না। এ সংসদে সবচেয়ে ছোট হিসাবে একটা কথা বলছি, আমাদের ইউএনওদের গাড়ি থাকে, উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি থাকে, কিন্তু আমাদের চলতে হয় ভাড়া গাড়িতে। আমাদের জন্য বসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, এখন যদি মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য গাড়ি ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়, তাহলে ভালো হতো।
এ সময় ফ্লোর নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আজকে এমপিদের প্রাপ্তির পরে অপ্রাপ্তির খবরটা বলতে চাচ্ছিলাম না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেদিন সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন, সেদিন আমাদের পার্লামেন্টরি মিটিংয়ে প্রথমে ২টি অনুশাসন দিয়েছেন যে, আমরা এমপিরা জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আলাদা কোনো সুযোগ-সুবিধা নেব না। সেই অনুশাসন আইন সংশোধন করবে যে, এই মহান জাতীয় সংসদে আমরা ট্যাক্স ফ্রি কোনো গাড়ি নেব না।
তিনি বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য বসার অফিস পেয়ে খুশি হয়েছেন, এখন গাড়ি না পেলে অখুশি হবেন, সেজন্য সংসদ সদস্যদের জন্য কীভাবে কী করা যায় যানবাহনের ব্যবস্থা, তা আলাদাভাবে আলোচনা করা যেতে পারে।
এদিকে, ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদে বলেন, অফিসের ব্যবস্থা করায় আমি ধন্যবাদ জানাই। তবে একটা কথা আছে, ছোটদের আবদার না করতে নাই। ছোটদের আবদারে সবসময় ‘হ্যাঁ’ বলতে হয়।
তিনি বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ বলে ফেলেছেন, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ‘না না’ বললে আমি বেশি খুশি হতাম। আমি চিন্তা করেছিলাম যে, এত বড় খবরের পর বিরোধী দল থেকে কিছু মিষ্টি খাইয়ে দেব।

এমপিদের গাড়ি নিয়ে সরগরম সংসদ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৫৩

শুক্রবার সংসদ অধিবেশন মুলতবি করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য পরিদর্শন কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি একথা জানান।
প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বসার জায়গা করেছেন, এখন যদি মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য একটা গাড়ির ব্যবস্থা করেন তাহলে ভালো হয়।
এমপিদের গাড়ি প্রসঙ্গে সরকার ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের বাগযুদ্ধে সরগরম হয়ে ওঠে এদিন বিকালের অধিবেশন।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, সকল সংসদ সদস্যদের জন্য একটি সম্মানজনক খবর দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছি। সংসদ সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, উপজেলা পরিষদে গেলে বসার জায়গা থাকে না। তারা কোথাও বসতে পারেন না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রত্যেক উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলায় অ্যাটাস্ট বাথরুম ও আসবাবপত্রসহ একটি রুম প্রস্তুতের জন্য জিও ইস্যু করেছি। ইউএনওদের আদেশ দিয়েছি এবং অচিরেই সকল নতুন ও পুরাতন ভবনে পরিদর্শন কক্ষ নামে এ রুম তৈরি হবে। যেহেতু সংসদ সদস্যদের নামে রুম বরাদ্দের কোনো বিধান নাই, তাই পরিদর্শন কক্ষটি নামে কক্ষটি থাকবে।
প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পর হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমি সবসময় বিরোধিতার জন্য দাঁড়াই। কিন্তু আজ ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভালো সিদ্ধান্তের জন্য। আমরা লজ্জায় একটা কথা বলি না। এ সংসদে সবচেয়ে ছোট হিসাবে একটা কথা বলছি, আমাদের ইউএনওদের গাড়ি থাকে, উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি থাকে, কিন্তু আমাদের চলতে হয় ভাড়া গাড়িতে। আমাদের জন্য বসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, এখন যদি মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য গাড়ি ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়, তাহলে ভালো হতো।
এ সময় ফ্লোর নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আজকে এমপিদের প্রাপ্তির পরে অপ্রাপ্তির খবরটা বলতে চাচ্ছিলাম না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেদিন সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন, সেদিন আমাদের পার্লামেন্টরি মিটিংয়ে প্রথমে ২টি অনুশাসন দিয়েছেন যে, আমরা এমপিরা জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আলাদা কোনো সুযোগ-সুবিধা নেব না। সেই অনুশাসন আইন সংশোধন করবে যে, এই মহান জাতীয় সংসদে আমরা ট্যাক্স ফ্রি কোনো গাড়ি নেব না।
তিনি বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য বসার অফিস পেয়ে খুশি হয়েছেন, এখন গাড়ি না পেলে অখুশি হবেন, সেজন্য সংসদ সদস্যদের জন্য কীভাবে কী করা যায় যানবাহনের ব্যবস্থা, তা আলাদাভাবে আলোচনা করা যেতে পারে।
এদিকে, ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদে বলেন, অফিসের ব্যবস্থা করায় আমি ধন্যবাদ জানাই। তবে একটা কথা আছে, ছোটদের আবদার না করতে নাই। ছোটদের আবদারে সবসময় ‘হ্যাঁ’ বলতে হয়।
তিনি বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ বলে ফেলেছেন, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ‘না না’ বললে আমি বেশি খুশি হতাম। আমি চিন্তা করেছিলাম যে, এত বড় খবরের পর বিরোধী দল থেকে কিছু মিষ্টি খাইয়ে দেব।
/এসবি/




