কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ, দপ্তরি গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ, দপ্তরি গ্রেপ্তার
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনা ঘটে।
ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার মা গতকাল শুক্রবার একই বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। অভিযুক্ত দপ্তরিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পরিবার ও মিরপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ওই বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। যষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। বেলা তিনটার দিকে অনুষ্ঠান শেষে সবাই বাড়ি ফিরে যায়। কিন্তু ওই ছাত্রী বাড়ি না ফেরায় তাকে খুঁজতে বের হন পরিবারের সদস্যরা। একপর্যায়ে শিশুটির পরিবারের কয়েকজন সদস্য বিদ্যালয়ে যান এবং দপ্তরির কাছে ওই ছাত্রী কোথায় আছে তা জানতে চান।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর এক আত্মীয়ের অভিযোগ, তারা বিদ্যালয়ে গিয়ে দপ্তরিকে শ্রেণিকক্ষগুলোর তালা খোলার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু দপ্তরি তাদের অনুরোধে শ্রেণিকক্ষগুলোর তালা না খুলে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।
এ পরিস্থিতিতে রাত আটটার দিকে ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি তাকে জানান। পরে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে শ্রেণিকক্ষগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে ওই ছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চিকিৎসকেরা তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম বলেন, ওই স্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই স্কুলছাত্রীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই ছাত্রী ভয়ংকর ঘটনার কথা ভুলতে পারছে না। সে একধরনের আতঙ্কের মধ্যে আছে।

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনা ঘটে।
ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার মা গতকাল শুক্রবার একই বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। অভিযুক্ত দপ্তরিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পরিবার ও মিরপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ওই বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। যষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। বেলা তিনটার দিকে অনুষ্ঠান শেষে সবাই বাড়ি ফিরে যায়। কিন্তু ওই ছাত্রী বাড়ি না ফেরায় তাকে খুঁজতে বের হন পরিবারের সদস্যরা। একপর্যায়ে শিশুটির পরিবারের কয়েকজন সদস্য বিদ্যালয়ে যান এবং দপ্তরির কাছে ওই ছাত্রী কোথায় আছে তা জানতে চান।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর এক আত্মীয়ের অভিযোগ, তারা বিদ্যালয়ে গিয়ে দপ্তরিকে শ্রেণিকক্ষগুলোর তালা খোলার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু দপ্তরি তাদের অনুরোধে শ্রেণিকক্ষগুলোর তালা না খুলে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।
এ পরিস্থিতিতে রাত আটটার দিকে ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি তাকে জানান। পরে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে শ্রেণিকক্ষগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে ওই ছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চিকিৎসকেরা তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম বলেন, ওই স্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই স্কুলছাত্রীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই ছাত্রী ভয়ংকর ঘটনার কথা ভুলতে পারছে না। সে একধরনের আতঙ্কের মধ্যে আছে।

কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ, দপ্তরি গ্রেপ্তার
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনা ঘটে।
ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার মা গতকাল শুক্রবার একই বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। অভিযুক্ত দপ্তরিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পরিবার ও মিরপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ওই বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। যষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। বেলা তিনটার দিকে অনুষ্ঠান শেষে সবাই বাড়ি ফিরে যায়। কিন্তু ওই ছাত্রী বাড়ি না ফেরায় তাকে খুঁজতে বের হন পরিবারের সদস্যরা। একপর্যায়ে শিশুটির পরিবারের কয়েকজন সদস্য বিদ্যালয়ে যান এবং দপ্তরির কাছে ওই ছাত্রী কোথায় আছে তা জানতে চান।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর এক আত্মীয়ের অভিযোগ, তারা বিদ্যালয়ে গিয়ে দপ্তরিকে শ্রেণিকক্ষগুলোর তালা খোলার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু দপ্তরি তাদের অনুরোধে শ্রেণিকক্ষগুলোর তালা না খুলে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।
এ পরিস্থিতিতে রাত আটটার দিকে ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি তাকে জানান। পরে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে শ্রেণিকক্ষগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে ওই ছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চিকিৎসকেরা তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম বলেন, ওই স্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই স্কুলছাত্রীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই ছাত্রী ভয়ংকর ঘটনার কথা ভুলতে পারছে না। সে একধরনের আতঙ্কের মধ্যে আছে।




