মার্কিন-ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন-ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ১১

জ্বলন্ত ট্যাংকার থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ছে। ছবি: এফপি
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) তাদের নৌবাহিনীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ৯৭তম ধাপের অংশ হিসেবে রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকালে এ হামলা চালানো হয়।
আইআরজিসি জানিয়েছে, কুয়েতের মোহাম্মদ আল-আহমাদ নৌঘাঁটির কাছে অবস্থিত আমেরিকান কমান্ডার ও কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত একটি গোপন আস্তানা একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যাপক উপস্থিতি শত্রু বাহিনীর ব্যাপক হতাহতের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আগে শনিবার (৪ এপ্রিল) সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে হামলায় অন্তত ২৫ জন হতাহত হন।
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে একটি ইসরায়েলি বাণিজ্যিক জাহাজ আইআরজিসি'র কাদির ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জাহাজটিতে আগুন লেগেছে। আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, শনিবার থেকে অনুমতিহীন বেশ কয়েকটি জাহাজকে আটকে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে থাকা জাহাজগুলোকে প্রণালি অতিক্রমের জন্য আইআরজিসি নৌবাহিনীর স্টেশনের সাথে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
এছাড়াও আইআরজিসি'র অ্যারোস্পেস ফোর্স বীরশেবায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্ট একটি শিল্পাঞ্চলেও হামলা চালিয়েছে। রবিবার সকালে ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে শত্রু লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালানো হয়। আইআরজিসি সতর্ক করেছে, বেসামরিক স্থাপনায় হামলা অব্যাহত থাকলে পরবর্তী পদক্ষেপ আরও তীব্র হবে। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি ও মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সর্বমোট ৯৭টি ধাপে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
সূত্র: প্রেস টিভি

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) তাদের নৌবাহিনীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ৯৭তম ধাপের অংশ হিসেবে রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকালে এ হামলা চালানো হয়।
আইআরজিসি জানিয়েছে, কুয়েতের মোহাম্মদ আল-আহমাদ নৌঘাঁটির কাছে অবস্থিত আমেরিকান কমান্ডার ও কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত একটি গোপন আস্তানা একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যাপক উপস্থিতি শত্রু বাহিনীর ব্যাপক হতাহতের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আগে শনিবার (৪ এপ্রিল) সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে হামলায় অন্তত ২৫ জন হতাহত হন।
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে একটি ইসরায়েলি বাণিজ্যিক জাহাজ আইআরজিসি'র কাদির ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জাহাজটিতে আগুন লেগেছে। আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, শনিবার থেকে অনুমতিহীন বেশ কয়েকটি জাহাজকে আটকে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে থাকা জাহাজগুলোকে প্রণালি অতিক্রমের জন্য আইআরজিসি নৌবাহিনীর স্টেশনের সাথে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
এছাড়াও আইআরজিসি'র অ্যারোস্পেস ফোর্স বীরশেবায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্ট একটি শিল্পাঞ্চলেও হামলা চালিয়েছে। রবিবার সকালে ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে শত্রু লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালানো হয়। আইআরজিসি সতর্ক করেছে, বেসামরিক স্থাপনায় হামলা অব্যাহত থাকলে পরবর্তী পদক্ষেপ আরও তীব্র হবে। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি ও মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সর্বমোট ৯৭টি ধাপে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
সূত্র: প্রেস টিভি

মার্কিন-ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ১১

জ্বলন্ত ট্যাংকার থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ছে। ছবি: এফপি
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) তাদের নৌবাহিনীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ৯৭তম ধাপের অংশ হিসেবে রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকালে এ হামলা চালানো হয়।
আইআরজিসি জানিয়েছে, কুয়েতের মোহাম্মদ আল-আহমাদ নৌঘাঁটির কাছে অবস্থিত আমেরিকান কমান্ডার ও কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত একটি গোপন আস্তানা একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যাপক উপস্থিতি শত্রু বাহিনীর ব্যাপক হতাহতের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আগে শনিবার (৪ এপ্রিল) সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে হামলায় অন্তত ২৫ জন হতাহত হন।
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে একটি ইসরায়েলি বাণিজ্যিক জাহাজ আইআরজিসি'র কাদির ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জাহাজটিতে আগুন লেগেছে। আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, শনিবার থেকে অনুমতিহীন বেশ কয়েকটি জাহাজকে আটকে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে থাকা জাহাজগুলোকে প্রণালি অতিক্রমের জন্য আইআরজিসি নৌবাহিনীর স্টেশনের সাথে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
এছাড়াও আইআরজিসি'র অ্যারোস্পেস ফোর্স বীরশেবায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্ট একটি শিল্পাঞ্চলেও হামলা চালিয়েছে। রবিবার সকালে ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে শত্রু লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালানো হয়। আইআরজিসি সতর্ক করেছে, বেসামরিক স্থাপনায় হামলা অব্যাহত থাকলে পরবর্তী পদক্ষেপ আরও তীব্র হবে। এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি ও মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সর্বমোট ৯৭টি ধাপে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
সূত্র: প্রেস টিভি
/এমএকে/




