শিরোনাম

মসজিদ মন্দির বৌদ্ধ বিহারে কে কত মাসিক সম্মানি পেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
মসজিদ মন্দির বৌদ্ধ বিহারে কে কত মাসিক সম্মানি পেলেন
ছবি: সংগৃহীত

মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইত এবং বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের জন্য মাসিক সম্মানি দেওয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া দরিদ্রদের সহায়তায় প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) ধর্ম মন্ত্রণালয় এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সম্মানী প্রদানের এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

১ম পর্যায়ে একটি পাইলট স্কিমের আওতায় গত ঈদুল ফিতরের আগে প্রতিটি ইউনিয়ন এবং প্রতিটি পৌরসভা থেকে ১টি করে মোট ৪,৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সম্মানী ভাতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি উপজেলা হতে ২টি করে মোট ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত এবং বৌদ্ধ বিহার রয়েছে এমন ৭২টি উপজেলার প্রতিটি হতে ২টি করে মোট ১৪৪টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ধর্মগুরুরা সম্মানী ভাতা পেয়েছেন।

প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা করে মাসিক সম্মানী বরাদ্দ হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পেয়েছেন। মন্দিরের জন্য বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা, পুরোহিত ৫ হাজার এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা করে পেয়েছেন। এছাড়া বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পেয়েছেন।

প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে ১ হাজার টাকা করে এবং দুর্গাপুজা, বৌদ্ধ পুর্ণিমা ও বড়দিনে সংশ্লিষ্ট পুরোহিত, সেবাইত, বিহার অধ্যক্ষ, বিহার উপাধ্যক্ষকে ২ হাজার করে উৎসব ভাতা দেওয়া হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ৪ অর্থবছরে ৪টি ধাপে দেশের সব মসজিদ, মন্দির ও বৌদ্ধবিহারকে মাসিক সম্মানী ভাতা কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। এ বাবদ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১১০০ কোটি টাকা, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২২০০ কোটি টাকা, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৩৩০০ কোটি টাকা এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৪৪০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।

/এফসি/