‘ব্যাংকেই যদি নিরাপত্তা না থাকে, টাকা রাখবো কোথায়’

‘ব্যাংকেই যদি নিরাপত্তা না থাকে, টাকা রাখবো কোথায়’
সিটিজেন ডেস্ক

অর্থ ফেরত না পেয়ে হতাশা ও ক্ষোভ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকের ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারীরা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ ভুক্তভোগী ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে তারা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া গ্রাহকদের অভিযোগ, ব্যাংকে জমা রাখা নিজের টাকাই এখন তুলতে পারছেন না তারা। এতে জীবিকা ও ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
একজন আমানতকারী বলেন, ‘ডাকাতের ভয়ে ঘরে টাকা রাখিনি, তাই ব্যাংকে রেখেছিলাম। এখন দেখি এখানেও নিরাপত্তা নেই। তাহলে আমরা কোথায় টাকা রাখব?’
এক্সিম ব্যাংকের এক গ্রাহক জানান, ছোট ব্যবসা করে অল্প অল্প করে জমানো টাকায় একটি ডিপোজিট করেছিলেন, যার মেয়াদ গত ডিসেম্বরেই শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনো সেই টাকা তুলতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘ঈদের সময় পুঁজির অভাবে ব্যবসা করতে পারিনি। নিজের টাকা ব্যাংকে আটকে আছে, এটা মেনে নেওয়া কঠিন।’
নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা আরেক গ্রাহক অভিযোগ করেন, ব্যাংক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও অনিয়মের কারণে আমানতকারীদের এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যারা ঋণের নামে অর্থ লুট করেছে, তাদের দায় আমরা কেন নেব?’
আন্দোলনকারীরা দুটি দাবি জানান– সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর আরোপিত ‘হেয়ার কাট’ প্রত্যাহার এবং দ্রুত স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন চালু করা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানান, শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গত ডিসেম্বর থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে। আমানত ফেরত দিতে একটি বিশেষ স্কিম চালু রয়েছে।
এই স্কিম অনুযায়ী, একজন গ্রাহক প্রথম ধাপে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা তুলতে পারবেন। দুই লাখ টাকার বেশি আমানতের ক্ষেত্রে প্রতি তিন মাস অন্তর সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা করে উত্তোলনের সুযোগ থাকবে। পুরো টাকা তুলতে সময় লাগতে পারে প্রায় ২১ মাস।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, নতুন এই ব্যাংকের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং অতীতে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করে। প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই ব্যাংকের জন্য সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। পাশাপাশি আমানতকারীদের সহায়তায় বিভিন্ন তহবিল থেকেও অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

অর্থ ফেরত না পেয়ে হতাশা ও ক্ষোভ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকের ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারীরা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ ভুক্তভোগী ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে তারা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া গ্রাহকদের অভিযোগ, ব্যাংকে জমা রাখা নিজের টাকাই এখন তুলতে পারছেন না তারা। এতে জীবিকা ও ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
একজন আমানতকারী বলেন, ‘ডাকাতের ভয়ে ঘরে টাকা রাখিনি, তাই ব্যাংকে রেখেছিলাম। এখন দেখি এখানেও নিরাপত্তা নেই। তাহলে আমরা কোথায় টাকা রাখব?’
এক্সিম ব্যাংকের এক গ্রাহক জানান, ছোট ব্যবসা করে অল্প অল্প করে জমানো টাকায় একটি ডিপোজিট করেছিলেন, যার মেয়াদ গত ডিসেম্বরেই শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনো সেই টাকা তুলতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘ঈদের সময় পুঁজির অভাবে ব্যবসা করতে পারিনি। নিজের টাকা ব্যাংকে আটকে আছে, এটা মেনে নেওয়া কঠিন।’
নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা আরেক গ্রাহক অভিযোগ করেন, ব্যাংক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও অনিয়মের কারণে আমানতকারীদের এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যারা ঋণের নামে অর্থ লুট করেছে, তাদের দায় আমরা কেন নেব?’
আন্দোলনকারীরা দুটি দাবি জানান– সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর আরোপিত ‘হেয়ার কাট’ প্রত্যাহার এবং দ্রুত স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন চালু করা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানান, শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গত ডিসেম্বর থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে। আমানত ফেরত দিতে একটি বিশেষ স্কিম চালু রয়েছে।
এই স্কিম অনুযায়ী, একজন গ্রাহক প্রথম ধাপে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা তুলতে পারবেন। দুই লাখ টাকার বেশি আমানতের ক্ষেত্রে প্রতি তিন মাস অন্তর সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা করে উত্তোলনের সুযোগ থাকবে। পুরো টাকা তুলতে সময় লাগতে পারে প্রায় ২১ মাস।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, নতুন এই ব্যাংকের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং অতীতে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করে। প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই ব্যাংকের জন্য সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। পাশাপাশি আমানতকারীদের সহায়তায় বিভিন্ন তহবিল থেকেও অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

‘ব্যাংকেই যদি নিরাপত্তা না থাকে, টাকা রাখবো কোথায়’
সিটিজেন ডেস্ক

অর্থ ফেরত না পেয়ে হতাশা ও ক্ষোভ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংকের ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারীরা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ ভুক্তভোগী ব্যাংক আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে তারা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া গ্রাহকদের অভিযোগ, ব্যাংকে জমা রাখা নিজের টাকাই এখন তুলতে পারছেন না তারা। এতে জীবিকা ও ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
একজন আমানতকারী বলেন, ‘ডাকাতের ভয়ে ঘরে টাকা রাখিনি, তাই ব্যাংকে রেখেছিলাম। এখন দেখি এখানেও নিরাপত্তা নেই। তাহলে আমরা কোথায় টাকা রাখব?’
এক্সিম ব্যাংকের এক গ্রাহক জানান, ছোট ব্যবসা করে অল্প অল্প করে জমানো টাকায় একটি ডিপোজিট করেছিলেন, যার মেয়াদ গত ডিসেম্বরেই শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনো সেই টাকা তুলতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘ঈদের সময় পুঁজির অভাবে ব্যবসা করতে পারিনি। নিজের টাকা ব্যাংকে আটকে আছে, এটা মেনে নেওয়া কঠিন।’
নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা আরেক গ্রাহক অভিযোগ করেন, ব্যাংক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও অনিয়মের কারণে আমানতকারীদের এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যারা ঋণের নামে অর্থ লুট করেছে, তাদের দায় আমরা কেন নেব?’
আন্দোলনকারীরা দুটি দাবি জানান– সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর আরোপিত ‘হেয়ার কাট’ প্রত্যাহার এবং দ্রুত স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন চালু করা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানান, শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গত ডিসেম্বর থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে। আমানত ফেরত দিতে একটি বিশেষ স্কিম চালু রয়েছে।
এই স্কিম অনুযায়ী, একজন গ্রাহক প্রথম ধাপে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা তুলতে পারবেন। দুই লাখ টাকার বেশি আমানতের ক্ষেত্রে প্রতি তিন মাস অন্তর সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা করে উত্তোলনের সুযোগ থাকবে। পুরো টাকা তুলতে সময় লাগতে পারে প্রায় ২১ মাস।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, নতুন এই ব্যাংকের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং অতীতে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করে। প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই ব্যাংকের জন্য সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। পাশাপাশি আমানতকারীদের সহায়তায় বিভিন্ন তহবিল থেকেও অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে : কেন্দ্রীয় ব্যাংক


