ইরানের রেল নেটওয়ার্ককে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখাতে চাইছে ইসরায়েল

ইরানের রেল নেটওয়ার্ককে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখাতে চাইছে ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রেডিওর উদ্ধৃতি দিয়ে নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, ইরানের রেল নেটওয়ার্ক দেশজুড়ে অস্ত্র পাচার ও পরিবহনের মাধ্যমে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সামরিক কার্যক্রম জোরদারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এই যুক্তির মাধ্যমেই ইসরায়েল বিভিন্ন দেশে এমন বার্তা দিতে চায় যে তাদের লক্ষ্যবস্তুগুলো বৈধ। গাজায়ও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গেছে, যেখানে ইসরায়েলি বাহিনী একাধিক স্বাস্থ্যসেবা স্থাপনায় হামলা চালায়।
ইরানের ক্ষেত্রে দেশটির সরকারকে সহায়তা করে এমন যেকোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ইসরায়েল। এখন তারা লক্ষ্যবস্তুর তালিকা আরও বাড়াচ্ছে। কারণ ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো টিকে আছে এবং দুর্বল হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলে ইরানিদের নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে উসকে দেওয়ার কৌশলও নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই কৌশল ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ যারা সরকারকে সমর্থন করে না, তারাও হয়তো সরকারের পক্ষেই সমবেত হতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রেডিওর উদ্ধৃতি দিয়ে নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, ইরানের রেল নেটওয়ার্ক দেশজুড়ে অস্ত্র পাচার ও পরিবহনের মাধ্যমে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সামরিক কার্যক্রম জোরদারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এই যুক্তির মাধ্যমেই ইসরায়েল বিভিন্ন দেশে এমন বার্তা দিতে চায় যে তাদের লক্ষ্যবস্তুগুলো বৈধ। গাজায়ও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গেছে, যেখানে ইসরায়েলি বাহিনী একাধিক স্বাস্থ্যসেবা স্থাপনায় হামলা চালায়।
ইরানের ক্ষেত্রে দেশটির সরকারকে সহায়তা করে এমন যেকোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ইসরায়েল। এখন তারা লক্ষ্যবস্তুর তালিকা আরও বাড়াচ্ছে। কারণ ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো টিকে আছে এবং দুর্বল হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলে ইরানিদের নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে উসকে দেওয়ার কৌশলও নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই কৌশল ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ যারা সরকারকে সমর্থন করে না, তারাও হয়তো সরকারের পক্ষেই সমবেত হতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের রেল নেটওয়ার্ককে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখাতে চাইছে ইসরায়েল
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রেডিওর উদ্ধৃতি দিয়ে নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, ইরানের রেল নেটওয়ার্ক দেশজুড়ে অস্ত্র পাচার ও পরিবহনের মাধ্যমে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সামরিক কার্যক্রম জোরদারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এই যুক্তির মাধ্যমেই ইসরায়েল বিভিন্ন দেশে এমন বার্তা দিতে চায় যে তাদের লক্ষ্যবস্তুগুলো বৈধ। গাজায়ও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গেছে, যেখানে ইসরায়েলি বাহিনী একাধিক স্বাস্থ্যসেবা স্থাপনায় হামলা চালায়।
ইরানের ক্ষেত্রে দেশটির সরকারকে সহায়তা করে এমন যেকোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ইসরায়েল। এখন তারা লক্ষ্যবস্তুর তালিকা আরও বাড়াচ্ছে। কারণ ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনো টিকে আছে এবং দুর্বল হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলে ইরানিদের নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে উসকে দেওয়ার কৌশলও নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই কৌশল ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ যারা সরকারকে সমর্থন করে না, তারাও হয়তো সরকারের পক্ষেই সমবেত হতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা




