জবির ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ছাদে কক্ষ নির্মাণ, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

জবির ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ছাদে কক্ষ নির্মাণ, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা
জবি প্রতিনিধি

সম্প্রতি গণিত বিভাগের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখার বিতর্কের মধ্যেই এবার বিজ্ঞান ভবনের ছাদে নতুন কক্ষ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, বিজ্ঞান ভবনের ছাদের ওপর ইটের গাঁথুনির কাজ চলমান। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের জন্য নতুন কক্ষ নির্মাণের উদ্যোগ হিসেবে এ কাজ করা হচ্ছে। তবে এরইমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত থাকার প্রেক্ষাপটে এমন নির্মাণ কার্যক্রমকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা।
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের পর ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে দায়িত্ব দেয়। বিশেষজ্ঞরা জরিপ শেষে তাদের প্রতিবেদন জমা দেন, যেখানে বিজ্ঞান ভবনসহ ৪টি ভবনকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, সম্প্রতি গণিত বিভাগের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পরও প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দিচ্ছে, যা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়। দ্রুত এ ধরনের কাজ বন্ধ করে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে ভবনের নিরাপত্তা যাচাইয়ের দাবি জানান তারা।
রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রাবেয়া বহ্নি বলেন, আমরা প্রতিদিন এক ধরনের আতঙ্ক নিয়ে ক্লাস করতে আসি। আমরা চাই প্রশাসন আগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিক, তারপর অন্য কোনো উন্নয়ন কাজ হাতে নিক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে যদি নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তায় থাকতে হয়, তাহলে সেটি খুবই দুঃখজনক। আমরা দেখছি একের পর এক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। এর মধ্যে আবার নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু হওয়া আমাদের জন্য আরও ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত এই কাজ বন্ধ করে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পুরো ভবনের নিরাপত্তা যাচাই করা জরুরি বলে আমরা মনে করি।
এর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস কার্যক্রম, ভবন সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রেট্রোফিটিং, বিকল্প স্থানে ক্লাস নেওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের কথা জানিয়েছিল। তবে বাস্তব চিত্রে ভবনে নতুন নির্মাণ কার্যক্রম চলতে থাকায় সেই আশ্বাসের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, বিজ্ঞান ভবনের ছাদে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের জন্য কয়েকটি নতুন কক্ষ নির্মাণ করা হচ্ছে। এ কাজ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সব প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়েছে।নির্ধারিত নিয়মনীতি মেনেই নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি গণিত বিভাগের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখার বিতর্কের মধ্যেই এবার বিজ্ঞান ভবনের ছাদে নতুন কক্ষ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, বিজ্ঞান ভবনের ছাদের ওপর ইটের গাঁথুনির কাজ চলমান। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের জন্য নতুন কক্ষ নির্মাণের উদ্যোগ হিসেবে এ কাজ করা হচ্ছে। তবে এরইমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত থাকার প্রেক্ষাপটে এমন নির্মাণ কার্যক্রমকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা।
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের পর ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে দায়িত্ব দেয়। বিশেষজ্ঞরা জরিপ শেষে তাদের প্রতিবেদন জমা দেন, যেখানে বিজ্ঞান ভবনসহ ৪টি ভবনকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, সম্প্রতি গণিত বিভাগের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পরও প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দিচ্ছে, যা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়। দ্রুত এ ধরনের কাজ বন্ধ করে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে ভবনের নিরাপত্তা যাচাইয়ের দাবি জানান তারা।
রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রাবেয়া বহ্নি বলেন, আমরা প্রতিদিন এক ধরনের আতঙ্ক নিয়ে ক্লাস করতে আসি। আমরা চাই প্রশাসন আগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিক, তারপর অন্য কোনো উন্নয়ন কাজ হাতে নিক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে যদি নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তায় থাকতে হয়, তাহলে সেটি খুবই দুঃখজনক। আমরা দেখছি একের পর এক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। এর মধ্যে আবার নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু হওয়া আমাদের জন্য আরও ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত এই কাজ বন্ধ করে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পুরো ভবনের নিরাপত্তা যাচাই করা জরুরি বলে আমরা মনে করি।
এর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস কার্যক্রম, ভবন সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রেট্রোফিটিং, বিকল্প স্থানে ক্লাস নেওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের কথা জানিয়েছিল। তবে বাস্তব চিত্রে ভবনে নতুন নির্মাণ কার্যক্রম চলতে থাকায় সেই আশ্বাসের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, বিজ্ঞান ভবনের ছাদে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের জন্য কয়েকটি নতুন কক্ষ নির্মাণ করা হচ্ছে। এ কাজ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সব প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়েছে।নির্ধারিত নিয়মনীতি মেনেই নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

জবির ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ছাদে কক্ষ নির্মাণ, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা
জবি প্রতিনিধি

সম্প্রতি গণিত বিভাগের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখার বিতর্কের মধ্যেই এবার বিজ্ঞান ভবনের ছাদে নতুন কক্ষ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, বিজ্ঞান ভবনের ছাদের ওপর ইটের গাঁথুনির কাজ চলমান। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের জন্য নতুন কক্ষ নির্মাণের উদ্যোগ হিসেবে এ কাজ করা হচ্ছে। তবে এরইমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত থাকার প্রেক্ষাপটে এমন নির্মাণ কার্যক্রমকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা।
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের পর ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে দায়িত্ব দেয়। বিশেষজ্ঞরা জরিপ শেষে তাদের প্রতিবেদন জমা দেন, যেখানে বিজ্ঞান ভবনসহ ৪টি ভবনকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, সম্প্রতি গণিত বিভাগের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পরও প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দিচ্ছে, যা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়। দ্রুত এ ধরনের কাজ বন্ধ করে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে ভবনের নিরাপত্তা যাচাইয়ের দাবি জানান তারা।
রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রাবেয়া বহ্নি বলেন, আমরা প্রতিদিন এক ধরনের আতঙ্ক নিয়ে ক্লাস করতে আসি। আমরা চাই প্রশাসন আগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিক, তারপর অন্য কোনো উন্নয়ন কাজ হাতে নিক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে যদি নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়েই চিন্তায় থাকতে হয়, তাহলে সেটি খুবই দুঃখজনক। আমরা দেখছি একের পর এক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। এর মধ্যে আবার নতুন করে নির্মাণকাজ শুরু হওয়া আমাদের জন্য আরও ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত এই কাজ বন্ধ করে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পুরো ভবনের নিরাপত্তা যাচাই করা জরুরি বলে আমরা মনে করি।
এর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস কার্যক্রম, ভবন সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রেট্রোফিটিং, বিকল্প স্থানে ক্লাস নেওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের কথা জানিয়েছিল। তবে বাস্তব চিত্রে ভবনে নতুন নির্মাণ কার্যক্রম চলতে থাকায় সেই আশ্বাসের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, বিজ্ঞান ভবনের ছাদে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের জন্য কয়েকটি নতুন কক্ষ নির্মাণ করা হচ্ছে। এ কাজ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সব প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়েছে।নির্ধারিত নিয়মনীতি মেনেই নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।




