টিউলিপের ‘ফ্ল্যাট দুর্নীতি’ মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত

টিউলিপের ‘ফ্ল্যাট দুর্নীতি’ মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত
আদালত সংবাদদাতা

শেখ হাসিনার ভাগ্নি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ দুজনের বিরুদ্ধে ‘ফ্ল্যাট দুর্নীতির’ মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়েছে।
বুধবার (৮ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বদলির আদেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগ গঠনের শুনানি হবে ১৬ এপ্রিল।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়ে এসেছে। বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মামলাটি অন্য আদালতে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
টিউলিপের সঙ্গে এ মামলায় রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের পলাতক দেখিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি টিউলিপ সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিস জারির নির্দেশ দেন বিচারক।
গত বছরের ১৫ এপ্রিল দুদকের সহকারী পরিচালক মনিরুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন– রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেন।
গত বছরের জুলাই মাসে আসামি শাহ খসরুজ্জামান তদন্ত স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। হাইকোর্ট খসরুজ্জামানের বিষয়ে তদন্ত ৩ মাসের জন্য স্থগিত করে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর ‘যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই’ ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২ এর ফ্ল্যাট [ফ্ল্যাট নম্বর বি/২০১, বাড়ি নম্বর ৫এ ও ৫বি (পুরোনো), বর্তমানে- ১১৩, ১১বি (নতুন), রোড নম্বর ৭১] দখল নেন এবং পরে দলিল নিবন্ধন করেন।
এর আগে পূর্বাচল নতুন শহরে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির আলাদা ৩ মামলায় ২ বছর করে ৬ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে টিউলিপ সিদ্দিকের।
এই ব্রিটিশ এমপি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তার খালা শেখ হাসিনার প্রতি ‘প্রতিহিংসা’ থেকে তার বিরুদ্ধে এসব ‘মিথ্য ও বানোয়াট’ মামলা দেওয়া হয়েছে।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ এক ডেভেলপারের কাছ থেকে লন্ডনে ৭ লাখ পাউন্ড দামের একটি ফ্ল্যাট ‘উপহার’ পাওয়ার খবর আসে। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যে গত জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন টিউলিপ সিদ্দিক।

শেখ হাসিনার ভাগ্নি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ দুজনের বিরুদ্ধে ‘ফ্ল্যাট দুর্নীতির’ মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়েছে।
বুধবার (৮ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বদলির আদেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগ গঠনের শুনানি হবে ১৬ এপ্রিল।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়ে এসেছে। বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মামলাটি অন্য আদালতে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
টিউলিপের সঙ্গে এ মামলায় রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের পলাতক দেখিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি টিউলিপ সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিস জারির নির্দেশ দেন বিচারক।
গত বছরের ১৫ এপ্রিল দুদকের সহকারী পরিচালক মনিরুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন– রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেন।
গত বছরের জুলাই মাসে আসামি শাহ খসরুজ্জামান তদন্ত স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। হাইকোর্ট খসরুজ্জামানের বিষয়ে তদন্ত ৩ মাসের জন্য স্থগিত করে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর ‘যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই’ ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২ এর ফ্ল্যাট [ফ্ল্যাট নম্বর বি/২০১, বাড়ি নম্বর ৫এ ও ৫বি (পুরোনো), বর্তমানে- ১১৩, ১১বি (নতুন), রোড নম্বর ৭১] দখল নেন এবং পরে দলিল নিবন্ধন করেন।
এর আগে পূর্বাচল নতুন শহরে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির আলাদা ৩ মামলায় ২ বছর করে ৬ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে টিউলিপ সিদ্দিকের।
এই ব্রিটিশ এমপি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তার খালা শেখ হাসিনার প্রতি ‘প্রতিহিংসা’ থেকে তার বিরুদ্ধে এসব ‘মিথ্য ও বানোয়াট’ মামলা দেওয়া হয়েছে।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ এক ডেভেলপারের কাছ থেকে লন্ডনে ৭ লাখ পাউন্ড দামের একটি ফ্ল্যাট ‘উপহার’ পাওয়ার খবর আসে। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যে গত জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন টিউলিপ সিদ্দিক।

টিউলিপের ‘ফ্ল্যাট দুর্নীতি’ মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত
আদালত সংবাদদাতা

শেখ হাসিনার ভাগ্নি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ দুজনের বিরুদ্ধে ‘ফ্ল্যাট দুর্নীতির’ মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়েছে।
বুধবার (৮ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বদলির আদেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে অভিযোগ গঠনের শুনানি হবে ১৬ এপ্রিল।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়ে এসেছে। বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় মামলাটি অন্য আদালতে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
টিউলিপের সঙ্গে এ মামলায় রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের পলাতক দেখিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি টিউলিপ সিদ্দিককে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিস জারির নির্দেশ দেন বিচারক।
গত বছরের ১৫ এপ্রিল দুদকের সহকারী পরিচালক মনিরুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন– রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেন।
গত বছরের জুলাই মাসে আসামি শাহ খসরুজ্জামান তদন্ত স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। হাইকোর্ট খসরুজ্জামানের বিষয়ে তদন্ত ৩ মাসের জন্য স্থগিত করে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর ‘যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই’ ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২ এর ফ্ল্যাট [ফ্ল্যাট নম্বর বি/২০১, বাড়ি নম্বর ৫এ ও ৫বি (পুরোনো), বর্তমানে- ১১৩, ১১বি (নতুন), রোড নম্বর ৭১] দখল নেন এবং পরে দলিল নিবন্ধন করেন।
এর আগে পূর্বাচল নতুন শহরে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির আলাদা ৩ মামলায় ২ বছর করে ৬ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে টিউলিপ সিদ্দিকের।
এই ব্রিটিশ এমপি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তার খালা শেখ হাসিনার প্রতি ‘প্রতিহিংসা’ থেকে তার বিরুদ্ধে এসব ‘মিথ্য ও বানোয়াট’ মামলা দেওয়া হয়েছে।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ এক ডেভেলপারের কাছ থেকে লন্ডনে ৭ লাখ পাউন্ড দামের একটি ফ্ল্যাট ‘উপহার’ পাওয়ার খবর আসে। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যে গত জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন টিউলিপ সিদ্দিক।




