অনলাইনে আয়ের লোভ দেখিয়ে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২

অনলাইনে আয়ের লোভ দেখিয়ে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২
নিজস্ব প্রতিবেদক

সহজে অনলাইনে আয়ের লোভ দেখিয়ে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে রাজধানী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. সাজ্জাদ হোসেন (৩৩) ও মো. রাজিব খাঁন (৩৩)।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, গত বছরের ৭ জুন মতিঝিল থানা এলাকায় অবস্থানকালে এক ভুক্তভোগী টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে সাব্রিনা ইসলাম নামের একটি আইডির সঙ্গে পরিচিত হন। ওই আইডি থেকে তাকে অনলাইনে সহজে আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ‘এটমিক মার্কেট’ নামক প্ল্যাটফর্মে কাজ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে ওই প্রস্তাবে সম্মত হয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খোলেন।
তিনি বলেন, প্রথমে প্রতারক চক্রটি স্বল্প অঙ্কের টাকা বিনিয়োগের বিপরীতে কমিশন ও বোনাস প্রদান করে ভুক্তভোগীর আস্থা অর্জন করে। এতে ভুক্তভোগীর কাছে পুরো বিষয়টি বৈধ ও লাভজনক মনে হয়। এরপরে বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে ধাপে ধাপে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকা জমা দিতে বলা হয়। ভুক্তভোগীও তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে টাকা জমা দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ লাভ দেখানো হলেও সেই অর্থ উত্তোলনের সময় বাধে বিপত্তি। ‘সিকিউরিটি ফি’, ‘সার্ভিস চার্জ’, ‘এনএফটি’ স্কোর বৃদ্ধি— এমন সব অজুহাতে আবারও টাকা দাবি করে চক্রটি।
সিআইডি জানায়, ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে সেই টাকাও দিয়ে দেন। এভাবে ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে সর্বমোট ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার ৪৬৯ টাকা আত্মসাৎ করে প্রতারক চক্রটি। এরপর ভুক্তভোগী টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করলে তারা বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে এবং একপর্যায়ে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে ওই ব্যক্তি গত ১৬ সেপ্টেম্বর মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার সূত্র ধরে তদন্তে নামে সিআইডি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাকৃতরা জানান, তারা ভুয়া টেলিগ্রাম আইডি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন চাকরি ও সহজে আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন।
সিআইডির তদন্তে জানা গেছে, সাজ্জাদ হোসেন আগেও এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। অন্য সদস্য রাজিব খাঁন বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব খোলা ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সরবরাহের মাধ্যমে এই প্রতারণা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করতেন।

সহজে অনলাইনে আয়ের লোভ দেখিয়ে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে রাজধানী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. সাজ্জাদ হোসেন (৩৩) ও মো. রাজিব খাঁন (৩৩)।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, গত বছরের ৭ জুন মতিঝিল থানা এলাকায় অবস্থানকালে এক ভুক্তভোগী টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে সাব্রিনা ইসলাম নামের একটি আইডির সঙ্গে পরিচিত হন। ওই আইডি থেকে তাকে অনলাইনে সহজে আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ‘এটমিক মার্কেট’ নামক প্ল্যাটফর্মে কাজ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে ওই প্রস্তাবে সম্মত হয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খোলেন।
তিনি বলেন, প্রথমে প্রতারক চক্রটি স্বল্প অঙ্কের টাকা বিনিয়োগের বিপরীতে কমিশন ও বোনাস প্রদান করে ভুক্তভোগীর আস্থা অর্জন করে। এতে ভুক্তভোগীর কাছে পুরো বিষয়টি বৈধ ও লাভজনক মনে হয়। এরপরে বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে ধাপে ধাপে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকা জমা দিতে বলা হয়। ভুক্তভোগীও তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে টাকা জমা দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ লাভ দেখানো হলেও সেই অর্থ উত্তোলনের সময় বাধে বিপত্তি। ‘সিকিউরিটি ফি’, ‘সার্ভিস চার্জ’, ‘এনএফটি’ স্কোর বৃদ্ধি— এমন সব অজুহাতে আবারও টাকা দাবি করে চক্রটি।
সিআইডি জানায়, ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে সেই টাকাও দিয়ে দেন। এভাবে ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে সর্বমোট ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার ৪৬৯ টাকা আত্মসাৎ করে প্রতারক চক্রটি। এরপর ভুক্তভোগী টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করলে তারা বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে এবং একপর্যায়ে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে ওই ব্যক্তি গত ১৬ সেপ্টেম্বর মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার সূত্র ধরে তদন্তে নামে সিআইডি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাকৃতরা জানান, তারা ভুয়া টেলিগ্রাম আইডি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন চাকরি ও সহজে আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন।
সিআইডির তদন্তে জানা গেছে, সাজ্জাদ হোসেন আগেও এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। অন্য সদস্য রাজিব খাঁন বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব খোলা ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সরবরাহের মাধ্যমে এই প্রতারণা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করতেন।

অনলাইনে আয়ের লোভ দেখিয়ে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ২
নিজস্ব প্রতিবেদক

সহজে অনলাইনে আয়ের লোভ দেখিয়ে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে রাজধানী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. সাজ্জাদ হোসেন (৩৩) ও মো. রাজিব খাঁন (৩৩)।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, গত বছরের ৭ জুন মতিঝিল থানা এলাকায় অবস্থানকালে এক ভুক্তভোগী টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে সাব্রিনা ইসলাম নামের একটি আইডির সঙ্গে পরিচিত হন। ওই আইডি থেকে তাকে অনলাইনে সহজে আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ‘এটমিক মার্কেট’ নামক প্ল্যাটফর্মে কাজ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে ওই প্রস্তাবে সম্মত হয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খোলেন।
তিনি বলেন, প্রথমে প্রতারক চক্রটি স্বল্প অঙ্কের টাকা বিনিয়োগের বিপরীতে কমিশন ও বোনাস প্রদান করে ভুক্তভোগীর আস্থা অর্জন করে। এতে ভুক্তভোগীর কাছে পুরো বিষয়টি বৈধ ও লাভজনক মনে হয়। এরপরে বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে ধাপে ধাপে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বড় অঙ্কের টাকা জমা দিতে বলা হয়। ভুক্তভোগীও তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে টাকা জমা দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ লাভ দেখানো হলেও সেই অর্থ উত্তোলনের সময় বাধে বিপত্তি। ‘সিকিউরিটি ফি’, ‘সার্ভিস চার্জ’, ‘এনএফটি’ স্কোর বৃদ্ধি— এমন সব অজুহাতে আবারও টাকা দাবি করে চক্রটি।
সিআইডি জানায়, ভুক্তভোগী সরল বিশ্বাসে সেই টাকাও দিয়ে দেন। এভাবে ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে সর্বমোট ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার ৪৬৯ টাকা আত্মসাৎ করে প্রতারক চক্রটি। এরপর ভুক্তভোগী টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করলে তারা বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে এবং একপর্যায়ে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে ওই ব্যক্তি গত ১৬ সেপ্টেম্বর মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার সূত্র ধরে তদন্তে নামে সিআইডি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাকৃতরা জানান, তারা ভুয়া টেলিগ্রাম আইডি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন চাকরি ও সহজে আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন।
সিআইডির তদন্তে জানা গেছে, সাজ্জাদ হোসেন আগেও এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। অন্য সদস্য রাজিব খাঁন বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব খোলা ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সরবরাহের মাধ্যমে এই প্রতারণা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করতেন।




