শাটল ট্রেন সংস্কারে চাকসুর আল্টিমেটাম

শাটল ট্রেন সংস্কারে চাকসুর আল্টিমেটাম
চবি সংবাদদাতা

শাটল ট্রেনের নানা সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এসময় ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধি, বিকল্প রুট নির্মাণ এবং বিদ্যমান কোচ বাড়ানোসহ ১১ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। পাশাপাশি দাবি মেনে না নিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানিয়েছেন ছাত্র প্রতিনিধিরা।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে দুপুর ১টার দিকে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবি পেশ করেন চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভুঁঞা।
অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে শিক্ষার্থীদের হাতে ‘বাপ-দাদার আমলের বগি, পরিবর্তন কর করতে হবে’, ‘শাটলের ঢিল ছুড়ে, প্রশাসন ঝিম মারে’, ‘শাটলের নিরাপত্তা, নিশ্চিত কর করতে হবে’, ‘ছাত্র মরে গরমে, ভিসি থাকে এসিতে’, ‘প্রক্টর থাকে এসিতে, ছাত্র মরে গরমে’ ইত্যাদি লেখা সম্বলিত প্লেকার্ড দেখা যায়।
আলাওল হলের সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘শাটলে পর্যাপ্ত বগি না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেক কষ্টে যাতায়াত করে। আগেও শাটল সংস্কারের দাবিতে অনেক আন্দোলন হয়েছে, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে তা সফল হয়নি। এখন চাকসু হয়েছে, তাই চাকসুর মাধ্যমে আমরা দাবি জানাতে চাই, আমাদের শাটলের যৌক্তিক সংস্কার করা হোক।’
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভুঁঞা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে শাটল ট্রেনের নানা সমস্যার কথা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছি। কিন্তু সেগুলোর সমাধান আলোচনার মাধ্যমে আসেনি। তাই আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে ১১টি দাবি জানিয়েছে। আগামী রোববার দুপুর ১২টার মধ্যে দাবি না মেনে নিলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাবো।’
১১ দফা দাবি হলো— ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধি, শাটল ট্রেনের বিকল্প রুট চালু ও অপারেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কোচ বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করা, নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ, ইলেকট্রনিক সুবিধা নিশ্চিত করা, ট্রেনের গতি বৃদ্ধি, বগির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ, স্টেশন প্ল্যাটফর্মের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, স্টেশন অবকাঠামো ও পরিবেশ উন্নয়ন এবং শাটল স্টেশন ও ট্রেনে নিরাপত্তা জোরদার করা।

শাটল ট্রেনের নানা সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এসময় ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধি, বিকল্প রুট নির্মাণ এবং বিদ্যমান কোচ বাড়ানোসহ ১১ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। পাশাপাশি দাবি মেনে না নিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানিয়েছেন ছাত্র প্রতিনিধিরা।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে দুপুর ১টার দিকে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবি পেশ করেন চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভুঁঞা।
অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে শিক্ষার্থীদের হাতে ‘বাপ-দাদার আমলের বগি, পরিবর্তন কর করতে হবে’, ‘শাটলের ঢিল ছুড়ে, প্রশাসন ঝিম মারে’, ‘শাটলের নিরাপত্তা, নিশ্চিত কর করতে হবে’, ‘ছাত্র মরে গরমে, ভিসি থাকে এসিতে’, ‘প্রক্টর থাকে এসিতে, ছাত্র মরে গরমে’ ইত্যাদি লেখা সম্বলিত প্লেকার্ড দেখা যায়।
আলাওল হলের সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘শাটলে পর্যাপ্ত বগি না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেক কষ্টে যাতায়াত করে। আগেও শাটল সংস্কারের দাবিতে অনেক আন্দোলন হয়েছে, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে তা সফল হয়নি। এখন চাকসু হয়েছে, তাই চাকসুর মাধ্যমে আমরা দাবি জানাতে চাই, আমাদের শাটলের যৌক্তিক সংস্কার করা হোক।’
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভুঁঞা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে শাটল ট্রেনের নানা সমস্যার কথা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছি। কিন্তু সেগুলোর সমাধান আলোচনার মাধ্যমে আসেনি। তাই আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে ১১টি দাবি জানিয়েছে। আগামী রোববার দুপুর ১২টার মধ্যে দাবি না মেনে নিলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাবো।’
১১ দফা দাবি হলো— ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধি, শাটল ট্রেনের বিকল্প রুট চালু ও অপারেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কোচ বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করা, নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ, ইলেকট্রনিক সুবিধা নিশ্চিত করা, ট্রেনের গতি বৃদ্ধি, বগির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ, স্টেশন প্ল্যাটফর্মের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, স্টেশন অবকাঠামো ও পরিবেশ উন্নয়ন এবং শাটল স্টেশন ও ট্রেনে নিরাপত্তা জোরদার করা।

শাটল ট্রেন সংস্কারে চাকসুর আল্টিমেটাম
চবি সংবাদদাতা

শাটল ট্রেনের নানা সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। এসময় ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধি, বিকল্প রুট নির্মাণ এবং বিদ্যমান কোচ বাড়ানোসহ ১১ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। পাশাপাশি দাবি মেনে না নিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানিয়েছেন ছাত্র প্রতিনিধিরা।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে দুপুর ১টার দিকে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবি পেশ করেন চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভুঁঞা।
অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে শিক্ষার্থীদের হাতে ‘বাপ-দাদার আমলের বগি, পরিবর্তন কর করতে হবে’, ‘শাটলের ঢিল ছুড়ে, প্রশাসন ঝিম মারে’, ‘শাটলের নিরাপত্তা, নিশ্চিত কর করতে হবে’, ‘ছাত্র মরে গরমে, ভিসি থাকে এসিতে’, ‘প্রক্টর থাকে এসিতে, ছাত্র মরে গরমে’ ইত্যাদি লেখা সম্বলিত প্লেকার্ড দেখা যায়।
আলাওল হলের সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘শাটলে পর্যাপ্ত বগি না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেক কষ্টে যাতায়াত করে। আগেও শাটল সংস্কারের দাবিতে অনেক আন্দোলন হয়েছে, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে তা সফল হয়নি। এখন চাকসু হয়েছে, তাই চাকসুর মাধ্যমে আমরা দাবি জানাতে চাই, আমাদের শাটলের যৌক্তিক সংস্কার করা হোক।’
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভুঁঞা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে শাটল ট্রেনের নানা সমস্যার কথা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছি। কিন্তু সেগুলোর সমাধান আলোচনার মাধ্যমে আসেনি। তাই আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে ১১টি দাবি জানিয়েছে। আগামী রোববার দুপুর ১২টার মধ্যে দাবি না মেনে নিলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাবো।’
১১ দফা দাবি হলো— ট্রেন সংখ্যা বৃদ্ধি, শাটল ট্রেনের বিকল্প রুট চালু ও অপারেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কোচ বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করা, নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ, ইলেকট্রনিক সুবিধা নিশ্চিত করা, ট্রেনের গতি বৃদ্ধি, বগির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ, স্টেশন প্ল্যাটফর্মের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, স্টেশন অবকাঠামো ও পরিবেশ উন্নয়ন এবং শাটল স্টেশন ও ট্রেনে নিরাপত্তা জোরদার করা।




