চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৪০ করার দাবিতে লাগাতার কর্মসূচি

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৪০ করার দাবিতে লাগাতার কর্মসূচি
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাকরির আবেদনের বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩৫ বছর ও অস্থায়ীভাবে ৪০ বছর করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে চাকরিপ্রার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তিন দিন ধরে এই কর্মসূচি চলছে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) ‘চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীবৃদ্ধ’ ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির চতুর্থ দিন বুধবার বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাসনদগুলোর অনুলিপি দিয়ে ঠোঙা বানায় এবং প্রতীকী বাদাম বিক্রি করে। সরকারি চাকরিতে আবেদন করার বয়স শেষ হয়ে যাওয়ায় উচ্চশিক্ষার এই সনদগুলো এখন তাদের কাছে 'পরিত্যক্ত কাগজ' ছাড়া আর কিছুই নয়- এমন ক্ষোভ থেকেই তারা এই কর্মসূচি পালন করছে।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ঘরের পরিত্যক্ত কাগজ যেমন হকাররা নিয়ে যায় এবং তা দিয়ে ঠোঙা বানিয়ে ঝালমুড়ি-বাদাম বিক্রি করে, আমাদের সার্টিফিকেটগুলোর অবস্থাও এখন তেমন। এগুলো দিয়ে এখন আর চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়। তাই আমরা সনদপত্র দিয়ে ঠোঙা বানিয়ে প্রতীকী বাদাম বিক্রি করছি।’
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ক্ষমতায় আসার আগে তিনি অন্তত তিনবার ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন যে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা সর্বনিম্ন ৩৫ বছর হওয়া উচিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ সেশনের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলে থাকাকালীন আমাদের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছিলেন। এখন তিনি ক্ষমতায়, তবুও কেন এটি (চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ করার বিষয়) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া হলে আত্মহত্যা ছাড়া আমাদের আর কোনো পথ থাকবে না।’
কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফেরদৌস বিশ্বাস জানান, ১৪ বছর ধরে শিক্ষার্থীরা এই দাবি জানিয়ে আসছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত বয়সসীমা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি না হবে, ততক্ষণ প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
চাকরিপ্রত্যাশীদের দাবি, দেশের বিদ্যমান বাস্তবতা, দীর্ঘ সেশনজট, নিয়োগে ধীরগতি এবং নানা কারণে অনেক শিক্ষার্থী চাকরির আবেদনের বয়সসীমা পার হয়ে গেছে। তাই বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আহ্বান জানান তারা।

চাকরির আবেদনের বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩৫ বছর ও অস্থায়ীভাবে ৪০ বছর করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে চাকরিপ্রার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তিন দিন ধরে এই কর্মসূচি চলছে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) ‘চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীবৃদ্ধ’ ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির চতুর্থ দিন বুধবার বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাসনদগুলোর অনুলিপি দিয়ে ঠোঙা বানায় এবং প্রতীকী বাদাম বিক্রি করে। সরকারি চাকরিতে আবেদন করার বয়স শেষ হয়ে যাওয়ায় উচ্চশিক্ষার এই সনদগুলো এখন তাদের কাছে 'পরিত্যক্ত কাগজ' ছাড়া আর কিছুই নয়- এমন ক্ষোভ থেকেই তারা এই কর্মসূচি পালন করছে।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ঘরের পরিত্যক্ত কাগজ যেমন হকাররা নিয়ে যায় এবং তা দিয়ে ঠোঙা বানিয়ে ঝালমুড়ি-বাদাম বিক্রি করে, আমাদের সার্টিফিকেটগুলোর অবস্থাও এখন তেমন। এগুলো দিয়ে এখন আর চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়। তাই আমরা সনদপত্র দিয়ে ঠোঙা বানিয়ে প্রতীকী বাদাম বিক্রি করছি।’
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ক্ষমতায় আসার আগে তিনি অন্তত তিনবার ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন যে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা সর্বনিম্ন ৩৫ বছর হওয়া উচিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ সেশনের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলে থাকাকালীন আমাদের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছিলেন। এখন তিনি ক্ষমতায়, তবুও কেন এটি (চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ করার বিষয়) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া হলে আত্মহত্যা ছাড়া আমাদের আর কোনো পথ থাকবে না।’
কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফেরদৌস বিশ্বাস জানান, ১৪ বছর ধরে শিক্ষার্থীরা এই দাবি জানিয়ে আসছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত বয়সসীমা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি না হবে, ততক্ষণ প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
চাকরিপ্রত্যাশীদের দাবি, দেশের বিদ্যমান বাস্তবতা, দীর্ঘ সেশনজট, নিয়োগে ধীরগতি এবং নানা কারণে অনেক শিক্ষার্থী চাকরির আবেদনের বয়সসীমা পার হয়ে গেছে। তাই বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আহ্বান জানান তারা।

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৪০ করার দাবিতে লাগাতার কর্মসূচি
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাকরির আবেদনের বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩৫ বছর ও অস্থায়ীভাবে ৪০ বছর করার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে চাকরিপ্রার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তিন দিন ধরে এই কর্মসূচি চলছে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) ‘চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীবৃদ্ধ’ ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির চতুর্থ দিন বুধবার বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাসনদগুলোর অনুলিপি দিয়ে ঠোঙা বানায় এবং প্রতীকী বাদাম বিক্রি করে। সরকারি চাকরিতে আবেদন করার বয়স শেষ হয়ে যাওয়ায় উচ্চশিক্ষার এই সনদগুলো এখন তাদের কাছে 'পরিত্যক্ত কাগজ' ছাড়া আর কিছুই নয়- এমন ক্ষোভ থেকেই তারা এই কর্মসূচি পালন করছে।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ঘরের পরিত্যক্ত কাগজ যেমন হকাররা নিয়ে যায় এবং তা দিয়ে ঠোঙা বানিয়ে ঝালমুড়ি-বাদাম বিক্রি করে, আমাদের সার্টিফিকেটগুলোর অবস্থাও এখন তেমন। এগুলো দিয়ে এখন আর চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়। তাই আমরা সনদপত্র দিয়ে ঠোঙা বানিয়ে প্রতীকী বাদাম বিক্রি করছি।’
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ক্ষমতায় আসার আগে তিনি অন্তত তিনবার ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন যে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা সর্বনিম্ন ৩৫ বছর হওয়া উচিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ সেশনের এক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলে থাকাকালীন আমাদের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছিলেন। এখন তিনি ক্ষমতায়, তবুও কেন এটি (চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ করার বিষয়) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া হলে আত্মহত্যা ছাড়া আমাদের আর কোনো পথ থাকবে না।’
কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফেরদৌস বিশ্বাস জানান, ১৪ বছর ধরে শিক্ষার্থীরা এই দাবি জানিয়ে আসছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত বয়সসীমা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি না হবে, ততক্ষণ প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
চাকরিপ্রত্যাশীদের দাবি, দেশের বিদ্যমান বাস্তবতা, দীর্ঘ সেশনজট, নিয়োগে ধীরগতি এবং নানা কারণে অনেক শিক্ষার্থী চাকরির আবেদনের বয়সসীমা পার হয়ে গেছে। তাই বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আহ্বান জানান তারা।




