সারা দেশে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিনের সংকট, ভরসা এখন যে হাসপাতাল

সারা দেশে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিনের সংকট, ভরসা এখন যে হাসপাতাল
আয়নাল হোসেন

বিড়ালের আঁচড়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থেকে দেড় বছর বয়সী আবদুল্লাহকে নিয়ে স্বজনেরা ছুটে আসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে জলাতঙ্কের (র্যাবিস) ভ্যাকসিন না থাকায় তারা ছুটে যান মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে। একইভাবে বনানীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে পাঁচ বছর বয়সী জুনায়েদ হোসেনকে নিয়ে তার স্বজনরাও একই হাসপাতালে আসেন।
আবদুল্লাহ ও জুনায়েদের মতো দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শত শত রোগীর এখন ভরসাস্থল মহাখালীর এই বিশেষায়িত হাসপাতাল। কারণ এই হাসপাতাল ছাড়া দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি সব হাসপাতালে কুকুর বা বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের জলাতঙ্কের টিকার সরবরাহ বন্ধ।
জানা গেছে, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে আগে বিনা মূল্যে জলাতঙ্কে ভ্যাকসিন দেওয়া হতো। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে এই ভ্যাকসিনের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেন। এখানে ভ্যাকসিনের সংকট দেখে তিনি তাৎক্ষণিক ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান আব্দুল মোক্তাদিরের সহযোগিতা চান। এরপর ওই ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটি দুই মাসে প্রায় ৮০ লাখ টাকার ভ্যাকসিন এই হাসপাতালে সরবরাহ করেছে। এতে এখানে ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের ওষুধ বিক্রির দোকানগুলোতে ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি ভায়াল ভ্যাকসিনের দাম ৪৫০-৫০০ টাকা। তবে দোকানদাররা ইনজেকশন পুশ করতে পারেন না বলে রোগীরা হাসপাতালেই ভিড় করছেন।
সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে দৈনিক ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।
সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গত শুক্রবার ছুটির দিনেও ১ হাজার ১২৪ জন এবং আজ শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ২৫২ জন রোগীকে সেবা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বছরে ৭-৮ লাখ ডোজ ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হয়।
এ বিষয়ে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এফ এ আসমা খান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘আমরা ইনসেপ্টা থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে দিনে ৩০০ ভায়ালের (শিশির) বেশি ভ্যাকসিন পাচ্ছি। একটি ভায়াল দিয়ে চারজন রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া যায়। তবে দেশের অন্য অনেক হাসপাতালে এখনো সংকট রয়েছে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রশ শাখা) ডা. অধ্যাপক হালিমুর রশীদ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, আগে বিনা মূল্যে সব সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিন দেওয়া হতো। বর্তমানে অপারেশনাল প্রোগ্রাম (ওপি) বন্ধ থাকায় নিজ নিজ বাজেট থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভ্যাকসিন কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার অন্যান্য হাসপাতালের অবস্থা
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন কুকুর বা বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত ৪৫-৫০ জন রোগী এলেও এখানে ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ। এই বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সাদ উল্লাহ জানিয়েছেন, তারা দরপত্রের (টেন্ডার) মাধ্যমে ভ্যাকসিন কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালেও (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই। তবে ভাণ্ডার কর্মকর্তা ডা. ফয়সাল আহমেদ জানান, তারাও দরপত্রের মাধ্যমে ভ্যাকসিন কেনার বিষয়ে পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

বিড়ালের আঁচড়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থেকে দেড় বছর বয়সী আবদুল্লাহকে নিয়ে স্বজনেরা ছুটে আসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে জলাতঙ্কের (র্যাবিস) ভ্যাকসিন না থাকায় তারা ছুটে যান মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে। একইভাবে বনানীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে পাঁচ বছর বয়সী জুনায়েদ হোসেনকে নিয়ে তার স্বজনরাও একই হাসপাতালে আসেন।
আবদুল্লাহ ও জুনায়েদের মতো দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শত শত রোগীর এখন ভরসাস্থল মহাখালীর এই বিশেষায়িত হাসপাতাল। কারণ এই হাসপাতাল ছাড়া দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি সব হাসপাতালে কুকুর বা বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের জলাতঙ্কের টিকার সরবরাহ বন্ধ।
জানা গেছে, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে আগে বিনা মূল্যে জলাতঙ্কে ভ্যাকসিন দেওয়া হতো। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে এই ভ্যাকসিনের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেন। এখানে ভ্যাকসিনের সংকট দেখে তিনি তাৎক্ষণিক ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান আব্দুল মোক্তাদিরের সহযোগিতা চান। এরপর ওই ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটি দুই মাসে প্রায় ৮০ লাখ টাকার ভ্যাকসিন এই হাসপাতালে সরবরাহ করেছে। এতে এখানে ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের ওষুধ বিক্রির দোকানগুলোতে ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি ভায়াল ভ্যাকসিনের দাম ৪৫০-৫০০ টাকা। তবে দোকানদাররা ইনজেকশন পুশ করতে পারেন না বলে রোগীরা হাসপাতালেই ভিড় করছেন।
সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে দৈনিক ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।
সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গত শুক্রবার ছুটির দিনেও ১ হাজার ১২৪ জন এবং আজ শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ২৫২ জন রোগীকে সেবা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বছরে ৭-৮ লাখ ডোজ ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হয়।
এ বিষয়ে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এফ এ আসমা খান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘আমরা ইনসেপ্টা থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে দিনে ৩০০ ভায়ালের (শিশির) বেশি ভ্যাকসিন পাচ্ছি। একটি ভায়াল দিয়ে চারজন রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া যায়। তবে দেশের অন্য অনেক হাসপাতালে এখনো সংকট রয়েছে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রশ শাখা) ডা. অধ্যাপক হালিমুর রশীদ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, আগে বিনা মূল্যে সব সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিন দেওয়া হতো। বর্তমানে অপারেশনাল প্রোগ্রাম (ওপি) বন্ধ থাকায় নিজ নিজ বাজেট থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভ্যাকসিন কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার অন্যান্য হাসপাতালের অবস্থা
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন কুকুর বা বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত ৪৫-৫০ জন রোগী এলেও এখানে ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ। এই বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সাদ উল্লাহ জানিয়েছেন, তারা দরপত্রের (টেন্ডার) মাধ্যমে ভ্যাকসিন কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালেও (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই। তবে ভাণ্ডার কর্মকর্তা ডা. ফয়সাল আহমেদ জানান, তারাও দরপত্রের মাধ্যমে ভ্যাকসিন কেনার বিষয়ে পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

সারা দেশে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিনের সংকট, ভরসা এখন যে হাসপাতাল
আয়নাল হোসেন

বিড়ালের আঁচড়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থেকে দেড় বছর বয়সী আবদুল্লাহকে নিয়ে স্বজনেরা ছুটে আসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে জলাতঙ্কের (র্যাবিস) ভ্যাকসিন না থাকায় তারা ছুটে যান মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে। একইভাবে বনানীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে পাঁচ বছর বয়সী জুনায়েদ হোসেনকে নিয়ে তার স্বজনরাও একই হাসপাতালে আসেন।
আবদুল্লাহ ও জুনায়েদের মতো দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শত শত রোগীর এখন ভরসাস্থল মহাখালীর এই বিশেষায়িত হাসপাতাল। কারণ এই হাসপাতাল ছাড়া দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি সব হাসপাতালে কুকুর বা বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের জলাতঙ্কের টিকার সরবরাহ বন্ধ।
জানা গেছে, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে আগে বিনা মূল্যে জলাতঙ্কে ভ্যাকসিন দেওয়া হতো। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে এই ভ্যাকসিনের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করেন। এখানে ভ্যাকসিনের সংকট দেখে তিনি তাৎক্ষণিক ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান আব্দুল মোক্তাদিরের সহযোগিতা চান। এরপর ওই ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটি দুই মাসে প্রায় ৮০ লাখ টাকার ভ্যাকসিন এই হাসপাতালে সরবরাহ করেছে। এতে এখানে ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের ওষুধ বিক্রির দোকানগুলোতে ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি ভায়াল ভ্যাকসিনের দাম ৪৫০-৫০০ টাকা। তবে দোকানদাররা ইনজেকশন পুশ করতে পারেন না বলে রোগীরা হাসপাতালেই ভিড় করছেন।
সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে দৈনিক ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।
সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গত শুক্রবার ছুটির দিনেও ১ হাজার ১২৪ জন এবং আজ শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ২৫২ জন রোগীকে সেবা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বছরে ৭-৮ লাখ ডোজ ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হয়।
এ বিষয়ে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এফ এ আসমা খান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘আমরা ইনসেপ্টা থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে দিনে ৩০০ ভায়ালের (শিশির) বেশি ভ্যাকসিন পাচ্ছি। একটি ভায়াল দিয়ে চারজন রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া যায়। তবে দেশের অন্য অনেক হাসপাতালে এখনো সংকট রয়েছে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রশ শাখা) ডা. অধ্যাপক হালিমুর রশীদ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, আগে বিনা মূল্যে সব সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিন দেওয়া হতো। বর্তমানে অপারেশনাল প্রোগ্রাম (ওপি) বন্ধ থাকায় নিজ নিজ বাজেট থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভ্যাকসিন কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার অন্যান্য হাসপাতালের অবস্থা
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন কুকুর বা বিড়ালের কামড়ে আক্রান্ত ৪৫-৫০ জন রোগী এলেও এখানে ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ। এই বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সাদ উল্লাহ জানিয়েছেন, তারা দরপত্রের (টেন্ডার) মাধ্যমে ভ্যাকসিন কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালেও (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই। তবে ভাণ্ডার কর্মকর্তা ডা. ফয়সাল আহমেদ জানান, তারাও দরপত্রের মাধ্যমে ভ্যাকসিন কেনার বিষয়ে পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করছেন।




