গণপূর্তে প্রকৌশলীদের ব্যয় অনুমোদনের নতুন সীমা নির্ধারণ

গণপূর্তে প্রকৌশলীদের ব্যয় অনুমোদনের নতুন সীমা নির্ধারণ
সেলিনা আক্তার
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৩৩

গ্রাফিক্স: সিটিজেন জার্নাল
গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলীদের আর্থিক ক্ষমতা পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। গত ১৬ এপ্রিল জারি করা এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে নতুন করে এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিচালন বাজেটের আওতায় বেসামরিক নির্মাণ কাজের ক্রয়চুক্তি অনুমোদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন। একই কাজে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর সীমা ৩০ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলীর জন্য ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ই/এম নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর সীমা ১ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ২৫ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন। পণ্য, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই সীমা যথাক্রমে ৫০ লাখ, ২০ লাখ এবং ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরামর্শক সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ২০ লাখ এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন। নির্বাহী প্রকৌশলীদের এ ক্ষেত্রে কোনো আর্থিক ক্ষমতা রাখা হয়নি। ভৌত সেবার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ৭৫ লাখ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ৩০ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন।
এছাড়া পরিত্যক্ত ভবন ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় সম্পদ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রেও আর্থিক সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। জরিপ প্রতিবেদন অনুমোদন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ৪ লাখ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ২ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন।
উন্নয়ন বাজেটেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সিভিল কাজের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর অনুমোদন সীমা ১০ কোটি টাকা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর ৫ কোটি এবং নির্বাহী প্রকৌশলীর ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ই/এম কাজের ক্ষেত্রে এই সীমা যথাক্রমে ৮ কোটি, ২ কোটি এবং ২৫ লাখ টাকা। পণ্য ও সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ কোটি, ১ কোটি এবং ২০ লাখ টাকা।
নতুন আদেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সীমার মধ্যে প্রকৌশলীরা কারিগরি অনুমোদন ও ব্যয়ের প্রাক্কলন দিতে পারবেন। তবে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীদের ক্ষেত্রে এ অনুমোদনের কোনো নির্দিষ্ট সীমা থাকছে না।
একইসঙ্গে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগের কোনো আদেশের সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের সাংঘর্ষিক অংশ থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। নতুন নির্দেশনা জারির সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলীদের আর্থিক ক্ষমতা পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। গত ১৬ এপ্রিল জারি করা এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে নতুন করে এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিচালন বাজেটের আওতায় বেসামরিক নির্মাণ কাজের ক্রয়চুক্তি অনুমোদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন। একই কাজে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর সীমা ৩০ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলীর জন্য ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ই/এম নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর সীমা ১ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ২৫ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন। পণ্য, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই সীমা যথাক্রমে ৫০ লাখ, ২০ লাখ এবং ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরামর্শক সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ২০ লাখ এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন। নির্বাহী প্রকৌশলীদের এ ক্ষেত্রে কোনো আর্থিক ক্ষমতা রাখা হয়নি। ভৌত সেবার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ৭৫ লাখ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ৩০ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন।
এছাড়া পরিত্যক্ত ভবন ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় সম্পদ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রেও আর্থিক সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। জরিপ প্রতিবেদন অনুমোদন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ৪ লাখ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ২ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন।
উন্নয়ন বাজেটেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সিভিল কাজের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর অনুমোদন সীমা ১০ কোটি টাকা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর ৫ কোটি এবং নির্বাহী প্রকৌশলীর ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ই/এম কাজের ক্ষেত্রে এই সীমা যথাক্রমে ৮ কোটি, ২ কোটি এবং ২৫ লাখ টাকা। পণ্য ও সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ কোটি, ১ কোটি এবং ২০ লাখ টাকা।
নতুন আদেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সীমার মধ্যে প্রকৌশলীরা কারিগরি অনুমোদন ও ব্যয়ের প্রাক্কলন দিতে পারবেন। তবে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীদের ক্ষেত্রে এ অনুমোদনের কোনো নির্দিষ্ট সীমা থাকছে না।
একইসঙ্গে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগের কোনো আদেশের সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের সাংঘর্ষিক অংশ থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। নতুন নির্দেশনা জারির সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে।

গণপূর্তে প্রকৌশলীদের ব্যয় অনুমোদনের নতুন সীমা নির্ধারণ
সেলিনা আক্তার
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৩৩

গ্রাফিক্স: সিটিজেন জার্নাল
গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলীদের আর্থিক ক্ষমতা পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। গত ১৬ এপ্রিল জারি করা এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে নতুন করে এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিচালন বাজেটের আওতায় বেসামরিক নির্মাণ কাজের ক্রয়চুক্তি অনুমোদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন। একই কাজে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর সীমা ৩০ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলীর জন্য ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ই/এম নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর সীমা ১ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ২৫ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন। পণ্য, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই সীমা যথাক্রমে ৫০ লাখ, ২০ লাখ এবং ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরামর্শক সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ২০ লাখ এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন। নির্বাহী প্রকৌশলীদের এ ক্ষেত্রে কোনো আর্থিক ক্ষমতা রাখা হয়নি। ভৌত সেবার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ৭৫ লাখ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ৩০ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন।
এছাড়া পরিত্যক্ত ভবন ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় সম্পদ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রেও আর্থিক সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। জরিপ প্রতিবেদন অনুমোদন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ৪ লাখ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ২ লাখ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুমোদন দিতে পারবেন।
উন্নয়ন বাজেটেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সিভিল কাজের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর অনুমোদন সীমা ১০ কোটি টাকা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর ৫ কোটি এবং নির্বাহী প্রকৌশলীর ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ই/এম কাজের ক্ষেত্রে এই সীমা যথাক্রমে ৮ কোটি, ২ কোটি এবং ২৫ লাখ টাকা। পণ্য ও সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ কোটি, ১ কোটি এবং ২০ লাখ টাকা।
নতুন আদেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সীমার মধ্যে প্রকৌশলীরা কারিগরি অনুমোদন ও ব্যয়ের প্রাক্কলন দিতে পারবেন। তবে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীদের ক্ষেত্রে এ অনুমোদনের কোনো নির্দিষ্ট সীমা থাকছে না।
একইসঙ্গে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগের কোনো আদেশের সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের সাংঘর্ষিক অংশ থাকলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। নতুন নির্দেশনা জারির সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে।
/এসএ/




