নকল দুধ তৈরির দায়ে ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা

নকল দুধ তৈরির দায়ে ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা
পাবনা সংবাদদাতা

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নকল দুধ তৈরির দায়ে এক অসাধু ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে এ অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি ফারুক হোসেন উপজেলা সদরের সিংগাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল গফুর হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিকর জেলি, সয়াবিন তেলসহ নানা উপকরণ ব্যবহার করে নকল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। সেই দুধ তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করতেন।
শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান তার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় নকল দুধ তৈরির ২শ লিটার বিষাক্ত কেমিক্যালসহ ফারুককে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ফারুককে এক লাখ টাকা জরিমানা ও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। জব্দকৃত জেলি জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ফারুক হোসেন জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ নকল দুধ উৎপাদন করে আসছিলেন। অপরাধ স্বীকার করায় তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হালিমা খানম বলেন, দুধে ব্যবহৃত এসব রাসায়নিক উপাদান মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই ভেজাল উপাদানগুলো সরাসরি কিডনি ও ফুসফুসকে অকেজো করে দিতে পারে। এছাড়া দীর্ঘদিন এই দুধ সেবনের ফলে শ্বাসকষ্ট ও ক্যান্সার হওয়ার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে।

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নকল দুধ তৈরির দায়ে এক অসাধু ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে এ অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি ফারুক হোসেন উপজেলা সদরের সিংগাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল গফুর হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিকর জেলি, সয়াবিন তেলসহ নানা উপকরণ ব্যবহার করে নকল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। সেই দুধ তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করতেন।
শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান তার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় নকল দুধ তৈরির ২শ লিটার বিষাক্ত কেমিক্যালসহ ফারুককে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ফারুককে এক লাখ টাকা জরিমানা ও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। জব্দকৃত জেলি জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ফারুক হোসেন জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ নকল দুধ উৎপাদন করে আসছিলেন। অপরাধ স্বীকার করায় তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হালিমা খানম বলেন, দুধে ব্যবহৃত এসব রাসায়নিক উপাদান মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই ভেজাল উপাদানগুলো সরাসরি কিডনি ও ফুসফুসকে অকেজো করে দিতে পারে। এছাড়া দীর্ঘদিন এই দুধ সেবনের ফলে শ্বাসকষ্ট ও ক্যান্সার হওয়ার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে।

নকল দুধ তৈরির দায়ে ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা
পাবনা সংবাদদাতা

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নকল দুধ তৈরির দায়ে এক অসাধু ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে এ অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি ফারুক হোসেন উপজেলা সদরের সিংগাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল গফুর হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিকর জেলি, সয়াবিন তেলসহ নানা উপকরণ ব্যবহার করে নকল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। সেই দুধ তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করতেন।
শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান তার বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় নকল দুধ তৈরির ২শ লিটার বিষাক্ত কেমিক্যালসহ ফারুককে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ফারুককে এক লাখ টাকা জরিমানা ও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। জব্দকৃত জেলি জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ফারুক হোসেন জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ নকল দুধ উৎপাদন করে আসছিলেন। অপরাধ স্বীকার করায় তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হালিমা খানম বলেন, দুধে ব্যবহৃত এসব রাসায়নিক উপাদান মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই ভেজাল উপাদানগুলো সরাসরি কিডনি ও ফুসফুসকে অকেজো করে দিতে পারে। এছাড়া দীর্ঘদিন এই দুধ সেবনের ফলে শ্বাসকষ্ট ও ক্যান্সার হওয়ার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে।




