যন্ত্রাংশ আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স সুবিধা চায় দেশীয় এয়ারলাইনস

যন্ত্রাংশ আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স সুবিধা চায় দেশীয় এয়ারলাইনস
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের এভিয়েশন ব্যবসায়ীরা অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে জেট ফুয়েলের ১৮ শতাংশ কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রী প্রতি ৪০০ টাকা কর কমানো, স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্স সুবিধা প্রদানসহ নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট প্রস্তাবনা হিসেবে এক চিঠিতে এসব প্রস্তাব দেওয়া হয়। এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি)-এর পক্ষে সংগঠনের সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী এ প্রস্তাবনা দেন।
দেশের এভিয়েশন ব্যবসায়ীদের এসব প্রস্তাবনার মধ্যে আরও রয়েছে- সব পরিস্থিতিতে জেড ফুয়েলে আরোপিত করের পরিমাণ স্থির রাখা, স্পেয়ার পার্টস ও ইঞ্জিনের আমদানি শুল্ক এবং অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং হেলিকপ্টার আমদানিতে পূর্বের শুল্ক হার পুনর্বহাল ইত্যাদি।
স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা
উড়োজাহাজ ও হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্সের কোনো সুবিধা নেই। তাই, এই শিল্পের বিকাশে এবং বৃদ্ধিতে বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে উড়োজাহাজ এবং হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স-এর সুবিধা দরকার।
জেট ফুয়েলে ১৮ শতাংশ কর ছাড়ের দাবি
অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য জেট ফুয়েলের উপর আরোপিত আমদানি শুল্ক, আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং ১০ শতাংশ মূসক কমানোর দাবি জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) গড় সিআইএফ মূল্যের উপর ৬% আমদানি শুল্ক, ১৫% মূসক এবং ২% আগাম কর ধার্য করা আছে। বিক্রয় পর্যায়ে মূসক এবং আগাম কর আমদানি পর্যায় হতে সমন্বয় করা হয়। কিন্তু ভোক্তা সেই সমন্বয়ের সুবিধা পায় না। লাভবান হয় বিপিসি। তাই মোট ১৮ শতাংশ কর প্রত্যাহারের কথা উল্লেখ করেছে এভিয়েশন ব্যবসায়ীরা।
যাত্রী প্রতি ৪০০ টাকা কর কমানোর প্রস্তাব
অভ্যন্তরীণ রুটে বিমানের সিট ভাড়া কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে যাত্রী কর (সার্বিক) ভাড়ার প্রায় ৪২ শতাংশ। যাত্রী প্রতি সব শুল্ক ও ফি ১১২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ৭২৫ টাকা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে, এতে ৪০০ টাকা কমবে।
যেকোনো পরিস্থিতিতে জেড ফুয়েলের মূল্য ‘স্থির’ রাখার নিশ্চয়তা চান ব্যবসায়ীরা
যুদ্ধ বা অন্যান্য বিশেষ পরিস্থিতিতে তেলের মূল্য বৃদ্ধি শুল্কহার সমন্বয় করতে বলেছেন এভিয়েশন মালিকরা। সব পরিস্থিতিতে করের পরিমাণ স্থির রেখে করের হার আনুপাতিক হারে হ্রাস করার কথা বলেন তারা।
যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার
হেলিকপ্টার এবং উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিনে আমদানি কর এবং অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার চান তারা।
তাদের দাবি, উড়োজাহাজ ও হেলিকপ্টারের যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এর উপর ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আমদানি পর্যায়ে ৫% থেকে ৭.৫% শুল্ক করা হয়েছে। এই আমদানি পর্যায়ে আরোপিত শুল্ক এবং অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার প্রয়োজনের গুরুত্ব তোলেন তারা।
হেলিকপ্টার আমদানিতে পূর্বের শুল্ক হার পুনর্বহাল
বর্তমানে হেলিকপ্টার আমদানিতে শুদ্ধ এবং মূসক আরোপিত মিলিয়ে সব মোট ৩৭.২৫ শতাংশ কর দেওয়ার বিধান রয়েছে। তা বাদ দিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বিদ্যমান থাকা ১০ শতাংশ শুল্ক হার চালুর দাবি জানিয়েছে এভিয়েশন ব্যবসায়ীরা।

দেশের এভিয়েশন ব্যবসায়ীরা অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে জেট ফুয়েলের ১৮ শতাংশ কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রী প্রতি ৪০০ টাকা কর কমানো, স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্স সুবিধা প্রদানসহ নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট প্রস্তাবনা হিসেবে এক চিঠিতে এসব প্রস্তাব দেওয়া হয়। এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি)-এর পক্ষে সংগঠনের সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী এ প্রস্তাবনা দেন।
দেশের এভিয়েশন ব্যবসায়ীদের এসব প্রস্তাবনার মধ্যে আরও রয়েছে- সব পরিস্থিতিতে জেড ফুয়েলে আরোপিত করের পরিমাণ স্থির রাখা, স্পেয়ার পার্টস ও ইঞ্জিনের আমদানি শুল্ক এবং অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং হেলিকপ্টার আমদানিতে পূর্বের শুল্ক হার পুনর্বহাল ইত্যাদি।
স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা
উড়োজাহাজ ও হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্সের কোনো সুবিধা নেই। তাই, এই শিল্পের বিকাশে এবং বৃদ্ধিতে বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে উড়োজাহাজ এবং হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স-এর সুবিধা দরকার।
জেট ফুয়েলে ১৮ শতাংশ কর ছাড়ের দাবি
অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য জেট ফুয়েলের উপর আরোপিত আমদানি শুল্ক, আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং ১০ শতাংশ মূসক কমানোর দাবি জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) গড় সিআইএফ মূল্যের উপর ৬% আমদানি শুল্ক, ১৫% মূসক এবং ২% আগাম কর ধার্য করা আছে। বিক্রয় পর্যায়ে মূসক এবং আগাম কর আমদানি পর্যায় হতে সমন্বয় করা হয়। কিন্তু ভোক্তা সেই সমন্বয়ের সুবিধা পায় না। লাভবান হয় বিপিসি। তাই মোট ১৮ শতাংশ কর প্রত্যাহারের কথা উল্লেখ করেছে এভিয়েশন ব্যবসায়ীরা।
যাত্রী প্রতি ৪০০ টাকা কর কমানোর প্রস্তাব
অভ্যন্তরীণ রুটে বিমানের সিট ভাড়া কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে যাত্রী কর (সার্বিক) ভাড়ার প্রায় ৪২ শতাংশ। যাত্রী প্রতি সব শুল্ক ও ফি ১১২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ৭২৫ টাকা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে, এতে ৪০০ টাকা কমবে।
যেকোনো পরিস্থিতিতে জেড ফুয়েলের মূল্য ‘স্থির’ রাখার নিশ্চয়তা চান ব্যবসায়ীরা
যুদ্ধ বা অন্যান্য বিশেষ পরিস্থিতিতে তেলের মূল্য বৃদ্ধি শুল্কহার সমন্বয় করতে বলেছেন এভিয়েশন মালিকরা। সব পরিস্থিতিতে করের পরিমাণ স্থির রেখে করের হার আনুপাতিক হারে হ্রাস করার কথা বলেন তারা।
যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার
হেলিকপ্টার এবং উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিনে আমদানি কর এবং অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার চান তারা।
তাদের দাবি, উড়োজাহাজ ও হেলিকপ্টারের যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এর উপর ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আমদানি পর্যায়ে ৫% থেকে ৭.৫% শুল্ক করা হয়েছে। এই আমদানি পর্যায়ে আরোপিত শুল্ক এবং অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার প্রয়োজনের গুরুত্ব তোলেন তারা।
হেলিকপ্টার আমদানিতে পূর্বের শুল্ক হার পুনর্বহাল
বর্তমানে হেলিকপ্টার আমদানিতে শুদ্ধ এবং মূসক আরোপিত মিলিয়ে সব মোট ৩৭.২৫ শতাংশ কর দেওয়ার বিধান রয়েছে। তা বাদ দিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বিদ্যমান থাকা ১০ শতাংশ শুল্ক হার চালুর দাবি জানিয়েছে এভিয়েশন ব্যবসায়ীরা।

যন্ত্রাংশ আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স সুবিধা চায় দেশীয় এয়ারলাইনস
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের এভিয়েশন ব্যবসায়ীরা অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে জেট ফুয়েলের ১৮ শতাংশ কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রী প্রতি ৪০০ টাকা কর কমানো, স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্স সুবিধা প্রদানসহ নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট প্রস্তাবনা হিসেবে এক চিঠিতে এসব প্রস্তাব দেওয়া হয়। এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি)-এর পক্ষে সংগঠনের সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী এ প্রস্তাবনা দেন।
দেশের এভিয়েশন ব্যবসায়ীদের এসব প্রস্তাবনার মধ্যে আরও রয়েছে- সব পরিস্থিতিতে জেড ফুয়েলে আরোপিত করের পরিমাণ স্থির রাখা, স্পেয়ার পার্টস ও ইঞ্জিনের আমদানি শুল্ক এবং অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং হেলিকপ্টার আমদানিতে পূর্বের শুল্ক হার পুনর্বহাল ইত্যাদি।
স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা
উড়োজাহাজ ও হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্সের কোনো সুবিধা নেই। তাই, এই শিল্পের বিকাশে এবং বৃদ্ধিতে বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে উড়োজাহাজ এবং হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্পেয়ার পার্টস আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স-এর সুবিধা দরকার।
জেট ফুয়েলে ১৮ শতাংশ কর ছাড়ের দাবি
অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য জেট ফুয়েলের উপর আরোপিত আমদানি শুল্ক, আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং ১০ শতাংশ মূসক কমানোর দাবি জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) গড় সিআইএফ মূল্যের উপর ৬% আমদানি শুল্ক, ১৫% মূসক এবং ২% আগাম কর ধার্য করা আছে। বিক্রয় পর্যায়ে মূসক এবং আগাম কর আমদানি পর্যায় হতে সমন্বয় করা হয়। কিন্তু ভোক্তা সেই সমন্বয়ের সুবিধা পায় না। লাভবান হয় বিপিসি। তাই মোট ১৮ শতাংশ কর প্রত্যাহারের কথা উল্লেখ করেছে এভিয়েশন ব্যবসায়ীরা।
যাত্রী প্রতি ৪০০ টাকা কর কমানোর প্রস্তাব
অভ্যন্তরীণ রুটে বিমানের সিট ভাড়া কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে যাত্রী কর (সার্বিক) ভাড়ার প্রায় ৪২ শতাংশ। যাত্রী প্রতি সব শুল্ক ও ফি ১১২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ৭২৫ টাকা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে, এতে ৪০০ টাকা কমবে।
যেকোনো পরিস্থিতিতে জেড ফুয়েলের মূল্য ‘স্থির’ রাখার নিশ্চয়তা চান ব্যবসায়ীরা
যুদ্ধ বা অন্যান্য বিশেষ পরিস্থিতিতে তেলের মূল্য বৃদ্ধি শুল্কহার সমন্বয় করতে বলেছেন এভিয়েশন মালিকরা। সব পরিস্থিতিতে করের পরিমাণ স্থির রেখে করের হার আনুপাতিক হারে হ্রাস করার কথা বলেন তারা।
যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার
হেলিকপ্টার এবং উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিনে আমদানি কর এবং অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার চান তারা।
তাদের দাবি, উড়োজাহাজ ও হেলিকপ্টারের যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এর উপর ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আমদানি পর্যায়ে ৫% থেকে ৭.৫% শুল্ক করা হয়েছে। এই আমদানি পর্যায়ে আরোপিত শুল্ক এবং অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার প্রয়োজনের গুরুত্ব তোলেন তারা।
হেলিকপ্টার আমদানিতে পূর্বের শুল্ক হার পুনর্বহাল
বর্তমানে হেলিকপ্টার আমদানিতে শুদ্ধ এবং মূসক আরোপিত মিলিয়ে সব মোট ৩৭.২৫ শতাংশ কর দেওয়ার বিধান রয়েছে। তা বাদ দিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বিদ্যমান থাকা ১০ শতাংশ শুল্ক হার চালুর দাবি জানিয়েছে এভিয়েশন ব্যবসায়ীরা।




