ট্রাম্পের হুমকিকে ‘শয়তানি’ আখ্যা সাবেক কংগ্রেস সদস্যের

ট্রাম্পের হুমকিকে ‘শয়তানি’ আখ্যা সাবেক কংগ্রেস সদস্যের
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ইরান-বিষয়ক হুমকিকে ‘শয়তানি’ ও ‘উন্মাদনা’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সাবেক কংগ্রেস সদস্য মার্জোরি টেলর গ্রিন। একসময় প্রতিনিধি পরিষদে ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত থাকলেও, বর্তমানে তার অবস্থানের বিরোধিতা করছেন গ্রিন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমেরিকার ওপর একটি বোমাও পড়েনি। আমরা একটি গোটা সভ্যতাকে ধ্বংস করতে পারি না। এটি শয়তানি ও উন্মাদনা।’ একই সঙ্গে তিনি মার্কিন সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগ করে ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতারাও সাম্প্রতিক সময়ে একই ধরনের দাবি তুলেছেন। তারা ইরানের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকিকে যুদ্ধাপরাধের শামিল বলে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য তার আগের কঠোর অবস্থানকেও ছাড়িয়ে গেছে। প্রচলিত সামরিক হামলার ভাষার বাইরে গিয়ে তিনি এমন এক ধরনের হুমকি দিয়েছেন, যা একটি পুরো সভ্যতার অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলে।
ইরানের ভৌগোলিক বিস্তৃতি ও জনসংখ্যার পরিসর বিবেচনায় নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে বিপুল সামরিক শক্তি ও অস্ত্রের প্রয়োজন হবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু ও জ্বালানি উৎপাদন অবকাঠামোতে হামলার ইঙ্গিত দেওয়ার একদিন পর ট্রাম্প তার অবস্থান আরও কঠোর করেন। সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে তিনি লেখেন, ‘আজ রাতে একটি গোটা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি এটা চাই না, কিন্তু সম্ভবত এটাই ঘটবে।’
এই বক্তব্যে এক ধরনের অনিবার্যতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, যদি ইরান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে—এমন অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ইরান-বিষয়ক হুমকিকে ‘শয়তানি’ ও ‘উন্মাদনা’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সাবেক কংগ্রেস সদস্য মার্জোরি টেলর গ্রিন। একসময় প্রতিনিধি পরিষদে ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত থাকলেও, বর্তমানে তার অবস্থানের বিরোধিতা করছেন গ্রিন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমেরিকার ওপর একটি বোমাও পড়েনি। আমরা একটি গোটা সভ্যতাকে ধ্বংস করতে পারি না। এটি শয়তানি ও উন্মাদনা।’ একই সঙ্গে তিনি মার্কিন সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগ করে ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতারাও সাম্প্রতিক সময়ে একই ধরনের দাবি তুলেছেন। তারা ইরানের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকিকে যুদ্ধাপরাধের শামিল বলে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য তার আগের কঠোর অবস্থানকেও ছাড়িয়ে গেছে। প্রচলিত সামরিক হামলার ভাষার বাইরে গিয়ে তিনি এমন এক ধরনের হুমকি দিয়েছেন, যা একটি পুরো সভ্যতার অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলে।
ইরানের ভৌগোলিক বিস্তৃতি ও জনসংখ্যার পরিসর বিবেচনায় নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে বিপুল সামরিক শক্তি ও অস্ত্রের প্রয়োজন হবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু ও জ্বালানি উৎপাদন অবকাঠামোতে হামলার ইঙ্গিত দেওয়ার একদিন পর ট্রাম্প তার অবস্থান আরও কঠোর করেন। সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে তিনি লেখেন, ‘আজ রাতে একটি গোটা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি এটা চাই না, কিন্তু সম্ভবত এটাই ঘটবে।’
এই বক্তব্যে এক ধরনের অনিবার্যতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, যদি ইরান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে—এমন অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি।

ট্রাম্পের হুমকিকে ‘শয়তানি’ আখ্যা সাবেক কংগ্রেস সদস্যের
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক ইরান-বিষয়ক হুমকিকে ‘শয়তানি’ ও ‘উন্মাদনা’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সাবেক কংগ্রেস সদস্য মার্জোরি টেলর গ্রিন। একসময় প্রতিনিধি পরিষদে ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত থাকলেও, বর্তমানে তার অবস্থানের বিরোধিতা করছেন গ্রিন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমেরিকার ওপর একটি বোমাও পড়েনি। আমরা একটি গোটা সভ্যতাকে ধ্বংস করতে পারি না। এটি শয়তানি ও উন্মাদনা।’ একই সঙ্গে তিনি মার্কিন সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগ করে ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতারাও সাম্প্রতিক সময়ে একই ধরনের দাবি তুলেছেন। তারা ইরানের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকিকে যুদ্ধাপরাধের শামিল বলে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য তার আগের কঠোর অবস্থানকেও ছাড়িয়ে গেছে। প্রচলিত সামরিক হামলার ভাষার বাইরে গিয়ে তিনি এমন এক ধরনের হুমকি দিয়েছেন, যা একটি পুরো সভ্যতার অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলে।
ইরানের ভৌগোলিক বিস্তৃতি ও জনসংখ্যার পরিসর বিবেচনায় নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে বিপুল সামরিক শক্তি ও অস্ত্রের প্রয়োজন হবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু ও জ্বালানি উৎপাদন অবকাঠামোতে হামলার ইঙ্গিত দেওয়ার একদিন পর ট্রাম্প তার অবস্থান আরও কঠোর করেন। সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে তিনি লেখেন, ‘আজ রাতে একটি গোটা সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি এটা চাই না, কিন্তু সম্ভবত এটাই ঘটবে।’
এই বক্তব্যে এক ধরনের অনিবার্যতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, যদি ইরান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে—এমন অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি।




