সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন
সিটিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের সাবেক আইনমন্ত্রী ও বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মারা গেছেন।
রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে শনিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। অর্থাৎ তিনি সংসদ সদস্য না হয়েও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন।
পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন দেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। ১৯৩৭ সালে কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করা শফিক আহমেদ উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। ১৯৬৭ সালে লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন।
আইন অঙ্গনে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন দক্ষতার সঙ্গে।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তার মৃত্যুতে আইন অঙ্গনসহ দেশের বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বাংলাদেশের সাবেক আইনমন্ত্রী ও বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মারা গেছেন।
রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে শনিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। অর্থাৎ তিনি সংসদ সদস্য না হয়েও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন।
পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন দেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। ১৯৩৭ সালে কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করা শফিক আহমেদ উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। ১৯৬৭ সালে লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন।
আইন অঙ্গনে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন দক্ষতার সঙ্গে।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তার মৃত্যুতে আইন অঙ্গনসহ দেশের বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ মারা গেছেন
সিটিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের সাবেক আইনমন্ত্রী ও বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মারা গেছেন।
রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে শনিবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। অর্থাৎ তিনি সংসদ সদস্য না হয়েও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন।
পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন দেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। ১৯৩৭ সালে কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করা শফিক আহমেদ উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। ১৯৬৭ সালে লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন।
আইন অঙ্গনে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন দক্ষতার সঙ্গে।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তার মৃত্যুতে আইন অঙ্গনসহ দেশের বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।




