কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা
‘বাবা হাতজোড় করেছিল, কেউ তার কথা শোনেনি’

‘বাবা হাতজোড় করেছিল, কেউ তার কথা শোনেনি’
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

‘দুপুরের দিক আমি দরবারের গেটের সামনে দাড়া ছিনু। দেখমু বেশ কয়েকজন মানুষ রডলাঠি নিয়ে মিছিল করছে। এরপর দরবারের গেট ভাঙচুর শুরু করে দিল। ভিতরে বাবাকে (পীর) গলা ধরে টেনে বের করে হাতে থাকা রড দিয়ে বেদম মারতে থাকে। টেনেহিঁচড়ে নিচে নামায়। সেখানে একজন বলতে থাকে, বাইচে আছেরে এখনো, মারেক।’
কথাগুলো বলছিলেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে নিহত পীর আবদুর রহমানের ভক্ত জামিরন। তার পাশে বসে ছিলেন আরেক ভক্ত রিমা খাতুন। হামলার সময় জামিরন তার ডান হাতের মাঝখানের আঙুলের মাঝে আঘাত পেয়েছেন। তিনি দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা নিয়েছেন।
রবিবার (১২ এপ্রিল) জামিরন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে থাকেন, বাবাকে মারতে মারতে নিচে নিয়ে আসা হয়। প্রথম যখন বাবাকে বের করে, তখন বাবা হাতজোড় করেছিল। কথা বলার সুযোগ চেয়েছিল। কিন্তু এলোপাতাড়ি যেভাবে মারছিল, কেউ তার কথা শোনেনি। নিচে নামিয়ে যখন রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মাথায়, মুখে, নাকের ওপর কোপাচ্ছিল, তখন একবার শুধু বলতে শোনা গেছে ‘ইয়া মুরশিদ’ এরপর আর কোনো কথা বাবা বলতে পারেননি।
জামিরন আরও বলেন, যারা লাঠিসোঁটা নিয়ে এসেছিল, তারা সংখ্যায় প্রায় ৮০ থেকে ৯০ জন। বয়স ১৫ থেকে ২৫ বছরের এর মধ্যে। কেউ কেউ বড়ও ছিল। তাদের আসা দেখে আমরা ভেবেছিনু হয়তো কোনো আলোচনা করতে আসছে। কিন্তু তারা ভাঙচুর, হামলা, বাবাকে মেরে ফেলবে, এটা বুঝতে পারিনি। পরে বুঝছি তারা প্রস্তুতি নিয়ে আইছিল। পরিকল্পনা করে বাবাকে হত্যা করেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, পীর আব্দুর রহমান ওরফে শামীম রেজা পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন কয়েক বছর আগে। এরপর গত শুক্রবার সকালে ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১৮ মিনিটের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, গ্রামের পাকা সড়কে শতাধিক মানুষ স্লোগান দিয়ে আব্দুর রহমানের দরবারের দিকে যাচ্ছে। মিছিলে থাকা লোকজনের একটি অংশ তার দরবারের এক তলা দুটি পাকা ভবন ও একটি টিনশেড ঘরে ঢুকে পড়ে। তারা ভবনের ছাদসহ ঘরগুলোয় ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়।

‘দুপুরের দিক আমি দরবারের গেটের সামনে দাড়া ছিনু। দেখমু বেশ কয়েকজন মানুষ রডলাঠি নিয়ে মিছিল করছে। এরপর দরবারের গেট ভাঙচুর শুরু করে দিল। ভিতরে বাবাকে (পীর) গলা ধরে টেনে বের করে হাতে থাকা রড দিয়ে বেদম মারতে থাকে। টেনেহিঁচড়ে নিচে নামায়। সেখানে একজন বলতে থাকে, বাইচে আছেরে এখনো, মারেক।’
কথাগুলো বলছিলেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে নিহত পীর আবদুর রহমানের ভক্ত জামিরন। তার পাশে বসে ছিলেন আরেক ভক্ত রিমা খাতুন। হামলার সময় জামিরন তার ডান হাতের মাঝখানের আঙুলের মাঝে আঘাত পেয়েছেন। তিনি দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা নিয়েছেন।
রবিবার (১২ এপ্রিল) জামিরন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে থাকেন, বাবাকে মারতে মারতে নিচে নিয়ে আসা হয়। প্রথম যখন বাবাকে বের করে, তখন বাবা হাতজোড় করেছিল। কথা বলার সুযোগ চেয়েছিল। কিন্তু এলোপাতাড়ি যেভাবে মারছিল, কেউ তার কথা শোনেনি। নিচে নামিয়ে যখন রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মাথায়, মুখে, নাকের ওপর কোপাচ্ছিল, তখন একবার শুধু বলতে শোনা গেছে ‘ইয়া মুরশিদ’ এরপর আর কোনো কথা বাবা বলতে পারেননি।
জামিরন আরও বলেন, যারা লাঠিসোঁটা নিয়ে এসেছিল, তারা সংখ্যায় প্রায় ৮০ থেকে ৯০ জন। বয়স ১৫ থেকে ২৫ বছরের এর মধ্যে। কেউ কেউ বড়ও ছিল। তাদের আসা দেখে আমরা ভেবেছিনু হয়তো কোনো আলোচনা করতে আসছে। কিন্তু তারা ভাঙচুর, হামলা, বাবাকে মেরে ফেলবে, এটা বুঝতে পারিনি। পরে বুঝছি তারা প্রস্তুতি নিয়ে আইছিল। পরিকল্পনা করে বাবাকে হত্যা করেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, পীর আব্দুর রহমান ওরফে শামীম রেজা পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন কয়েক বছর আগে। এরপর গত শুক্রবার সকালে ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১৮ মিনিটের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, গ্রামের পাকা সড়কে শতাধিক মানুষ স্লোগান দিয়ে আব্দুর রহমানের দরবারের দিকে যাচ্ছে। মিছিলে থাকা লোকজনের একটি অংশ তার দরবারের এক তলা দুটি পাকা ভবন ও একটি টিনশেড ঘরে ঢুকে পড়ে। তারা ভবনের ছাদসহ ঘরগুলোয় ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়।

‘বাবা হাতজোড় করেছিল, কেউ তার কথা শোনেনি’
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

‘দুপুরের দিক আমি দরবারের গেটের সামনে দাড়া ছিনু। দেখমু বেশ কয়েকজন মানুষ রডলাঠি নিয়ে মিছিল করছে। এরপর দরবারের গেট ভাঙচুর শুরু করে দিল। ভিতরে বাবাকে (পীর) গলা ধরে টেনে বের করে হাতে থাকা রড দিয়ে বেদম মারতে থাকে। টেনেহিঁচড়ে নিচে নামায়। সেখানে একজন বলতে থাকে, বাইচে আছেরে এখনো, মারেক।’
কথাগুলো বলছিলেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে নিহত পীর আবদুর রহমানের ভক্ত জামিরন। তার পাশে বসে ছিলেন আরেক ভক্ত রিমা খাতুন। হামলার সময় জামিরন তার ডান হাতের মাঝখানের আঙুলের মাঝে আঘাত পেয়েছেন। তিনি দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা নিয়েছেন।
রবিবার (১২ এপ্রিল) জামিরন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে থাকেন, বাবাকে মারতে মারতে নিচে নিয়ে আসা হয়। প্রথম যখন বাবাকে বের করে, তখন বাবা হাতজোড় করেছিল। কথা বলার সুযোগ চেয়েছিল। কিন্তু এলোপাতাড়ি যেভাবে মারছিল, কেউ তার কথা শোনেনি। নিচে নামিয়ে যখন রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মাথায়, মুখে, নাকের ওপর কোপাচ্ছিল, তখন একবার শুধু বলতে শোনা গেছে ‘ইয়া মুরশিদ’ এরপর আর কোনো কথা বাবা বলতে পারেননি।
জামিরন আরও বলেন, যারা লাঠিসোঁটা নিয়ে এসেছিল, তারা সংখ্যায় প্রায় ৮০ থেকে ৯০ জন। বয়স ১৫ থেকে ২৫ বছরের এর মধ্যে। কেউ কেউ বড়ও ছিল। তাদের আসা দেখে আমরা ভেবেছিনু হয়তো কোনো আলোচনা করতে আসছে। কিন্তু তারা ভাঙচুর, হামলা, বাবাকে মেরে ফেলবে, এটা বুঝতে পারিনি। পরে বুঝছি তারা প্রস্তুতি নিয়ে আইছিল। পরিকল্পনা করে বাবাকে হত্যা করেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, পীর আব্দুর রহমান ওরফে শামীম রেজা পবিত্র কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন কয়েক বছর আগে। এরপর গত শুক্রবার সকালে ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১৮ মিনিটের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, গ্রামের পাকা সড়কে শতাধিক মানুষ স্লোগান দিয়ে আব্দুর রহমানের দরবারের দিকে যাচ্ছে। মিছিলে থাকা লোকজনের একটি অংশ তার দরবারের এক তলা দুটি পাকা ভবন ও একটি টিনশেড ঘরে ঢুকে পড়ে। তারা ভবনের ছাদসহ ঘরগুলোয় ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়।




