যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাভিলাষী দাবির কারণেই হয়নি সমঝোতা: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাভিলাষী দাবির কারণেই হয়নি সমঝোতা: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দীর্ঘ বৈঠক ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হলেও, দুই পক্ষের অবস্থানগত পার্থক্য কাটেনি। ফলে কোনো সমঝোতা ছাড়াই পাকিস্তান ছেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল। এর কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাভিলাষী দাবির কথা উল্লেখ করেছে ইরান।
রবিবার (১২ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। মার্কিন পক্ষের ‘অতিরিক্ত ও অবাস্তব দাবির’ কারণেই সমঝোতা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে ইরান।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করেছে, যা তারা সামরিক অভিযানে অর্জন করতে পারেনি। এর মধ্যে অন্যতম হলো হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং ইরান থেকে পারমাণবিক উপাদান সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি।
আরও বলা হয়েছে,ইরানি প্রতিনিধিরা বিভিন্ন প্রস্তাবের মাধ্যমে একটি সমঝোতার পথ তৈরি করতে চাইলেও মার্কিন পক্ষের ‘অতিরিক্ত দাবি’তাদের বাস্তবতা ও যুক্তি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।
এদিকে,যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন,প্রথমেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানাই । তবে কোনো চুক্তি ছাড়াই আমরা দেশে ফিরছি।
তিনি বলেন, আলোচনায় যে ঘাটতিগুলো রয়ে গেছে,সেগুলোর জন্য পাকিস্তানিদের দায়ী না। তারা অসাধারণ কাজ করেছে এবং আমাদের ও ইরানের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে অনেক চেষ্টা করেছে। আমরা প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেছি এবং ইরানের সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
জেডি ভ্যান্স বলেন, খারাপ খবর হলো আমরা কোনও চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি। তবে আমি মনে করি এটা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ইরানের জন্য বেশি খারাপ খবর। তাই আমরা কোনও চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছি। আমরা আমাদের ‘রেড লাইন’ কী, কোন বিষয়ে ছাড় দিতে পারি আর কোন বিষয়ে পারি না— সবই পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের শর্ত মেনে নেয়নি।
তিনি বলেন, আমরা একটি সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেখতে চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনও সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টাও করবে না। যা তাদের দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সহায়তা করবে। এটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য এবং আমরা এই আলোচনার মাধ্যমে সেটাই অর্জন করার চেষ্টা করেছি।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, আলোচনায় বিভিন্ন ইস্যুতে কথা হয়েছে, কিন্তু কোনও অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হয়নি। আমরা এমন পরিস্থিতিতে পৌঁছাতে পারিনি যেখানে ইরান আমাদের শর্ত মেনে নিতে রাজি হয়েছে। আমি মনে করি আমরা যথেষ্ট নমনীয় ছিলাম, অনেক ছাড় দেয়ার মনোভাব দেখিয়েছি।’
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট আমাদের বলেছেন— সৎ উদ্দেশ্যে এখানে আসো এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করো। আমরা সেটাই করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমরা কোনও অগ্রগতি করতে পারিনি।

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দীর্ঘ বৈঠক ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হলেও, দুই পক্ষের অবস্থানগত পার্থক্য কাটেনি। ফলে কোনো সমঝোতা ছাড়াই পাকিস্তান ছেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল। এর কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাভিলাষী দাবির কথা উল্লেখ করেছে ইরান।
রবিবার (১২ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। মার্কিন পক্ষের ‘অতিরিক্ত ও অবাস্তব দাবির’ কারণেই সমঝোতা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে ইরান।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করেছে, যা তারা সামরিক অভিযানে অর্জন করতে পারেনি। এর মধ্যে অন্যতম হলো হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং ইরান থেকে পারমাণবিক উপাদান সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি।
আরও বলা হয়েছে,ইরানি প্রতিনিধিরা বিভিন্ন প্রস্তাবের মাধ্যমে একটি সমঝোতার পথ তৈরি করতে চাইলেও মার্কিন পক্ষের ‘অতিরিক্ত দাবি’তাদের বাস্তবতা ও যুক্তি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।
এদিকে,যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন,প্রথমেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানাই । তবে কোনো চুক্তি ছাড়াই আমরা দেশে ফিরছি।
তিনি বলেন, আলোচনায় যে ঘাটতিগুলো রয়ে গেছে,সেগুলোর জন্য পাকিস্তানিদের দায়ী না। তারা অসাধারণ কাজ করেছে এবং আমাদের ও ইরানের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে অনেক চেষ্টা করেছে। আমরা প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেছি এবং ইরানের সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
জেডি ভ্যান্স বলেন, খারাপ খবর হলো আমরা কোনও চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি। তবে আমি মনে করি এটা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ইরানের জন্য বেশি খারাপ খবর। তাই আমরা কোনও চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছি। আমরা আমাদের ‘রেড লাইন’ কী, কোন বিষয়ে ছাড় দিতে পারি আর কোন বিষয়ে পারি না— সবই পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের শর্ত মেনে নেয়নি।
তিনি বলেন, আমরা একটি সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেখতে চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনও সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টাও করবে না। যা তাদের দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সহায়তা করবে। এটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য এবং আমরা এই আলোচনার মাধ্যমে সেটাই অর্জন করার চেষ্টা করেছি।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, আলোচনায় বিভিন্ন ইস্যুতে কথা হয়েছে, কিন্তু কোনও অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হয়নি। আমরা এমন পরিস্থিতিতে পৌঁছাতে পারিনি যেখানে ইরান আমাদের শর্ত মেনে নিতে রাজি হয়েছে। আমি মনে করি আমরা যথেষ্ট নমনীয় ছিলাম, অনেক ছাড় দেয়ার মনোভাব দেখিয়েছি।’
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট আমাদের বলেছেন— সৎ উদ্দেশ্যে এখানে আসো এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করো। আমরা সেটাই করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমরা কোনও অগ্রগতি করতে পারিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাভিলাষী দাবির কারণেই হয়নি সমঝোতা: ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দীর্ঘ বৈঠক ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হলেও, দুই পক্ষের অবস্থানগত পার্থক্য কাটেনি। ফলে কোনো সমঝোতা ছাড়াই পাকিস্তান ছেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল। এর কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাভিলাষী দাবির কথা উল্লেখ করেছে ইরান।
রবিবার (১২ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। মার্কিন পক্ষের ‘অতিরিক্ত ও অবাস্তব দাবির’ কারণেই সমঝোতা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে ইরান।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করেছে, যা তারা সামরিক অভিযানে অর্জন করতে পারেনি। এর মধ্যে অন্যতম হলো হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং ইরান থেকে পারমাণবিক উপাদান সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি।
আরও বলা হয়েছে,ইরানি প্রতিনিধিরা বিভিন্ন প্রস্তাবের মাধ্যমে একটি সমঝোতার পথ তৈরি করতে চাইলেও মার্কিন পক্ষের ‘অতিরিক্ত দাবি’তাদের বাস্তবতা ও যুক্তি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।
এদিকে,যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন,প্রথমেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানকে ধন্যবাদ জানাই । তবে কোনো চুক্তি ছাড়াই আমরা দেশে ফিরছি।
তিনি বলেন, আলোচনায় যে ঘাটতিগুলো রয়ে গেছে,সেগুলোর জন্য পাকিস্তানিদের দায়ী না। তারা অসাধারণ কাজ করেছে এবং আমাদের ও ইরানের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে অনেক চেষ্টা করেছে। আমরা প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেছি এবং ইরানের সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
জেডি ভ্যান্স বলেন, খারাপ খবর হলো আমরা কোনও চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি। তবে আমি মনে করি এটা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় ইরানের জন্য বেশি খারাপ খবর। তাই আমরা কোনও চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছি। আমরা আমাদের ‘রেড লাইন’ কী, কোন বিষয়ে ছাড় দিতে পারি আর কোন বিষয়ে পারি না— সবই পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি। কিন্তু তারা আমাদের শর্ত মেনে নেয়নি।
তিনি বলেন, আমরা একটি সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেখতে চাই যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এবং এমন কোনও সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টাও করবে না। যা তাদের দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সহায়তা করবে। এটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য এবং আমরা এই আলোচনার মাধ্যমে সেটাই অর্জন করার চেষ্টা করেছি।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, আলোচনায় বিভিন্ন ইস্যুতে কথা হয়েছে, কিন্তু কোনও অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হয়নি। আমরা এমন পরিস্থিতিতে পৌঁছাতে পারিনি যেখানে ইরান আমাদের শর্ত মেনে নিতে রাজি হয়েছে। আমি মনে করি আমরা যথেষ্ট নমনীয় ছিলাম, অনেক ছাড় দেয়ার মনোভাব দেখিয়েছি।’
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট আমাদের বলেছেন— সৎ উদ্দেশ্যে এখানে আসো এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করো। আমরা সেটাই করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমরা কোনও অগ্রগতি করতে পারিনি।




