জ্বালানি মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি, জামাই-শ্বশুরের কারাদণ্ড

জ্বালানি মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি, জামাই-শ্বশুরের কারাদণ্ড
জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরে জ্বালানি তেল সংগ্রহ ও মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে শ্বশুর ও জামাতাকে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে তাদের এ সাজা দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন– মো. হাবিব ও তার জামাতা নাজমুল হাসান। মো. হাবিব শহরের গেটপাড় এলাকার একটি ওয়ার্কশপের মালিক। গতকাল রাতে তাদের দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জামাই-শ্বশুর মিলে জামালপুর শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন থেকে মোটরসাইকেলের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহ করতেন। ওই জ্বালানি ড্রাম ও বোতলে নামিয়ে অবৈধভাবে মজুত করে রাখতেন। পরে সরকার নির্ধারিত মূলের চেয়ে অতিরিক্ত দামে খোলাবাজারে বিক্রি করছিলেন।
সোমবার রাতে নিজের ওয়ার্কশপের সামনে মোটরসাইকেলের ট্যাংক থেকে জ্বালানি নামিয়ে বোতলে ভরছিলেন হাবিব। এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমন হোসেনের নেতৃত্বে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হাবিব ও নাজমুলকে হাতেনাতে ধরা হয়। পরে ওই দুইজনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমন হোসেন বলেন, মোটরসাইকেলের ট্যাংক থেকে বোতলে ভরে জ্বালানি মজুত করছিলেন ওই দুই জন। পরে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬–এর বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জামালপুরে জ্বালানি তেল সংগ্রহ ও মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে শ্বশুর ও জামাতাকে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে তাদের এ সাজা দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন– মো. হাবিব ও তার জামাতা নাজমুল হাসান। মো. হাবিব শহরের গেটপাড় এলাকার একটি ওয়ার্কশপের মালিক। গতকাল রাতে তাদের দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জামাই-শ্বশুর মিলে জামালপুর শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন থেকে মোটরসাইকেলের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহ করতেন। ওই জ্বালানি ড্রাম ও বোতলে নামিয়ে অবৈধভাবে মজুত করে রাখতেন। পরে সরকার নির্ধারিত মূলের চেয়ে অতিরিক্ত দামে খোলাবাজারে বিক্রি করছিলেন।
সোমবার রাতে নিজের ওয়ার্কশপের সামনে মোটরসাইকেলের ট্যাংক থেকে জ্বালানি নামিয়ে বোতলে ভরছিলেন হাবিব। এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমন হোসেনের নেতৃত্বে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হাবিব ও নাজমুলকে হাতেনাতে ধরা হয়। পরে ওই দুইজনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমন হোসেন বলেন, মোটরসাইকেলের ট্যাংক থেকে বোতলে ভরে জ্বালানি মজুত করছিলেন ওই দুই জন। পরে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬–এর বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি, জামাই-শ্বশুরের কারাদণ্ড
জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরে জ্বালানি তেল সংগ্রহ ও মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে শ্বশুর ও জামাতাকে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে তাদের এ সাজা দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন– মো. হাবিব ও তার জামাতা নাজমুল হাসান। মো. হাবিব শহরের গেটপাড় এলাকার একটি ওয়ার্কশপের মালিক। গতকাল রাতে তাদের দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জামাই-শ্বশুর মিলে জামালপুর শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন থেকে মোটরসাইকেলের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহ করতেন। ওই জ্বালানি ড্রাম ও বোতলে নামিয়ে অবৈধভাবে মজুত করে রাখতেন। পরে সরকার নির্ধারিত মূলের চেয়ে অতিরিক্ত দামে খোলাবাজারে বিক্রি করছিলেন।
সোমবার রাতে নিজের ওয়ার্কশপের সামনে মোটরসাইকেলের ট্যাংক থেকে জ্বালানি নামিয়ে বোতলে ভরছিলেন হাবিব। এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমন হোসেনের নেতৃত্বে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হাবিব ও নাজমুলকে হাতেনাতে ধরা হয়। পরে ওই দুইজনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমন হোসেন বলেন, মোটরসাইকেলের ট্যাংক থেকে বোতলে ভরে জ্বালানি মজুত করছিলেন ওই দুই জন। পরে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬–এর বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।




