শিরোনাম

সমর্থন জোরদারে মস্কোর দিকে ঝুঁকছে ইরান

২২: ২৮

সমর্থন জোরদারে মস্কোর দিকে ঝুঁকছে ইরান

সমর্থন জোরদারে মস্কোর দিকে ঝুঁকছে ইরান
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (ডানে) এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান (বায়ে)। ছবি: এপি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির ইসলামাবাদ, মাস্কাট এবং মস্কো সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি এই সফরগুলোকে ‘সময়োপযোগী কূটনৈতিক উদ্যোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, এসব সফর ইরানের বহুমুখী কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ, যেখানে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক।

দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মস্কো সফরটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। তার মতে, তেহরান এখন জাতিসংঘে অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য রাশিয়ার কাছ থেকে কূটনৈতিক ও কৌশলগত সমর্থন চাইতে পারে।

তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, ইরান রাশিয়ার কাছে চাপ তৈরি করতে পারে যাতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এমন একটি প্রস্তাব আনা হয়, যা ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আগ্রাসন না হওয়ার নিশ্চয়তা দেবে।

এছাড়া সামরিক সহযোগিতার বিষয়ও আলোচনায় থাকতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এর মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং সম্ভাব্য অস্ত্র সরবরাহ সংক্রান্ত আলোচনার ইঙ্গিতও রয়েছে।

তবে এসব কূটনৈতিক তৎপরতা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান এখনো রয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর ইচ্ছা বা প্রস্তুতি দেখাচ্ছে না।

ফলে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও তেহরান-ওয়াশিংটন সংকটের সমাধান এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

২২: ১৫

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানি ২,৪৯১ ছাড়িয়েছে

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘাত শুরুর পর থেকে দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২,৪৯১ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৭,৭১৯ জন।

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, দক্ষিণ লেবাননের ইয়াতার শহরে ইসরায়েলি গোলন্দাজ বাহিনীর গোলাবর্ষণে একাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে উদ্ধার কার্যক্রম চলছে বলে জানানো হয়েছে।

এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের তাইবেহ এবং বিন্ট জেবাইল শহরের উপকণ্ঠেও ইসরায়েলি বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে, যেখানে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।

চলমান এই সংঘাতকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা, যেখানে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

২২: ০৪

ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সময় আসেনি: ইইউ

চলমান কূটনৈতিক তৎপরতা সত্ত্বেও ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সময় এখনো আসেনি বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা। তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা ‘সময়ের আগে’ হয়ে যাবে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সাইপ্রাসে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কস্তা বলেন, ইরানের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করার বিষয়ে আলোচনা শুরু করার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি।

একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন। তার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, ব্রাসেলস এখনো ইরান ইস্যুতে সতর্ক ও পর্যবেক্ষণমূলক নীতি অনুসরণ করছে।

তবে কিছুটা ভিন্ন সুর শোনা গেছে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জের বক্তব্যে। তিনি বলেছেন, যদি ইরানের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর চুক্তি সম্পন্ন হয়, তাহলে ইইউ নেতারা ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।

সব মিলিয়ে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনো ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দিলেও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে নয়।

সূত্র: আল জাজিরা

২১: ৫৫

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে রাশিয়া ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে রাশিয়া ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ও পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ও পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সম্ভাব্য পাকিস্তান সফরের আগেই আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) তাদের মধ্যে এই টেলিফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আলোচনায় আঞ্চলিক পরিস্থিতির পাশাপাশি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ঘিরে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও গুরুত্ব পেয়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রশংসা করেন ল্যাভরভ। একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে মস্কোর প্রস্তুতির কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সব মিলিয়ে, চলমান উত্তেজনার মধ্যেও কূটনৈতিক সমাধানের পথে আন্তর্জাতিক সমর্থন বাড়ানোর ইঙ্গিতই মিলেছে এই ফোনালাপে।

সূত্র: আল জাজিরা

২১: ২০

মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করতে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ।

এর ফলে ২০০৩ সালের পর এই প্রথমবারের মতো অঞ্চলটিতে একসঙ্গে তিনটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করা হলো। বিশ্লেষকদের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বড় ধরনের শক্তি প্রদর্শনের ইঙ্গিত বহন করছে।

জানা গেছে, এসব রণতরী ও তাদের সঙ্গে থাকা নৌবহরে মিলিয়ে প্রায় ২০০টি যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে, যা যে কোনো সামরিক পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।

অন্যদিকে, পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অবস্থান জানায়নি হোয়াইট হাউস। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত এ বিষয়ে তাদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

পর্যবেক্ষকদের ধারণা, ইরানের প্রতিনিধিদল আলোচনায় কী অবস্থান নেয়, সেটি দেখার জন্যই আপাতত অপেক্ষা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র: আল জাজিরা

২০: ৫৯

জব্দকৃত জাহাজে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম ছিল: ইরান

জব্দকৃত জাহাজে গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম ছিল: ইরান
ইরানের ট্যাঙ্কার। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি ও ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধের প্রেক্ষাপটে ইরানের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন।

১৯ এপ্রিলের ওই ঘটনার উল্লেখ করে এক বিবৃতিতে মিশনটি দাবি করেছে, ‘তুস্কা’ নামের জাহাজটিকে যুক্তরাষ্ট্র অবৈধভাবে আটক করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজটিতে গুরুত্বপূর্ণ ডায়ালাইসিস সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ছিল।

ইরানের মিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই জব্দকরণ আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তারা সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ শুধু নৌচলাচলের স্বাধীনতাকেই ব্যাহত করে না, বরং সরাসরি মানবিক ঝুঁকি তৈরি করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাহাজে থাকা চিকিৎসা সরঞ্জাম জরুরি চিকিৎসাসেবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ফলে এই পদক্ষেপ অসহায় রোগীদের জীবনকে গুরুতর ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

এ ঘটনাকে ‘জবরদস্তিমূলক ও বেআইনি’ আখ্যা দিয়ে ইরানের মিশন সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

২০: ১৩

ইরানের সামনে এখনও চুক্তির সুযোগ রয়েছে: হেগসেথ

ইরানের সামনে এখনও চুক্তির সুযোগ রয়েছে: হেগসেথ
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সামনে এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি বলেছেন, তেহরান চাইলে একটি কার্যকর ও বুদ্ধিদীপ্ত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান হেগসেথ। ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে অবস্থিত পেন্টাগনে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

হেগসেথ বলেন, ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৪টি জাহাজকে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই অবরোধ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং এর প্রভাব ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান।

ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই অবরোধ আরও কঠোর রূপ নিচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতি পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষায়, এখন এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে যে ইরানের বন্দরে কোনো পণ্য প্রবেশ বা বের হওয়া কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এই অবরোধ কেবল আঞ্চলিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি ধীরে ধীরে বৈশ্বিক পরিসরেও বিস্তৃত হচ্ছে।

তিনি স্পষ্ট করে জানান, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর এই অবরোধ অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত সময় রয়েছে এবং তারা কোনো চুক্তি করতে তাড়াহুড়ো করছে না।

সূত্র: রয়টার্স

১৯: ২৭

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে আবারও ইসরায়েলের বিমান হামলা

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে আবারও ইসরায়েলের বিমান হামলা
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ছবি: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার জেরে তারা লেবাননের খেরবেত সেলেম ও তুলিন শহরের একাধিক ভবন লক্ষ্য করে এ হামলা পরিচালনা করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, ওই ভবনগুলো হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রম’ পরিচালনার জন্য ব্যবহার করত। তবে এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

পোস্টে আরও বলা হয়, ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের শহর শ্লোমি লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর রাতভর রকেট হামলার জবাব হিসেবেই এই পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

১৮: ২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ অপরিহার্য: ইইউ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কাল্লাস বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যে কোনো পারমাণবিক আলোচনায় বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতি নিশ্চিত না হলে চূড়ান্ত চুক্তি দুর্বল হয়ে পড়বে। তার মতে, এ ধরনের চুক্তি ২০১৫ সালের যৌথ কর্মপরিকল্পনা (জেসিপিওএ)-এর মানও ছুঁতে পারবে না।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সাইপ্রাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের এক অনানুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলনের আগে তিনি এ মন্তব্য করেন। কাল্লাস বলেন, ‘আলোচনা যদি শুধু পারমাণবিক ইস্যুতে সীমাবদ্ধ থাকে এবং সেখানে কোনো পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ না থাকেন, তাহলে আমরা এমন একটি চুক্তির দিকে যাব, যা জেসিপিওএ-এর চেয়েও দুর্বল হবে।’

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, শুধু পারমাণবিক কর্মসূচি নয়—ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন, আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন, এমনকি ইউরোপে হাইব্রিড ও সাইবার কার্যক্রমের মতো বিষয়গুলোও আলোচনায় না এলে পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তার ভাষায়, এসব ইস্যু অমীমাংসিত থাকলে ‘আমরা আরও বিপজ্জনক এক ইরানের মুখোমুখি হব।’

উল্লেখ্য, জেসিপিওএ চুক্তির আওতায় ইরান আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতির বিনিময়ে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সীমিত করা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্মত হয়েছিল। তবে ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে এই চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন।

সূত্র: আল জাজিরা

১৮: ১২

ইরান যুদ্ধে ইউরোপে প্রতিদিন শত কোটি ইউরো ক্ষতি

ইরান যুদ্ধে ইউরোপে প্রতিদিন শত কোটি ইউরো ক্ষতি
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব সরাসরি ইউরোপের অর্থনীতিতে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শূন্য দশমিক ২ থেকে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন ইইউর অর্থনীতি ও উৎপাদনশীলতা বিষয়ক কমিশনার ভালদিস ডোমব্রোভস্কিস।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)-এর দাম প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে, যা ইউরোপের জ্বালানি ব্যয়কে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

একই সঙ্গে বিমান চলাচলের জ্বালানির উচ্চমূল্য আন্তর্জাতিক পরিবহন খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর পাশাপাশি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে ইউরোপে পণ্য আমদানি ও সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দিচ্ছে।

এই সব মিলিয়ে প্রতিদিনই ইইউর অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হচ্ছে। হিসাব অনুযায়ী, দৈনিক প্রায় ৫০ কোটি ইউরো (প্রায় ৫৮ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার) আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে ইউরোপীয় অর্থনীতি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে ইউরোপের শিল্প উৎপাদন, বাণিজ্য ও ভোক্তা ব্যয়—সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব আরও গভীর হতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা

১৭: ৪৯

আটক ইরানি জাহাজ নিয়ে ট্রাম্পের দাবি নাকচ বেইজিংয়ের

আটক ইরানি জাহাজ নিয়ে ট্রাম্পের দাবি নাকচ বেইজিংয়ের
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক হওয়া ইরানের পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজকে চীনের ‘উপহার’ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে দাবি করেছেন, তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকা উচিত।’ তিনি ইঙ্গিত দেন, এই ধরনের দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরে নৌ-অবরোধ আরোপ করে এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তেহরানও ওই কৌশলগত জলপথে নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে এবং কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করার পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্য কার্যক্রম সীমিত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা পারস্য উপসাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

১৭: ৩১

ইসহাক ও অসীম মুনিরের সঙ্গে আরাঘচির ফোনালাপ

ইসহাক ও অসীম মুনিরের সঙ্গে আরাঘচির ফোনালাপ
পাকিস্তানি সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরানে পৌঁছালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি (ডানদিকে) অভ্যর্থনা জানান। ছবি: আল জাজিরা

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ও এবং দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাতে জানা যায়, এই ফোনালাপে তারা সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ ছাড়া পৃথক আরেকটি প্রতিবেদনে তাসনিম জানায়, ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট নেচিরভান বারজানির সঙ্গেও একই দিনে ফোনে কথা বলেছেন আরাগচি। সেখানে আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতে মতবিনিময় হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

১৭: ১৮

ইরাক থেকে কুয়েতের সীমান্ত চৌকিতে ড্রোন হামলা

ইরাক থেকে কুয়েতের সীমান্ত চৌকিতে ড্রোন হামলা
ইরাকের দিক থেকে আসা দুটি ড্রোন কুয়েতের উত্তর সীমান্তে অবস্থিত চৌকিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ছবি: আল জাজিরা

কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরাকের দিক থেকে আসা দুটি ড্রোন দেশটির উত্তর সীমান্তে অবস্থিত চৌকিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এতে কিছু অবকাঠামোগত ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে কুয়েতের সেনাবাহিনী জানায়, ‘আজ সকালে উত্তরাঞ্চলের দুটি স্থল সীমান্ত চৌকিতে একটি অপরাধমূলক আগ্রাসন চালানো হয়েছে। ইরাক প্রজাতন্ত্র থেকে আসা ফাইবার-অপটিক কেবল নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরকবাহী দুটি ড্রোন এই হামলা চালায়।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামলার ফলে বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে, তবে সৌভাগ্যক্রমে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।

উল্লেখ্য, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের সময় কুয়েত একাধিকবার সীমান্তপারের হামলার মুখে পড়েছে। দেশটির দাবি, ইরাক থেকে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর ছোড়া শত শত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ইতোমধ্যে তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

এসব হামলায় বিমানবন্দর, জ্বালানি অবকাঠামো এবং কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটিসহ বিভিন্ন স্থানে আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সূত্র: আল জাজিরা

১৬: ৫৭

হরমুজ বন্ধের পর বসরায় ভিড়লো তেল বোঝাই ট্যাঙ্কার

হরমুজ বন্ধের পর বসরায় ভিড়লো তেল বোঝাই ট্যাঙ্কার
পারস্য উপসাগরে তেলবাহী ট্যাংকার। ছবি: ইন্ডিয়া টুডে

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার পর দ্বিতীয়বারের মতো একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলের বসরা বন্দরে পৌঁছেছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার ট্যাঙ্কারটি বসরার একটি অফশোর লোডিং টার্মিনালে ভিড়েছে এবং সেখানে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বোঝাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সূত্রগুলো জানায়, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার পর কমোরোসের পতাকাবাহী ‘হেলগা’ নামের ট্যাঙ্কারটি বসরায় পৌঁছানো দ্বিতীয় জাহাজ। এর আগে একই পরিস্থিতিতে আরেকটি ট্যাঙ্কার সেখানে নোঙর করেছিল।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থার প্রভাব ইতোমধ্যে তেল সরবরাহ ও বৈশ্বিক বাজারে চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: আল জাজিরা

১৬: ৪১

‘তেলক্ষেত্রে হামলা হলে সমান জবাব দেবে ইরান’

‘তেলক্ষেত্রে হামলা হলে সমান জবাব দেবে ইরান’
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানের লাভানে অবস্থিত একটি তেল শোধনাগার আক্রান্ত হয়। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের তেলক্ষেত্রে কোনো ধরনের হামলা চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্রকে সমপরিমাণ পাল্টা জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাঈল সাকাব এসফাহানি। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

সাকাব এসফাহানি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ যদি আবারও কোনো ভুল করে, তাহলে আমাদের কৌশল হবে ‘চোখের বদলে চোখ’। আমাদের কোনো তেলকূপে আঘাত করা হলে, যে দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আমাদের ওপর হামলা চালানো হবে, সেই দেশের তেল স্থাপনাগুলোও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’

তেহরানের চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়া নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, আলোচনার টেবিলে ইরানের প্রতিনিধি দল এখন শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং তারা প্রতিপক্ষের ওপর চাপ বজায় রেখেছে।

দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, এ খাতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সচেষ্ট রয়েছে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিভিন্ন তেলক্ষেত্রে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন। পাশাপাশি দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সুপেয় পানির স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও তিনি একাধিকবার উল্লেখ করেছেন।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

১৬: ১৩

পেন্টাগনের ফাঁস হওয়া ইমেইল প্রত্যাখ্যান স্পেনের

পেন্টাগনের ফাঁস হওয়া ইমেইল প্রত্যাখ্যান স্পেনের
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। ছবি: সংগৃহীত

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ পেন্টাগনের ফাঁস হওয়া একটি কথিত অভ্যন্তরীণ ইমেইল নিয়ে প্রকাশিত রয়টার্সের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যুদ্ধে সমর্থন না দেওয়া ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উপায় খতিয়ে দেখা হচ্ছিল, যার মধ্যে স্পেনকে সাময়িকভাবে জোট থেকে বহিষ্কারের বিষয়টিও বিবেচনায় ছিল।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সানচেজ বলেন, মাদ্রিদ শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের প্রতিই সাড়া দেয়, অভ্যন্তরীণ ইমেইল বা অনানুষ্ঠানিক বার্তার ভিত্তিতে নয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো ইমেইলের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেই না, আমরা দাপ্তরিক নথি ও আনুষ্ঠানিক অবস্থানের ভিত্তিতেই কাজ করি।’

সূত্র: আল জাজিরা

১৫: ৫৭

মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত স্থিতিশীলতা জরুরি: ম্যাক্রোঁ

মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত স্থিতিশীলতা জরুরি: ম্যাক্রোঁ
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরে আসা এখন ‘সবার স্বার্থেই’ প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের প্রভাব ইরানে পড়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতি চাপে পড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাইপ্রাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে ম্যাক্রোঁ এ মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে আসা এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে আস্থা ফিরিয়ে আনা সবার জন্যই অত্যন্ত জরুরি।’

এই সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র: আল জাজিরা