ইরানের আরও ৩ ট্যাঙ্কার আটকালো যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের আরও ৩ ট্যাঙ্কার আটকালো যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

শান্তিচুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ইরানের আরও অন্তত তিনটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একইসঙ্গে ইরানি বন্দরগামী বা সেখান থেকে বের হওয়া ২৯টি জাহাজের পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী এশীয় জলসীমায় ইরানের পতাকাবাহী অন্তত তিনটি ট্যাঙ্কার আটক করেছে এবং সেগুলোকে ভারত, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার নিকটবর্তী অবস্থান করা এসব জাহাজকে অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আটক হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে ‘ডিপ সি’ নামের একটি সুপারট্যাঙ্কার ছিল। এটি আংশিকভাবে অপরিশোধিত তেল বহন করছিল। এছাড়া ‘সেভিন’ নামের একটি ছোট ট্যাঙ্কার রয়েছে। জাহাজটির ধারণক্ষমতা প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল এবং তখন এটি প্রায় ৬৫ শতাংশ ভর্তি ছিল। সেটিকেও থামানো হয়। আরেকটি বড় ট্যাঙ্কার ‘ডোরেনা’, যা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল বোঝাই ছিল, সেটিকেও আটক করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কমান্ড সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানি বন্দরগুলোতে তাদের নৌ অবরোধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৯টি জাহাজকে ফিরে যেতে বা পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে।
প্রায় দুই মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে চলমান অস্থিরতা এখনও কাটেনি। নাজুক যুদ্ধবিরতি চলমান থাকলেও শান্তি আলোচনায় তেমন অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্বে তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে হয়ে থাকে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি কার্গো জাহাজ ও একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করে। অন্যদিকে ইরানও গুলি চালিয়ে অন্তত দুটি কনটেইনার জাহাজ আটক করেছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
সূত্র: রয়টার্স

শান্তিচুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ইরানের আরও অন্তত তিনটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একইসঙ্গে ইরানি বন্দরগামী বা সেখান থেকে বের হওয়া ২৯টি জাহাজের পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী এশীয় জলসীমায় ইরানের পতাকাবাহী অন্তত তিনটি ট্যাঙ্কার আটক করেছে এবং সেগুলোকে ভারত, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার নিকটবর্তী অবস্থান করা এসব জাহাজকে অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আটক হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে ‘ডিপ সি’ নামের একটি সুপারট্যাঙ্কার ছিল। এটি আংশিকভাবে অপরিশোধিত তেল বহন করছিল। এছাড়া ‘সেভিন’ নামের একটি ছোট ট্যাঙ্কার রয়েছে। জাহাজটির ধারণক্ষমতা প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল এবং তখন এটি প্রায় ৬৫ শতাংশ ভর্তি ছিল। সেটিকেও থামানো হয়। আরেকটি বড় ট্যাঙ্কার ‘ডোরেনা’, যা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল বোঝাই ছিল, সেটিকেও আটক করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কমান্ড সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানি বন্দরগুলোতে তাদের নৌ অবরোধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৯টি জাহাজকে ফিরে যেতে বা পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে।
প্রায় দুই মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে চলমান অস্থিরতা এখনও কাটেনি। নাজুক যুদ্ধবিরতি চলমান থাকলেও শান্তি আলোচনায় তেমন অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্বে তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে হয়ে থাকে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি কার্গো জাহাজ ও একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করে। অন্যদিকে ইরানও গুলি চালিয়ে অন্তত দুটি কনটেইনার জাহাজ আটক করেছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানের আরও ৩ ট্যাঙ্কার আটকালো যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

শান্তিচুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ইরানের আরও অন্তত তিনটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। একইসঙ্গে ইরানি বন্দরগামী বা সেখান থেকে বের হওয়া ২৯টি জাহাজের পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী এশীয় জলসীমায় ইরানের পতাকাবাহী অন্তত তিনটি ট্যাঙ্কার আটক করেছে এবং সেগুলোকে ভারত, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার নিকটবর্তী অবস্থান করা এসব জাহাজকে অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আটক হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে ‘ডিপ সি’ নামের একটি সুপারট্যাঙ্কার ছিল। এটি আংশিকভাবে অপরিশোধিত তেল বহন করছিল। এছাড়া ‘সেভিন’ নামের একটি ছোট ট্যাঙ্কার রয়েছে। জাহাজটির ধারণক্ষমতা প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল এবং তখন এটি প্রায় ৬৫ শতাংশ ভর্তি ছিল। সেটিকেও থামানো হয়। আরেকটি বড় ট্যাঙ্কার ‘ডোরেনা’, যা প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল বোঝাই ছিল, সেটিকেও আটক করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কমান্ড সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানি বন্দরগুলোতে তাদের নৌ অবরোধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৯টি জাহাজকে ফিরে যেতে বা পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে।
প্রায় দুই মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে চলমান অস্থিরতা এখনও কাটেনি। নাজুক যুদ্ধবিরতি চলমান থাকলেও শান্তি আলোচনায় তেমন অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্বে তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে হয়ে থাকে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি কার্গো জাহাজ ও একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করে। অন্যদিকে ইরানও গুলি চালিয়ে অন্তত দুটি কনটেইনার জাহাজ আটক করেছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
সূত্র: রয়টার্স




