সবুজ টিলা ঢেকে যাচ্ছে কংক্রিটে
সিলেট সংবাদদাতা

সবুজ টিলা ঢেকে যাচ্ছে কংক্রিটে
সিলেট সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭: ০০

ছবি: সংগৃহীত
সিলেট অঞ্চলের সবুজ টিলা এখন কংক্রিটে ঢেকে যাচ্ছে। কোথাও কাটা পাহাড়, কোথাও নতুন বসতির ফলে চোখে পড়ছে বদলে যাওয়া দৃশ্য। গত এক দশকের বেশি সময়ে সিলেট অঞ্চলে গাছের সবুজ আচ্ছাদন কমার প্রবণতা এখন গবেষণায় উঠে এসেছে।
গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচ- এর স্যাটেলাইটভিত্তিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সিলেট অঞ্চলে প্রায় ৮ দশমিক ৭ হাজার হেক্টর বৃক্ষ আচ্ছাদন হারিয়েছে। এটি ২০০০ সালের মোট বৃক্ষ আচ্ছাদনের প্রায় ৭ শতাংশের সমান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই কমেছে গত এক দশকে, বিশেষ করে ২০১৪-২০২৩ সময়কালে ক্ষতি হয়েছে বেশি।
সেখানে আরো বলা হয়, ২০০১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সিলেট বিভাগের মোট বৃক্ষ আচ্ছাদন ক্ষতির প্রায় ৫৯ শতাংশই ঘটেছে একটি জেলাতেই। একই সময়ে মৌলভীবাজার জেলা হারিয়েছে প্রায় ৫ দশমিক ১ হাজার হেক্টর বনভূমি, যা পুরো অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ। এরপর রয়েছে হবিগঞ্জ, যেখানে এই সময়ে বনভূমি ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ দশমিক ৬ হাজার হেক্টর। তুলনামূলকভাবে সিলেট জেলায় ক্ষতি হয়েছে ৭৪০ হেক্টর এবং সুনামগঞ্জে ২৩০ হেক্টর।
সিলেট নগরের খাদিমনগর, টিলাগড়, এয়ারপোর্ট রোড ও উপশহর এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, যেসব এলাকায় আগে ঘন সবুজ ছিল, সেখানে এখন বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে উঠেছে।
বিশ্ববিখ্যাত পরিবেশ বিষয়ক ইনডেস্ক ‘ন্যাচার’- এর তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলায় ভূমি ব্যবহার ও ভূমি আচ্ছাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে।
এ বিষয়ে ইয়ুথ নেট গ্লোবালের এক্সিকিউটিভ কো-অর্ডিনেটর সোহানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, বৈশ্বিক তামপাত্রা বাড়ছে, সেখানে বাংলাদেশের অবদান আছে। সিলেট একসময় সবুজায়নের জন্য বিখ্যাত থাকলেও এখন সেটি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে নানা প্রকল্পের মধ্য দিয়ে। এ ধরিত্রী রক্ষায় আমরা প্রতিনিয়ত সচেতনামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করলেও সরকার থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। সরকার যদি পরিবেশের দিকে গুরুত্ব দেয়, তাহলে আমাদের জলবায়ু পরিবর্তের প্রভাব থেকে কিছুটা হলেও মুক্ত থাকব।
সিলেট বিভাগীয় বন অফিসের সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ নাজমুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, দিন দিন সিলেট অঞ্চলের বনায়ন কমছে। আমাদের হাতে কয়েকটি পরিকল্পনা রয়েছে। সিলেটকে বৈজ্ঞানিক ও পরিকল্পিত উপায়ে পতিত জমি, নতুন স্থানে বৃক্ষরোপণ করে বন সৃষ্টি ও বনের আয়তন বাড়ানোর প্রক্রিয়ার কাজ চলছে।

সিলেট অঞ্চলের সবুজ টিলা এখন কংক্রিটে ঢেকে যাচ্ছে। কোথাও কাটা পাহাড়, কোথাও নতুন বসতির ফলে চোখে পড়ছে বদলে যাওয়া দৃশ্য। গত এক দশকের বেশি সময়ে সিলেট অঞ্চলে গাছের সবুজ আচ্ছাদন কমার প্রবণতা এখন গবেষণায় উঠে এসেছে।
গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচ- এর স্যাটেলাইটভিত্তিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সিলেট অঞ্চলে প্রায় ৮ দশমিক ৭ হাজার হেক্টর বৃক্ষ আচ্ছাদন হারিয়েছে। এটি ২০০০ সালের মোট বৃক্ষ আচ্ছাদনের প্রায় ৭ শতাংশের সমান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই কমেছে গত এক দশকে, বিশেষ করে ২০১৪-২০২৩ সময়কালে ক্ষতি হয়েছে বেশি।
সেখানে আরো বলা হয়, ২০০১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সিলেট বিভাগের মোট বৃক্ষ আচ্ছাদন ক্ষতির প্রায় ৫৯ শতাংশই ঘটেছে একটি জেলাতেই। একই সময়ে মৌলভীবাজার জেলা হারিয়েছে প্রায় ৫ দশমিক ১ হাজার হেক্টর বনভূমি, যা পুরো অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ। এরপর রয়েছে হবিগঞ্জ, যেখানে এই সময়ে বনভূমি ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ দশমিক ৬ হাজার হেক্টর। তুলনামূলকভাবে সিলেট জেলায় ক্ষতি হয়েছে ৭৪০ হেক্টর এবং সুনামগঞ্জে ২৩০ হেক্টর।
সিলেট নগরের খাদিমনগর, টিলাগড়, এয়ারপোর্ট রোড ও উপশহর এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, যেসব এলাকায় আগে ঘন সবুজ ছিল, সেখানে এখন বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে উঠেছে।
বিশ্ববিখ্যাত পরিবেশ বিষয়ক ইনডেস্ক ‘ন্যাচার’- এর তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলায় ভূমি ব্যবহার ও ভূমি আচ্ছাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে।
এ বিষয়ে ইয়ুথ নেট গ্লোবালের এক্সিকিউটিভ কো-অর্ডিনেটর সোহানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, বৈশ্বিক তামপাত্রা বাড়ছে, সেখানে বাংলাদেশের অবদান আছে। সিলেট একসময় সবুজায়নের জন্য বিখ্যাত থাকলেও এখন সেটি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে নানা প্রকল্পের মধ্য দিয়ে। এ ধরিত্রী রক্ষায় আমরা প্রতিনিয়ত সচেতনামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করলেও সরকার থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। সরকার যদি পরিবেশের দিকে গুরুত্ব দেয়, তাহলে আমাদের জলবায়ু পরিবর্তের প্রভাব থেকে কিছুটা হলেও মুক্ত থাকব।
সিলেট বিভাগীয় বন অফিসের সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ নাজমুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, দিন দিন সিলেট অঞ্চলের বনায়ন কমছে। আমাদের হাতে কয়েকটি পরিকল্পনা রয়েছে। সিলেটকে বৈজ্ঞানিক ও পরিকল্পিত উপায়ে পতিত জমি, নতুন স্থানে বৃক্ষরোপণ করে বন সৃষ্টি ও বনের আয়তন বাড়ানোর প্রক্রিয়ার কাজ চলছে।

সবুজ টিলা ঢেকে যাচ্ছে কংক্রিটে
সিলেট সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭: ০০

ছবি: সংগৃহীত
সিলেট অঞ্চলের সবুজ টিলা এখন কংক্রিটে ঢেকে যাচ্ছে। কোথাও কাটা পাহাড়, কোথাও নতুন বসতির ফলে চোখে পড়ছে বদলে যাওয়া দৃশ্য। গত এক দশকের বেশি সময়ে সিলেট অঞ্চলে গাছের সবুজ আচ্ছাদন কমার প্রবণতা এখন গবেষণায় উঠে এসেছে।
গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচ- এর স্যাটেলাইটভিত্তিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সিলেট অঞ্চলে প্রায় ৮ দশমিক ৭ হাজার হেক্টর বৃক্ষ আচ্ছাদন হারিয়েছে। এটি ২০০০ সালের মোট বৃক্ষ আচ্ছাদনের প্রায় ৭ শতাংশের সমান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই কমেছে গত এক দশকে, বিশেষ করে ২০১৪-২০২৩ সময়কালে ক্ষতি হয়েছে বেশি।
সেখানে আরো বলা হয়, ২০০১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সিলেট বিভাগের মোট বৃক্ষ আচ্ছাদন ক্ষতির প্রায় ৫৯ শতাংশই ঘটেছে একটি জেলাতেই। একই সময়ে মৌলভীবাজার জেলা হারিয়েছে প্রায় ৫ দশমিক ১ হাজার হেক্টর বনভূমি, যা পুরো অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ। এরপর রয়েছে হবিগঞ্জ, যেখানে এই সময়ে বনভূমি ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ দশমিক ৬ হাজার হেক্টর। তুলনামূলকভাবে সিলেট জেলায় ক্ষতি হয়েছে ৭৪০ হেক্টর এবং সুনামগঞ্জে ২৩০ হেক্টর।
সিলেট নগরের খাদিমনগর, টিলাগড়, এয়ারপোর্ট রোড ও উপশহর এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, যেসব এলাকায় আগে ঘন সবুজ ছিল, সেখানে এখন বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে উঠেছে।
বিশ্ববিখ্যাত পরিবেশ বিষয়ক ইনডেস্ক ‘ন্যাচার’- এর তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলায় ভূমি ব্যবহার ও ভূমি আচ্ছাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে।
এ বিষয়ে ইয়ুথ নেট গ্লোবালের এক্সিকিউটিভ কো-অর্ডিনেটর সোহানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, বৈশ্বিক তামপাত্রা বাড়ছে, সেখানে বাংলাদেশের অবদান আছে। সিলেট একসময় সবুজায়নের জন্য বিখ্যাত থাকলেও এখন সেটি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে নানা প্রকল্পের মধ্য দিয়ে। এ ধরিত্রী রক্ষায় আমরা প্রতিনিয়ত সচেতনামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করলেও সরকার থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। সরকার যদি পরিবেশের দিকে গুরুত্ব দেয়, তাহলে আমাদের জলবায়ু পরিবর্তের প্রভাব থেকে কিছুটা হলেও মুক্ত থাকব।
সিলেট বিভাগীয় বন অফিসের সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ নাজমুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, দিন দিন সিলেট অঞ্চলের বনায়ন কমছে। আমাদের হাতে কয়েকটি পরিকল্পনা রয়েছে। সিলেটকে বৈজ্ঞানিক ও পরিকল্পিত উপায়ে পতিত জমি, নতুন স্থানে বৃক্ষরোপণ করে বন সৃষ্টি ও বনের আয়তন বাড়ানোর প্রক্রিয়ার কাজ চলছে।
/এসআর/




