শাহ আমানত বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ব্যয় বাড়ছে

শাহ আমানত বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ব্যয় বাড়ছে
বিশেষ প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরামর্শক ব্যয় প্রায় ৯ কোটি টাকা বাড়ানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ডিজাইন ফেইজে পরামর্শক সেবার মূল চুক্তি ছিল ২৬ কোটি ৮৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯৪ টাকা। নতুন সংশোধনের ফলে ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৩৫ কোটি ৯৫ লাখ ৯৬ হাজার ৪৭২ টাকা। অর্থাৎ এতে মোট ৯ কোটি ৮ লাখ ২ হাজার ৭৯ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় যুক্ত হচ্ছে।
জার্মানির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এয়ারপোর্ট কনসাল্টিং পার্টনার্স জিএমবিএইচ এই পরামর্শক সেবা প্রদান করছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি সহায়তা উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আওতায় বিমানবন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন এবং আধুনিকায়নের বিস্তারিত নকশা তৈরির কাজ চলছে। যদিও এটি গত বছরের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল, তবে কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
প্রকল্পের মাধ্যমে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ের উন্নয়ন এবং টার্মিনাল আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন ছাড়াও সরাসরি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ তৈরির লক্ষ্যও রয়েছে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরামর্শক ব্যয় প্রায় ৯ কোটি টাকা বাড়ানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ডিজাইন ফেইজে পরামর্শক সেবার মূল চুক্তি ছিল ২৬ কোটি ৮৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯৪ টাকা। নতুন সংশোধনের ফলে ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৩৫ কোটি ৯৫ লাখ ৯৬ হাজার ৪৭২ টাকা। অর্থাৎ এতে মোট ৯ কোটি ৮ লাখ ২ হাজার ৭৯ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় যুক্ত হচ্ছে।
জার্মানির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এয়ারপোর্ট কনসাল্টিং পার্টনার্স জিএমবিএইচ এই পরামর্শক সেবা প্রদান করছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি সহায়তা উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আওতায় বিমানবন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন এবং আধুনিকায়নের বিস্তারিত নকশা তৈরির কাজ চলছে। যদিও এটি গত বছরের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল, তবে কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
প্রকল্পের মাধ্যমে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ের উন্নয়ন এবং টার্মিনাল আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন ছাড়াও সরাসরি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ তৈরির লক্ষ্যও রয়েছে।

শাহ আমানত বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ব্যয় বাড়ছে
বিশেষ প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরামর্শক ব্যয় প্রায় ৯ কোটি টাকা বাড়ানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ডিজাইন ফেইজে পরামর্শক সেবার মূল চুক্তি ছিল ২৬ কোটি ৮৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯৪ টাকা। নতুন সংশোধনের ফলে ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৩৫ কোটি ৯৫ লাখ ৯৬ হাজার ৪৭২ টাকা। অর্থাৎ এতে মোট ৯ কোটি ৮ লাখ ২ হাজার ৭৯ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় যুক্ত হচ্ছে।
জার্মানির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এয়ারপোর্ট কনসাল্টিং পার্টনার্স জিএমবিএইচ এই পরামর্শক সেবা প্রদান করছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি সহায়তা উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আওতায় বিমানবন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন এবং আধুনিকায়নের বিস্তারিত নকশা তৈরির কাজ চলছে। যদিও এটি গত বছরের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল, তবে কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
প্রকল্পের মাধ্যমে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ের উন্নয়ন এবং টার্মিনাল আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন ছাড়াও সরাসরি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ তৈরির লক্ষ্যও রয়েছে।




