বাড়ছে তাপমাত্রা, সুস্থ থাকতে যা করবেন

বাড়ছে তাপমাত্রা, সুস্থ থাকতে যা করবেন
সিটিজেন ডেস্ক

দেশজুড়ে তাপমাত্রার পারদ ক্রমাগত উর্ধ্বমুখী। যার ফলে নাভিশ্বাস উঠেছে জনজীবনে। ঘরে কিংবা বাইরে—কোথাও মিলছে না স্বস্তি। প্রচণ্ড এই গরমে হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা এবং ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি এখন চরমে। এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সুস্থ থাকতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বেশ কিছু জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
পানিশূন্যতা রোধে পর্যাপ্ত পানি পান
গরমের সব থেকে বড় ঝুঁকি হলো শরীর থেকে পানি ও খনিজ লবণ বের হয়ে যাওয়া। তৃষ্ণা না পেলেও দিনে অন্তত ২-৩ লিটার নিরাপদ পানি পান করতে হবে। পানির বিকল্প হিসেবে ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা স্যালাইন পান করা যেতে পারে। তবে রাস্তার ধারের খোলা শরবত বা বরফ দেওয়া পানীয় পান না করাই উত্তম বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
হিট স্ট্রোক থেকে সাবধান
শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হয়ে গেলে এবং ঘাম বন্ধ হয়ে গেলে তা হিট স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। হিট স্ট্রোকে এড়াতে সরাসরি সবসময় ছায়াযুক্ত স্থানে থাকতে হবে। বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা সবথেকে বেশি থাকে, এই সময়ে কাজ ছাড়া বাইরে বের না হওয়াই ভালো। বাইরে বের হলে ছাতা, হ্যাট বা টুপি এবং রোদচশমা (সানগ্লাস) ব্যবহার করা আবশ্যক।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন
গরমের সময় অনেকেই হজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাই খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে। সহজে হজম হয় এমন টাটকা খাবার এবং রসালো ফল (যেমন- তরমুজ, শসা, বাঙ্গি) বেশি করে খেতে হবে। অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, বাসি খাবার এবং ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (চা-কফি) শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে দেয়, তাই এগুলো এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
পোশাক ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা
গরমে স্বস্তিতে থাকতে একটি বড় ভূমিকা পালন করে পোশাকের ধরণ। এই গরমে ঢিলেঢালা এবং হালকা রঙের সুতির পোশাক পরুন। সিন্থেটিক কাপড় এড়িয়ে চলুন। কারণ এটি ঘাম শুষে নিতে পারে না এবং ত্বকে র্যাশ তৈরি করে। প্রতিদিন অন্তত একবার গোসল করতে হবে।
শিশুদের প্রতি বিশেষ নজর
গরমে বেশি কষ্ট হয় স্কুলগামী শিশু এবং নবজাতকদের। এই মৌসুমে তাদের ত্বকে ঘামাচি বা ইনফেকশন হতে পারে। শিশুদের পর্যাপ্ত তরল খাবার দেওয়া এবং সারাক্ষণ ঘরের ঠান্ডা পরিবেশে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

দেশজুড়ে তাপমাত্রার পারদ ক্রমাগত উর্ধ্বমুখী। যার ফলে নাভিশ্বাস উঠেছে জনজীবনে। ঘরে কিংবা বাইরে—কোথাও মিলছে না স্বস্তি। প্রচণ্ড এই গরমে হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা এবং ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি এখন চরমে। এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সুস্থ থাকতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বেশ কিছু জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
পানিশূন্যতা রোধে পর্যাপ্ত পানি পান
গরমের সব থেকে বড় ঝুঁকি হলো শরীর থেকে পানি ও খনিজ লবণ বের হয়ে যাওয়া। তৃষ্ণা না পেলেও দিনে অন্তত ২-৩ লিটার নিরাপদ পানি পান করতে হবে। পানির বিকল্প হিসেবে ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা স্যালাইন পান করা যেতে পারে। তবে রাস্তার ধারের খোলা শরবত বা বরফ দেওয়া পানীয় পান না করাই উত্তম বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
হিট স্ট্রোক থেকে সাবধান
শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হয়ে গেলে এবং ঘাম বন্ধ হয়ে গেলে তা হিট স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। হিট স্ট্রোকে এড়াতে সরাসরি সবসময় ছায়াযুক্ত স্থানে থাকতে হবে। বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা সবথেকে বেশি থাকে, এই সময়ে কাজ ছাড়া বাইরে বের না হওয়াই ভালো। বাইরে বের হলে ছাতা, হ্যাট বা টুপি এবং রোদচশমা (সানগ্লাস) ব্যবহার করা আবশ্যক।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন
গরমের সময় অনেকেই হজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাই খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে। সহজে হজম হয় এমন টাটকা খাবার এবং রসালো ফল (যেমন- তরমুজ, শসা, বাঙ্গি) বেশি করে খেতে হবে। অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, বাসি খাবার এবং ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (চা-কফি) শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে দেয়, তাই এগুলো এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
পোশাক ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা
গরমে স্বস্তিতে থাকতে একটি বড় ভূমিকা পালন করে পোশাকের ধরণ। এই গরমে ঢিলেঢালা এবং হালকা রঙের সুতির পোশাক পরুন। সিন্থেটিক কাপড় এড়িয়ে চলুন। কারণ এটি ঘাম শুষে নিতে পারে না এবং ত্বকে র্যাশ তৈরি করে। প্রতিদিন অন্তত একবার গোসল করতে হবে।
শিশুদের প্রতি বিশেষ নজর
গরমে বেশি কষ্ট হয় স্কুলগামী শিশু এবং নবজাতকদের। এই মৌসুমে তাদের ত্বকে ঘামাচি বা ইনফেকশন হতে পারে। শিশুদের পর্যাপ্ত তরল খাবার দেওয়া এবং সারাক্ষণ ঘরের ঠান্ডা পরিবেশে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

বাড়ছে তাপমাত্রা, সুস্থ থাকতে যা করবেন
সিটিজেন ডেস্ক

দেশজুড়ে তাপমাত্রার পারদ ক্রমাগত উর্ধ্বমুখী। যার ফলে নাভিশ্বাস উঠেছে জনজীবনে। ঘরে কিংবা বাইরে—কোথাও মিলছে না স্বস্তি। প্রচণ্ড এই গরমে হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা এবং ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি এখন চরমে। এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সুস্থ থাকতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বেশ কিছু জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
পানিশূন্যতা রোধে পর্যাপ্ত পানি পান
গরমের সব থেকে বড় ঝুঁকি হলো শরীর থেকে পানি ও খনিজ লবণ বের হয়ে যাওয়া। তৃষ্ণা না পেলেও দিনে অন্তত ২-৩ লিটার নিরাপদ পানি পান করতে হবে। পানির বিকল্প হিসেবে ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা স্যালাইন পান করা যেতে পারে। তবে রাস্তার ধারের খোলা শরবত বা বরফ দেওয়া পানীয় পান না করাই উত্তম বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
হিট স্ট্রোক থেকে সাবধান
শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হয়ে গেলে এবং ঘাম বন্ধ হয়ে গেলে তা হিট স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। হিট স্ট্রোকে এড়াতে সরাসরি সবসময় ছায়াযুক্ত স্থানে থাকতে হবে। বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা সবথেকে বেশি থাকে, এই সময়ে কাজ ছাড়া বাইরে বের না হওয়াই ভালো। বাইরে বের হলে ছাতা, হ্যাট বা টুপি এবং রোদচশমা (সানগ্লাস) ব্যবহার করা আবশ্যক।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন
গরমের সময় অনেকেই হজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাই খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে। সহজে হজম হয় এমন টাটকা খাবার এবং রসালো ফল (যেমন- তরমুজ, শসা, বাঙ্গি) বেশি করে খেতে হবে। অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, বাসি খাবার এবং ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (চা-কফি) শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে দেয়, তাই এগুলো এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
পোশাক ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা
গরমে স্বস্তিতে থাকতে একটি বড় ভূমিকা পালন করে পোশাকের ধরণ। এই গরমে ঢিলেঢালা এবং হালকা রঙের সুতির পোশাক পরুন। সিন্থেটিক কাপড় এড়িয়ে চলুন। কারণ এটি ঘাম শুষে নিতে পারে না এবং ত্বকে র্যাশ তৈরি করে। প্রতিদিন অন্তত একবার গোসল করতে হবে।
শিশুদের প্রতি বিশেষ নজর
গরমে বেশি কষ্ট হয় স্কুলগামী শিশু এবং নবজাতকদের। এই মৌসুমে তাদের ত্বকে ঘামাচি বা ইনফেকশন হতে পারে। শিশুদের পর্যাপ্ত তরল খাবার দেওয়া এবং সারাক্ষণ ঘরের ঠান্ডা পরিবেশে রাখার চেষ্টা করতে হবে।




