চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ২৮ গ্রামের মানুষ

চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ২৮ গ্রামের মানুষ
জামালপুর সংবাদদাতা

উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নিজেরই স্বাস্থ্য ঠিক নেই। বলছি, জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কথা। প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো জরাজীর্ণ হওয়ায় বর্তমানে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রয়েছে।
১৯৭৭ সালে বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর গ্রামে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই সময় দুইটি ভবন নির্মাণ করা হয়। একটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ভবন। অন্যটি ডাক্তার ও স্টাফদের আবাসিক ভবন। দুইটি ভবনই বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য।
উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি নদী ভাঙন ও চরাঞ্চলের মানুষের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান ছিল। এটি চালু না থাকায় মেরুরচর ইউনিয়নের মানুষদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার জন্য ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বকশীগঞ্জ উপজেলা শহরে আসতে হয়। ফলে রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় ডাক্তার ও স্টাফরাও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা দিতে পারছে না। বর্তমানে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা বন্ধ থাকায় ২৮ গ্রামের মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।

মেরুরচর গ্রামের সংরক্ষিত আসনের মেম্বার নুরনাহার জানান, উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি চলমান না থাকায় গর্ভবতী রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এ ব্যাপারে স্কুল শিক্ষক হাবিবুল্লাহ বলেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসার প্রয়োজনে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি দ্রুত সংস্কার ও চিকিৎসা সেবা চালু করা প্রয়োজন।
মেরুরচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ইউনিয়নের অধিকাংশ পরিবার নদী ভাঙনের শিকার ও অর্থনৈতিকভাবে অস্বচ্ছল। উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ব্যবহার উপযোগী করে চিকিৎসা সেবা চালু করলে জনসাধারণ উপকৃত হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল করিম বলেন, মেরুরচর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবগত আছে। অনুমোদন পেলেই মেরামত কাজ শুরু হবে।

উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নিজেরই স্বাস্থ্য ঠিক নেই। বলছি, জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কথা। প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো জরাজীর্ণ হওয়ায় বর্তমানে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রয়েছে।
১৯৭৭ সালে বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর গ্রামে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই সময় দুইটি ভবন নির্মাণ করা হয়। একটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ভবন। অন্যটি ডাক্তার ও স্টাফদের আবাসিক ভবন। দুইটি ভবনই বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য।
উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি নদী ভাঙন ও চরাঞ্চলের মানুষের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান ছিল। এটি চালু না থাকায় মেরুরচর ইউনিয়নের মানুষদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার জন্য ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বকশীগঞ্জ উপজেলা শহরে আসতে হয়। ফলে রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় ডাক্তার ও স্টাফরাও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা দিতে পারছে না। বর্তমানে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা বন্ধ থাকায় ২৮ গ্রামের মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।

মেরুরচর গ্রামের সংরক্ষিত আসনের মেম্বার নুরনাহার জানান, উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি চলমান না থাকায় গর্ভবতী রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এ ব্যাপারে স্কুল শিক্ষক হাবিবুল্লাহ বলেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসার প্রয়োজনে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি দ্রুত সংস্কার ও চিকিৎসা সেবা চালু করা প্রয়োজন।
মেরুরচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ইউনিয়নের অধিকাংশ পরিবার নদী ভাঙনের শিকার ও অর্থনৈতিকভাবে অস্বচ্ছল। উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ব্যবহার উপযোগী করে চিকিৎসা সেবা চালু করলে জনসাধারণ উপকৃত হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল করিম বলেন, মেরুরচর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবগত আছে। অনুমোদন পেলেই মেরামত কাজ শুরু হবে।

চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ২৮ গ্রামের মানুষ
জামালপুর সংবাদদাতা

উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নিজেরই স্বাস্থ্য ঠিক নেই। বলছি, জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কথা। প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো জরাজীর্ণ হওয়ায় বর্তমানে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রয়েছে।
১৯৭৭ সালে বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর গ্রামে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই সময় দুইটি ভবন নির্মাণ করা হয়। একটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ভবন। অন্যটি ডাক্তার ও স্টাফদের আবাসিক ভবন। দুইটি ভবনই বর্তমানে ব্যবহারের অযোগ্য।
উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি নদী ভাঙন ও চরাঞ্চলের মানুষের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান ছিল। এটি চালু না থাকায় মেরুরচর ইউনিয়নের মানুষদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার জন্য ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বকশীগঞ্জ উপজেলা শহরে আসতে হয়। ফলে রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় ডাক্তার ও স্টাফরাও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা দিতে পারছে না। বর্তমানে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা বন্ধ থাকায় ২৮ গ্রামের মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।

মেরুরচর গ্রামের সংরক্ষিত আসনের মেম্বার নুরনাহার জানান, উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি চলমান না থাকায় গর্ভবতী রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এ ব্যাপারে স্কুল শিক্ষক হাবিবুল্লাহ বলেন, সাধারণ মানুষের চিকিৎসার প্রয়োজনে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি দ্রুত সংস্কার ও চিকিৎসা সেবা চালু করা প্রয়োজন।
মেরুরচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ইউনিয়নের অধিকাংশ পরিবার নদী ভাঙনের শিকার ও অর্থনৈতিকভাবে অস্বচ্ছল। উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ব্যবহার উপযোগী করে চিকিৎসা সেবা চালু করলে জনসাধারণ উপকৃত হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল করিম বলেন, মেরুরচর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবগত আছে। অনুমোদন পেলেই মেরামত কাজ শুরু হবে।




