কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা: ধর্মীয় অবমাননার পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে হামলা-ভাঙচুর

কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা: ধর্মীয় অবমাননার পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে হামলা-ভাঙচুর
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ ঘিরে ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত প্রাণঘাতী সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। শনিবার দুপুরে শতাধিক মানুষ স্থানীয় একটি দরবারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে ‘পীর’ হিসেবে পরিচিত শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর নিহত হন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। পুলিশ ও প্রশাসনের ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পুরোনো ভিডিওকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি দ্রুত অস্থির হয়ে ওঠে।
জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে অন্তত সাতটি ফেসবুক আইডি ও পেজ থেকে ৩৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়ানো হয়। শনিবার সকাল পর্যন্ত ভিডিওর লিংক ফিলিপনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে মেসেঞ্জার ও ব্যক্তিগত আইডিতে ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৯টার দিকে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করলেও দুপুরের আগেই উত্তেজনা আরও বাড়ে। প্রাথমিকভাবে গুজব ছড়ানোর কাজে ৭ টি আইডির একযোগে প্রচারণা এবং একজন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতার সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্র, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সকালে আবেদের ঘাট এলাকায় লোকজন জড়ো হয়ে দরবারে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে জোহরের নামাজের পর বিভিন্ন স্থান থেকে লাঠিসোঁটা, রড ও ধারালো অস্ত্রসদৃশ বস্তু নিয়ে তারা মিছিল করে দরবারে হামলা চালায়। পুলিশ আগে থেকেই এলাকায় থাকলেও বিক্ষুব্ধ জনতার তুলনায় সদস্যসংখ্যা কম থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। আহত অবস্থায় শামীম রেজাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০২১ সালেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে শামীম রেজার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। একই সঙ্গে নতুন করে ভিডিও ছড়ানো কয়েকটি আইডির অ্যাডমিন এবং হামলায় জড়িত কয়েকজনকে শনাক্তের কথাও বলছে পুলিশ।
ধর্মকে কেন্দ্র করে উসকানি, গুজবনির্ভর জনরোষ ব্যবহার করে এটি প্রথম হত্যা নয়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমীক দিপু চন্দ্র দাসকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ ঘিরে ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত প্রাণঘাতী সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। শনিবার দুপুরে শতাধিক মানুষ স্থানীয় একটি দরবারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে ‘পীর’ হিসেবে পরিচিত শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর নিহত হন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। পুলিশ ও প্রশাসনের ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পুরোনো ভিডিওকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি দ্রুত অস্থির হয়ে ওঠে।
জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে অন্তত সাতটি ফেসবুক আইডি ও পেজ থেকে ৩৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়ানো হয়। শনিবার সকাল পর্যন্ত ভিডিওর লিংক ফিলিপনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে মেসেঞ্জার ও ব্যক্তিগত আইডিতে ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৯টার দিকে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করলেও দুপুরের আগেই উত্তেজনা আরও বাড়ে। প্রাথমিকভাবে গুজব ছড়ানোর কাজে ৭ টি আইডির একযোগে প্রচারণা এবং একজন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতার সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্র, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সকালে আবেদের ঘাট এলাকায় লোকজন জড়ো হয়ে দরবারে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে জোহরের নামাজের পর বিভিন্ন স্থান থেকে লাঠিসোঁটা, রড ও ধারালো অস্ত্রসদৃশ বস্তু নিয়ে তারা মিছিল করে দরবারে হামলা চালায়। পুলিশ আগে থেকেই এলাকায় থাকলেও বিক্ষুব্ধ জনতার তুলনায় সদস্যসংখ্যা কম থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। আহত অবস্থায় শামীম রেজাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০২১ সালেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে শামীম রেজার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। একই সঙ্গে নতুন করে ভিডিও ছড়ানো কয়েকটি আইডির অ্যাডমিন এবং হামলায় জড়িত কয়েকজনকে শনাক্তের কথাও বলছে পুলিশ।
ধর্মকে কেন্দ্র করে উসকানি, গুজবনির্ভর জনরোষ ব্যবহার করে এটি প্রথম হত্যা নয়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমীক দিপু চন্দ্র দাসকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

কুষ্টিয়ায় পীর হত্যা: ধর্মীয় অবমাননার পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে হামলা-ভাঙচুর
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ ঘিরে ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত প্রাণঘাতী সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। শনিবার দুপুরে শতাধিক মানুষ স্থানীয় একটি দরবারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে ‘পীর’ হিসেবে পরিচিত শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর নিহত হন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। পুলিশ ও প্রশাসনের ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পুরোনো ভিডিওকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি দ্রুত অস্থির হয়ে ওঠে।
জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে অন্তত সাতটি ফেসবুক আইডি ও পেজ থেকে ৩৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়ানো হয়। শনিবার সকাল পর্যন্ত ভিডিওর লিংক ফিলিপনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে মেসেঞ্জার ও ব্যক্তিগত আইডিতে ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৯টার দিকে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করলেও দুপুরের আগেই উত্তেজনা আরও বাড়ে। প্রাথমিকভাবে গুজব ছড়ানোর কাজে ৭ টি আইডির একযোগে প্রচারণা এবং একজন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতার সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্র, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সকালে আবেদের ঘাট এলাকায় লোকজন জড়ো হয়ে দরবারে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে জোহরের নামাজের পর বিভিন্ন স্থান থেকে লাঠিসোঁটা, রড ও ধারালো অস্ত্রসদৃশ বস্তু নিয়ে তারা মিছিল করে দরবারে হামলা চালায়। পুলিশ আগে থেকেই এলাকায় থাকলেও বিক্ষুব্ধ জনতার তুলনায় সদস্যসংখ্যা কম থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। আহত অবস্থায় শামীম রেজাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০২১ সালেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে শামীম রেজার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। একই সঙ্গে নতুন করে ভিডিও ছড়ানো কয়েকটি আইডির অ্যাডমিন এবং হামলায় জড়িত কয়েকজনকে শনাক্তের কথাও বলছে পুলিশ।
ধর্মকে কেন্দ্র করে উসকানি, গুজবনির্ভর জনরোষ ব্যবহার করে এটি প্রথম হত্যা নয়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমীক দিপু চন্দ্র দাসকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।




